1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. tamimshovon@gmail.com : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. sheikhmihadbabu@gmail.com : cmlbru :
  4. mintuchattagram@gmail.com : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. rakibw305@gmail.com : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. shahidur068@gmail.com : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. kmsiddik07@gmail.com : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. shamratjhenaidah@gmail.com : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. md.alamgir.nuhalalg00@gmail.com : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. mdruhel66@gmail.com : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. fajlurrahaman024@gmail.com : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. rubelusa1@gmail.com : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
গোপালগঞ্জ-ঢাকা কমিউটার ট্রেনে বাড়ছে যাত্রী, সময়সূচি পরিবর্তনের দাবি - দৈনিক শিরোমনি | shiromoni.com
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মাদারীপুরে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল প্রাইভেট কার নারায়ণগঞ্জের ভিডিও ভাইরালের পর সেই এসআই প্রত্যাহার নীলফামারী জেলা সফরে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতার পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ পর্যটন নগরী দক্ষিণ আইচায় যাত্রা শুরু করল ‘বাগান বাড়ী’ রেস্টুরেন্ট ও রিসোর্ট গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কাভার্ডভ্যানের চাপায় তিন যাত্রী নিহত নাটোরে ৪৫ টাকার চায়ের বিল বিতর্কের জেরে সংঘর্ষ র‌্যাবের অভিযানে গোপালপুরে ৬০কেজি গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কর্মসূচিতে অস্ত্র হাতে দুই যুবক সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে পুলিশের হেফাজত থেকে আসামি ছিনতাই

গোপালগঞ্জ-ঢাকা কমিউটার ট্রেনে বাড়ছে যাত্রী, সময়সূচি পরিবর্তনের দাবি

মো: লিটন সিকদার, গোপালগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
Spread the love

মো: লিটন সিকদার:গোপালগঞ্জের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে চালু হয়েছে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন। পদ্মা সেতু হয়ে রাজধানীর সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগের নতুন এই সুযোগ চালুর পর থেকেই যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের নতুন এই ট্রেনটি ১০ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চলাচল শুরু করেছে।
ট্রেন চালুর পর গোপালগঞ্জ স্টেশনে টিকিট বিক্রির পরিমাণও ধীরে ধীরে বাড়ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। গোপালগঞ্জ কাউন্টার থেকে প্রথম দিনে প্রায় ১৬ হাজার টাকা, দ্বিতীয় দিনে ২৫ হাজার টাকা এবং তৃতীয় দিনে প্রায় ২৬ হাজার টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে টিকিট বিক্রিতে এমন ঊর্ধ্বগতি রেলপথটিকে ঘিরে মানুষের আগ্রহের বিষয়টি স্পষ্ট করছে।
তবে যাত্রীদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, বর্তমান সময়সূচি তাদের প্রয়োজনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে সকালে কোনো ট্রেন না থাকায় চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রোগীসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে ঢাকাগামী মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ঢাকামুখী ট্রেনটি গোপালগঞ্জ থেকে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে এবং রাত ১০টা ২৫ মিনিটে রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা থেকে ট্রেনটি বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে গোপালগঞ্জে পৌঁছায় সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে। শনিবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ।
যাত্রীদের অভিযোগ, সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ট্রেন ছাড়ায় দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময়টি কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। অনেক চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থী সকালে ঢাকায় গিয়ে দিনের কাজ শেষ করে আবার ফিরতে চান। কিন্তু বর্তমান সূচিতে সেই সুযোগ সীমিত।
এ কারণে যাত্রীদের পক্ষ থেকে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে সকালে একটি ট্রিপ চালুর দাবি জোরালো হচ্ছে। তাদের ধারণা, সকালে ঢাকামুখী ট্রেন চালু করা হলে শুধু বর্তমান যাত্রীরাই উপকৃত হবেন না, বরং নতুন করে বিপুলসংখ্যক যাত্রী রেলপথ ব্যবহার শুরু করবেন।
স্থানীয় যাত্রীদের ভাষ্য, সকালবেলা ট্রেন চালু হলে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকায় গিয়ে অফিস, আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসাসহ বিভিন্ন জরুরি কাজ সম্পন্ন করে একই দিনেই ফেরার সুযোগ তৈরি হবে। এতে সড়কপথের দীর্ঘ যানজট ও অতিরিক্ত ভ্রমণ ব্যয়ের চাপও অনেকাংশে কমতে পারে।
গোপালগঞ্জের মানুষের জন্য নতুন এই রেল যোগাযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী ও স্বস্তিদায়ক বিকল্প তৈরি করছে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ট্রেনটির মাধ্যমে গোপালগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ যাত্রীরা ঢাকায় যাতায়াতের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি স্থানীয় কৃষিপণ্য, মাছ, শাকসবজি ও অন্যান্য পণ্য রাজধানীর বাজারে পরিবহনের সুযোগও বাড়বে।
বর্তমানে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেনে আটটি কোচ রয়েছে এবং এতে ছয় শতাধিক আসন রয়েছে। ঢাকা-গোপালগঞ্জ পথে ট্রেনটি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। ফলে গোপালগঞ্জ ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ এই রেল যোগাযোগের সুবিধা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
যাত্রীরা বলছেন, ট্রেন চালুর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই টিকিট বিক্রি বাড়তে থাকায় ভবিষ্যতে এই রুটে যাত্রীসংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সময়সূচি যাত্রীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বিন্যাস করা গেলে ট্রেনটির ব্যবহার আরও ব্যাপক হবে বলে তারা মনে করছেন।
তাদের মতে, সকালে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকামুখী এবং বিকেল বা সন্ধ্যায় ঢাকামুখী ফিরতি ট্রেনের ব্যবস্থা করা হলে একদিকে যেমন কর্মজীবী মানুষের সুবিধা বাড়বে, অন্যদিকে শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীদেরও রাজধানীতে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজ সেরে একই দিনে ফেরার সুযোগ তৈরি হবে।
গোপালগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল রাজধানীর সঙ্গে একটি কার্যকর ও সহজ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। সেই প্রত্যাশার অংশ হিসেবে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ চালু হওয়ায় ইতোমধ্যে মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখন যাত্রীদের প্রত্যাশা, চাহিদা ও যাত্রীসংখ্যা বিবেচনা করে বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনটির সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সকালে ঢাকামুখী ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেবে।

print
Facebook Comments
image_print
Print Friendly, PDF & Email
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি


This will close in 30 seconds

Shares