1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. tamimshovon@gmail.com : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. sheikhmihadbabu@gmail.com : cmlbru :
  4. mintuchattagram@gmail.com : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. rakibw305@gmail.com : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. shahidur068@gmail.com : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. kmsiddik07@gmail.com : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. shamratjhenaidah@gmail.com : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. md.alamgir.nuhalalg00@gmail.com : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. mdruhel66@gmail.com : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. fajlurrahaman024@gmail.com : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. rubelusa1@gmail.com : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
নড়াইলের লোহাগড়ায় সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নেই - দৈনিক শিরোমনি | shiromoni.com
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন

নড়াইলের লোহাগড়ায় সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নেই

শিরোমণি ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬
Spread the love

নড়াইলের লোহাগড়ায় মধুমতি নদীর চর এলাকায় প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ বছর আগে নির্মিত হয়েছে একটি সেতু। বিল থেকে ফসল আনা-নেওয়ার জন্য নির্মিত ওই সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো সুবিধাই পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়কও নেই।দাঁড়িয়ে থাকা সেতুটি এলাকাবাসীর কাছে ‘বিষফোড়া’য় পরিণত হয়েছে। এ চিত্র লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামে।লোহাগড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) অফিস সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৭৪ হাজার ১৫৬ টাকা ব্যয়ে মাকড়াইল পাকা রাস্তা হতে মধুমতি নদীর চরের বিল পর্যন্ত রাস্তায় জাকারিয়ার বাড়ির নিকট ২৪ ফুট দৈর্ঘ্য একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেন, লোহাগড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অফিস।এলাকাবাসী জানান, বর্ষার সময় পানি বাড়লে বিল থেকে ফসল আনা-নেওয়ার সুবিধার জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এটি বিল থেকে ফসল আনা-নেওয়ার একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তবে এখন এটি ব্যবহার করতে হলে আগে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে হবে।মাকড়াইল গ্রামের কৃষক আব্দুস ছালাম মোল্যা বলেন, সরকারের টাকা খরচ করে সেতু করেছে। কিন্তু সেতুর দুপাশে কোনো রাস্তা নেই। এই সেতু আমাদের কোনো উপকারে আসে না। যদি মাটি ভরাট করে দুইপাশে রাস্তা হতো তাহলে আমাদের উপকার হতো।একই গ্রামের মশিউর রহমান বলেন, খাল নেই, নদী নেই, রাস্তা নেই, খালি খালি অকারণে বিলের মাঝে একটা ব্রিজ করে থুইছে। এই ব্রিজ আমাদের কোনো উপকারে লাগে না।মাকড়াইল গ্রামের বাসিন্দা লিমন শিকদার বলেন, এখানে যে ব্রিজটা হইছে এর সঙ্গে সংযোগ সড়ক না হওয়ায় আমাদের পুরো গ্রামের ক্ষতি। আমরা একটা ভ্যান নিয়েও বিলে যেতে পারি না, দেড় কিলোমিটার ঘুরে আমাদের বিলে যেতে হয়। ব্রিজের দুপাশ দিয়ে মাটি ভরাট করে রাস্তা করে দিলে আমরা স্থানীয়রা এর সুফল ভোগ করতে পারব।লোহাগড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শরিফ মোহাম্মদ রুবেল কালবেলাকে বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। তখন কেন, কী কারণে, সংযোগ সড়ক করা হয়নি সেটা আমার জানা নেই। সরেজমিনে পরিদর্শন করে ব্রিজের দুপাশে চলাচলের জায়গাটি মাটি দ্বারা ভরাট করে কীভাবে চলাচলের উপযোগী করা যায়, সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

print
Facebook Comments
image_print
Print Friendly, PDF & Email
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি


This will close in 30 seconds

Shares