1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন

নেত্রকোনারয় ১১ বছর বয়সি শিশু অন্তঃসত্ত্বা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সি এক শিশুর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে নবজাতকটি সিলেটের একটি সেফ হোমে আছে।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মদন থানার উপ-পরিদর্শক মো. আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ওই নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি মাদ্রাসা শিক্ষকেরও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নবজাতককে ঢাকায় না এনে সিলেটের সেফ হোম থেকেই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ঢাকার সিআইডি ল্যাবের পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর নমুনা সংগ্রহ করেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চার বছর আগে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর জেলার মদন উপজেলার নিহ গ্রামে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মা-বাবার বিচ্ছেদের পর শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। জীবিকার তাগিদে তার মা সিলেটে গৃহকর্মীর কাজ করতেন।

শিশুটি অসুস্থ বোধ করলে এবং তার শরীরে পরিবর্তন দেখা দিলে মা বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে গত ১৮ এপ্রিল মদন পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।

এরপর ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে ওই মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র‌্যাব তাকে গ্রেফতার করে। পরদিন আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে গত ১২ মে আদালতের নির্দেশে শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, গত ২ জুলাই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভুক্তভোগী একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়। এরপর ৯ জুলাই নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান আরও বলেন, নবজাতকের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে অভিযুক্ত ব্যক্তির নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পেলেই মামলায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মামলার অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক বর্তমানে কারাগারে আছেন। নেত্রকোনা আদালতের পরিদর্শক মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ বলেন, মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৪ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি