1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস সংকটে মাটির চুলায় ফিরছে রান্না

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গ্যাস সংকটে জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা এই সংকটের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের রান্নাবান্না প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্যাস না থাকায় আধুনিক রান্নাঘর ছেড়ে বাধ্য হয়ে পরিবারগুলোকে ঝুঁকতে হচ্ছে আদিম পদ্ধতির মাটির চুলা ও জ্বালানি কাঠের দিকে।এদিকে দিনভর গ্যাস না থাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। ​সাধারণ মানুষের রান্নার চুলার এই হাহাকারের পেছনে স্থানীয়দের একটি বড় ক্ষোভ লুকিয়ে আছে অবৈধ চুন কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সোনারগাঁ এলাকায় গড়ে ওঠা অসংখ্য অবৈধ চুনা কারখানা দেদার গ্যাস চুরি করে দিনে-রাতে চুনা পোড়াচ্ছে। যার ফলে সাধারণ গ্রাহকরা গ্যাসের সামান্য চাপ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন এবং এলাকায় কৃত্রিম ও স্থায়ী গ্যাস সংকট প্রকট আকার ধারণ করছে।এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এসব অবৈধ চুনা কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে এবং গ্যাস চুরি রোধে প্রশাসনের দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।​ভুক্তভোগী গৃহিণী আসমা বেগম কালবেলাকে বলেন, ‘দিনের বেলা তো দূরের কথা, রাতের গভীর কিংবা ভোরের দিকেও গ্যাসের দেখা মেলে না।’

পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা সুমনা আক্তার কালবেলাকে বলেন, ‘গ্যাসের অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে রান্নার সময় পার হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে মাটির চুলায় কাঠ পুড়িয়ে রান্না করতে হচ্ছে। এতে বাড়তি খরচ ও সময়ের অপচয়ের পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর ধোঁয়ায় পরিবারের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে।’​মেঘনা শিল্পাঞ্চল এলাকার বাসিন্দা নিলা আকতার কালবেলাকে বলেন, ‘চুলায় সামান্য আঁচও থাকে না। মাসের নির্ধারিত গ্যাস বিল ঠিকই দিতে হয়, অথচ রান্নার জন্য বিকল্প হিসেবে কাঠ বা অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। এই গ্যাস সংকটের যন্ত্রণায় আমাদের জীবন অতিষ্ঠ।’তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের মেঘনা শাখার ম্যানেজার সুরজিত সাহা কালবেলাকে বলেন, ‘গ্যাস সংকট শুধু সোনারগাঁয়ের স্থানীয় কোনো সমস্যা নয়, এটি একটি জাতীয় সমস্যা। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজিবাহী জাহাজ থেকে গ্যাস খালাসে বিঘ্ন ঘটায় সরবরাহ কমেছে।’তিনি বলেন, ‘জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত গ্যাস বরাদ্দ না পাওয়ায় গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে অবৈধ সংযোগ ও গ্যাস চুরির বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এদিকে ​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তীব্র সমালোচনা, অবৈধ চুনা কারখানার দৌরাত্ম্য বন্ধ এবং জনদুর্ভোগের এই চরম বাস্তবতায় সোনারগাঁবাসী অবিলম্বে অবৈধ কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ ও দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি