মিজানুর রহমান মিলন, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি দৈনিক শিরোমণিঃ
আপডেট :
মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
Spread the love
মিজানুর রহমান মিলন, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি দৈনিক শিরোমণিঃ
বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানার কড়ি আঞ্জুল গ্রামের সাবেক মেম্বার প্রতারক জাহিদুর রহমান (জাহিদ) কে গ্রেফতার করেছে শাজাহানপুর থানা পুলিশ। জাহিদুর রহমান (জাহিদ) ২০০৩ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত শাজাহানপুর থানার খরনা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ছিলেন। তিনি কড়ি আঞ্জুল গ্রামের তোজাম্মেল হোসেনের ছেলে। জানা যায় , জাহিদুর রহমান (জাহিদ) একজন অত্যন্ত চালাক প্রকৃতির প্রতারক। তার নামে একাধিক মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে। এলাকার লোকজনের নিকট থেকে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করে অর্থ আদায় করে লাপাত্তা হয়ে যেত জাহিদ। এ নিয়ে তার নামে একাধিক ব্যক্তি বাদী হয়ে বভিন্ন সময়ে মামলা দায়ের করেন।জাহিদের নামে একাধিক মামলার ওয়ারেন্ট হলে সে ঢাকায় চলে যায় এবং অন্যের টাকা পুঁজি করে বিলাসবহুল জীবন-যাপন করতে থাকে। ইতিপূর্বে তাকে গ্রেফতারের জন্য ঢাকায় অভিযান পরিচালনা করে শাজাহানপুর থানা পুলিশের একটি দল। কিন্তু তখন তারা জাহিদকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়।তার নামে বিভিন্ন মামলার ৭ টি গ্রেফতারী পরোয়ানা নজরে আনেন বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব ফয়সাল মাহমুদ । তখন তিনি তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে আসামী জাহিদুর রহমান জাহিদের অবস্থান চিহ্নিত করতে থাকেন। তাকে গত ১৫ দিন আগে থেকে বগুড়া শহরের রহমান নগর ও কানছগাড়ী এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায়। শাজাহানপুর থানার পুলিশ তাকে ধরার জন্য একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে। কিন্তু নিশাচর জাহিদ খুব চালাক হওয়ায় ব্যর্থ হয়। কিন্তু পুলিশ হাল ছাড়েনি। অবশেষে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২২ জুন ২০২১ তারিখ দেখা যায় যে, আসামী জাহিদুর আবারো বগুড়া শহরে চলাচল করছে। তখন শাজাহানপুর থানা পুলিশের কয়েকটি সিভিল টিম আসামী জাহিদকে গ্রেফতার করার জন্য বগুড়া শহরের কানছগাড়ী, রহমান নগর, ঠনঠনিয়া, মালতিনগর, সাতমাথা সহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আজ দুপুর ১২.৩০ ঘটিকার সময় ছদ্মবেশ( মাথায় ক্যাপ, মাস্ক পরিহিত) ধরে চলার সময় আসামী জাহিদকে বগুড়া পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছ থেকে গ্রেফতার করে শাজাহানপুর থানা পুলিশ। শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,একাধিক মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী জাহিদুর রহমান জাহিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।