1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : গোলাম সরোয়ার মেহেদী : গোলাম সরোয়ার মেহেদী বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : সাইদ হাসান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : সাইদ হাসান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
  4. [email protected] : মোঃ এরফান হোসেন কক্সবাজার প্রতিনিধি : মোঃ এরফান হোছাইন কক্সবাজার প্রতিনিধি
  5. [email protected] : সাখাওয়াত হোসেন সাকা চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : সাখাওয়াত হোসেন সাকা চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : রাকিব হাসান হাকন্দ ঢাকা ব্যুরো প্রধান : রাকিব হাসান হাকন্দ ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  7. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  8. [email protected] : Shahriar Ahmed : Shahriar Ahmed
  9. [email protected] : জুবায়ের চৌধুরী কাজল ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : জুবায়ের চৌধুরী কাজল ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : শাহ্ জামাল ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : শাহ্ জামাল ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : দেলোয়ার ইবনে হোসেন নোয়াখালী প্রতিনিধি : দেলোয়ার ইবনে হোসেন নোয়াখালী প্রতিনিধি
  13. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  14. [email protected] : এম এ সালাম রুবেল রংপুর ব্যুরো প্রধান : এম এ সালাম রুবেল রংপুর ব্যুরো প্রধান
  15. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০২:৫১ অপরাহ্ন

কৃষিকে শিল্পোন্নত পশ্চিমা দেশের মতো আধুনিক করব : কৃষিমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশের কৃষিকে শিল্পোন্নত পশ্চিমা দেশের মতো আধুনিক করব। সে লক্ষ্যে আজকে ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে কৃষকের মধ্যে কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হলো।

আজ মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয় থেকে ১৩টি স্পটে এই কৃষিযন্ত্র বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের কৃষিতে অভূতপূর্ব একটি পরিবর্তন হয়েছে। সেই ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে একটি নতুন প্রকল্প শুরু করেছি। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি যন্ত্রপাতি দিচ্ছি। এগুলো দেব প্রণোদনার মাধ্যমে। আমরা প্রণোদনা দেব একটি যন্ত্রের মূল্যের ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ। বাকিটা দেবে কৃষক।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা যে কৃষকদের কৃষিযন্ত্র দিচ্ছি এটি কৃষিক্ষেত্রে সরকারের নতুন একটি অধ্যায়। ১০-১৫ বছর আগেও আমাদের দেশে চাষাবাদ, মাড়াইসহ সব কর্মকাণ্ড হতো গরু দিয়ে। এটির পরিবর্তন শুরু হয়েছে। তবে ধান কাটা ও লাগানোর কাজটি এখনো মানুষ করে থাকে। আমরা এটির একটা পরিবর্তন চাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমাদের সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেছেন হাওরে একটা অস্বাভাবিক গরম আবহাওয়া আসছে, অনেক ধান চিটা হয়ে যাচ্ছে। বেশি ক্ষতি হয়েছে। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে আমরা এটি জানি, আমরা খবর নিচ্ছি। বিশেষজ্ঞরা যাচ্ছেন। আমাদের সচিবও যাবেন। চাষিরা যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আমরা এটি অবশ্যই মূল্যায়ন করব। যতটা পারি তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ৫ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের আজ থেকে এ কার্যক্রম শুরু হলো। চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ৫০০টি উপজেলায় এক হাজার ৬১৭টি কম্বাইন হারভেস্টার, ৭০১টি রিপার, ১৮৪টি রাইস ট্রান্সপ্লান্টারসহ মোট ৫ হাজার ৭৭৬টি কৃষিযন্ত্র বিতরণ করা হবে। কম্বাইন হারভেস্টারের এর মধ্যে হাওরে ৫১০টি, উপকূলে ২০৩টি, সমতলে ৯০৪টি, রিপারের মধ্যে হাওরে ২৩১টি, উপকূলে ১৬৬টি, সমতলে ৩০৪টি, রাইস ট্রান্সপ্লান্পারের মধ্যে হাওরে ৭৭টি, উপকূলে ৩১টি, সমতলে ৭৬টি।

ফসল ফলানো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কৃষিযন্ত্রে সরকার ৭০ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আগামী ৫ বছর আমরা এই প্রণোদনা দেব, আজকে এটা শুরু হলো। আমি সবাইকে বলতে চাই, শুরুতে সবাইকে দিতে পারছি না। এই যে শুরু হলো এটা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের কৃষিকে শিল্পোন্নত পশ্চিমা দেশের মতো আধুনিক করব। বাংলাদেশের কৃষিকে আরও যান্ত্রিকীকরণ, আধুনিকায়ন ও বাণিজ্যকীকরণ করবো। সরকারের লক্ষ্য হলো কৃষিকে আধুনিকায়ন ও লাভজনক করা।

হাওর এলাকায় ধান চাষ ঝুঁকিপূর্ণ জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এবারও আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমি মাঠপর্যায়ে আমাদের কর্মকর্তাদের বলব সর্বাত্মক প্রস্তুতি আপনারা নেবেন। যে কোনোভাবেই হোক আমরা যাতে ধান ঘরে তুলতে পারি।

এ বছর ধানের দাম বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বোরোর ফলন ভালো হয়েছে। এবার বোরোতে ২ কোটি ৫ লাখ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া এবছর ৪৮ লাখ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে এই লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে সারাদেশে ৪৮ লাখ ৮৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ বেশি হয়েছে। এর মধ্যে ২ লাখ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড আবাদ করা হয়েছে। সেখানে হাইব্রিডের কারণে কমপক্ষে ৩ লাখ টন বেশি ধান পাওয়া যাবে।

অনুষ্ঠানে নেত্রকোনা প্রান্তে যুক্ত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু। এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেসবাহুল ইসলাম, কৃষি বিপনন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, প্রকল্প পরিচালক বেনজীর আলমসহ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্যান্য দপ্তর ও সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

Facebook Comments

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক শিরোমনি