1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. tamimshovon@gmail.com : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. sheikhmihadbabu@gmail.com : cmlbru :
  4. mintuchattagram@gmail.com : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. rakibw305@gmail.com : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. shahidur068@gmail.com : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. kmsiddik07@gmail.com : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. shamratjhenaidah@gmail.com : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. md.alamgir.nuhalalg00@gmail.com : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. mdruhel66@gmail.com : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. fajlurrahaman024@gmail.com : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. rubelusa1@gmail.com : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মেহেরপুরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন ⁷ জামপুর তালতলা বাজারে জাকির হোসেন বাবুর গণসংযোগ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল খুলনায় সন্ধানী ক্লিনিকে গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুর,দুজন গ্রেপ্তার অবহেলা আর সংকটে হারিয়ে যাচ্ছে সম্ভাবনা, অস্তিত্ব রক্ষায় গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের উন্নয়নে কাজ করবে জেলা বিএনপি: পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচন: ঐক্যবদ্ধ ৫ প্রার্থী, একক প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা নবীনগরে পুকুরে ডুবে যমজ দুই ভাইয়ের মৃত্যু নারী ফুটবলের উচ্ছ্বাসে মুখরিত গোপালপুর রৌমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু-৫ আহত-১

নওগাঁর সাপাহারে খরায় বাগানের আম ঝরছে 

রাশেদুজ্জামান, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট : বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৩
Spread the love
রাশেদুজ্জামান,নওগাঁ  জেলা প্রতিনিধি : আমের রাজধানী খ্যাত নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চল সাপাহার উপজেলায় প্রচন্ড তাপদাহ ও খরার কারণে মাটিতে ঝরে পড়ছে কৃষকের স্বপ্নের আম। তীব্র খরা আর টানা বৃষ্টিহীনতায় শুকিয়ে গেছে পুকুর খাল ও ডোবা গুলো।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায় পুকুর খাল ও ডোবা গুলো দীর্ঘদিন খনন ও সংস্কার না করায় প্রচন্ড রোদ ও খরোতাপে পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। সেই সাথে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় এবং প্রচন্ড তাপদাহে ঝরে পড়েছে গাছের আম।
যার ফলে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর উপজেলায় আমের ফলন বিপর্যয় ঘটতে চলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা আমচাষীরা। গত কয়েক দিন আগেও এলাকার বিভিন্ন আম গাছ গুলোতে থোকায় থোকায় আমের গুটি দেখা গেলেও এখন তার অনেকটাই ঝরে পড়তে দেখা গেছে। সেই গাছ গুলোতেই এখন আর থোকায় থোকায় দেখা যাচ্ছে না আমের গুটি। প্রচন্ড রোদ ও তাপদাহে আমের গুটিগুলো ঝরে পড়ায় আমবিহীন ডাটা দেখা গেছে।
গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার শুরুতে আমের মুকুল বেশি থাকলেও পরবর্তীতে তাপমাত্রা ও খরার কারণে ঝরে পড়েছে বাগানের অধিকাংশ আম।
আম প্রধান এই অঞ্চলে চাষীরা বর্তমানে গাছের দিকে তাকিয়ে হতাশার পাশাপাশি বুক ফাটা আর্তনাদ করছেন এবং বলছেন এবছর সব চাইতে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছেন তারা।
এলাকার অসংখ্য আম বাগানীরা  জানান প্রচন্ড খরোতাপে গাছে গাছে পানি ও ঔষুধ স্প্রে করে গাছের আম রক্ষার চেষ্টা করেও গাছে আম আটকাতে পারছেন না। প্রচন্ড খরোতাপ ও রোদে ঝরে পড়েছে বেশিরভাগ গাছের আমের গুটি। তাছাড়া সেচের জন্য পানি না থাকায় বাগানে সেচ দেয়া যাচ্ছেনা।
উপজেলার পিছলডাঙ্গা গ্রামের আমচাষী মুমিনুল হক, দেলোয়ার হোসেন, জবই গ্রামের শাহজাহান আলীর সাথে কথা হলে তারা বলেন যে, এবছর শুরুতে প্রতিটি বাগানে যে পমিান মুকুল ফুটেছিল মুকুল এবং পরবর্তীতে আমের গুটি দেখে সকলেই আশায় বুক বেধেছিল। কিন্ত হঠাৎ করে প্রচন্ড দীর্ঘ খরা ও মাত্রাতিরিক্ত তাপদাহ এর কারণে এখন গাছের আমের গুটি ঝরে পড়া দেখে আমচাষীদের সে আশা গুড়ে বালিতে পরিণত হতে বসেছে। তবে এখনও আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি নামলে গাছে যে পরিমানে গুটি রয়েছে তাতে কোন রকমে বাগানিরা তাদের ক্ষতি হয়ত পুশিয়ে নিতে পারবে।
সাপাহার উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, গত কিছুদিন ধরে প্রচন্ড রোদ ও খরার কারণে গাছের আম ঝরে পড়া থেকে রক্ষার জন্য বাগানীদের গাছের গোড়ায় পানি গাছের পাতায় পানি স্প্রে করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তবে বিভিন্ন জায়গায় পানির সু ব্যবস্থা না থাকায় আমের ফলনের লক্ষমাত্রা পুরণ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বৃষ্টি হলে অনেকাংশে ক্ষতি কম হবে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মনিরুজ্জামান টকি জানান, আমাদের পক্ষ থেকে আম রক্ষার্থে ১৫ দিন পরপর বাগান মালিক ও চাষিদের আমের গাছে বেশি করে পানি দিতে  পরামর্শ দেয়া হচ্ছে এবং ছত্রাকনাশক ও বোরন স্প্রে করতে বলা হচ্ছে।
সাপাহার বাজার আম বাগান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন বর্তমানে কিছু কিছু বাগানে সেচ দিতে পারায় সে বাগানগুলিতে আমের গুটি ভালো পরিমানে রয়েছে। খরার পাশাপশি প্রাকৃতিক কোন বড় ধরণের দূর্যোগ না হলে আমের বাম্পার ফলন না হলেও চাষীরা তাদের খরচ পুশিয়ে নিতে পারবে বলে কৃষিদপ্তর ও আমচাষীরা মনে করছেন।
image_print
[jp_post_view]

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি