1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

নীলফামারীতে স্লুইসগেট ধসে নদীগর্ভে বসতবাড়ি

মো মনিরুজ্জামান,নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি, মো মনিরুজ্জামান:নীলফামারীর ডোমারে নদীর পানির চাপে একটি পুরোনো স্লুইসগেট ধসে পড়েছে। এতে একটি বসতবাড়ির বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব হলহলিয়া গ্রামে হরিডারা নদীর ওপর নির্মিত স্লুইসগেট ধসে পড়ে। ভাঙনে স্লুইসগেট সংলগ্ন এলাকার প্রয়াত আবু সাঈদের স্ত্রী হালিমা বেগমের বসতবাড়ির একাংশ নদীতে তলিয়ে যায়।

স্লুইসগেট ধসে ওই অঞ্চলের পানি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও অচল হয়ে পড়েছে। ফলে উপজেলার কয়েক শত বিঘা কৃষিজমি অনাবাদি হয়ে পড়ার আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। আকস্মিক এই নদীভাঙনে অন্তত তিন শতাধিক পরিবারের জীবনযাত্রা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছে বলেও জানা গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত হালিমা বেগম বলেন, ‘হঠাৎ চোখের সামনে ঘরের অর্ধেক অংশ নদীতে তলিয়ে গেল। কিছু সরানি পারি নাই। এখন আমরা খাব কী, আর থাকব কোথায়। সরকার যদি কোনো সাহায্য না করে আমাদের চলার উপায় নাই।’

ক্ষতিগ্রস্ত হালিমা বেগম বলেন, ‘হঠাৎ চোখের সামনে ঘরের অর্ধেক অংশ নদীতে তলিয়ে গেল। কিছু সরানি পারি নাই। এখন আমরা খাব কী, আর থাকব কোথায়। সরকার যদি কোনো সাহায্য না করে আমাদের চলার উপায় নাই।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রোববার সকাল থেকেই স্লুইসগেটটি ধীরে ধীরে নিচের দিকে দেবে যেতে থাকে। একপর্যায়ে মাটি বসে গিয়ে নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে উজান থেকে আসা পানির চাপ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে স্লুইসগেট ও প্রতিরক্ষা বাঁধের পাশে থাকা ইঁদুরের গর্ত দিয়ে তীব্র বেগে পানি ঢুকতে শুরু করে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভয়াবহ ভাঙনে রূপ নিয়ে আশপাশের এলাকা প্লাবিত করে। পানি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ায় এখন সবচেয়ে বড় বিপাকে পড়েছেন এলাকার কৃষকেরা।
স্থানীয় কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, সামনে আমন আবাদের সময়। এই স্লুইসগেট দিয়েই আমরা সেচের পানি আটকে রাখতাম, আবার অতিরিক্ত পানি বের করে দিতাম। এখন তো গেটটাই ভেঙে শেষ। পানি আটকে রাখার ব্যবস্থা না থাকলে কয়েকশ বিঘা জমি একবারে অনাবাদি পড়ে থাকবে।
ডোমার উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ আলম বলেন, ইঁদুরের গর্ত দিয়ে পানি প্রবেশের কারণেই প্রাথমিকভাবে এ ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ শুরু করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এখানে নতুন ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি