1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. tamimshovon@gmail.com : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. sheikhmihadbabu@gmail.com : cmlbru :
  4. mintuchattagram@gmail.com : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. rakibw305@gmail.com : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. shahidur068@gmail.com : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. kmsiddik07@gmail.com : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. shamratjhenaidah@gmail.com : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. md.alamgir.nuhalalg00@gmail.com : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. mdruhel66@gmail.com : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. fajlurrahaman024@gmail.com : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. rubelusa1@gmail.com : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
শ্রীপুরে গভীর নলকূপ থেকে বের হচ্ছে গরম পানি - দৈনিক শিরোমনি | shiromoni.com
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কেশবপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জ সদরে কলেজ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা রংপুরে কাবাডিতে কোতোয়ালী থানাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন তারাগঞ্জ থানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বাংলাদেশি কিশোরের লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ শেরপুরে মাদক কেনার টাকা দিতে অস্বীকৃতি;গলা কেটে হত্যা মহজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শরতের আকাশে কুয়াশার ছোঁয়া, শ্রীপুরে শীতের আগমনী বার্তা শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কিশোরগঞ্জে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া আ লীগ নেতা আবার গ্রেপ্তার নড়াগাতীতে মূলশ্রী যুব সমাজের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

শ্রীপুরে গভীর নলকূপ থেকে বের হচ্ছে গরম পানি

রাকিব হাসান আকন্দ, গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট : শনিবার, ৬ মে, ২০২৩
Spread the love
রাকিব হাসান আকন্দ, গাজীপুর প্রতিনিধি: নিরাপদ পানির আশায় গভীর নলকূপ স্থাপন করেছিলেন গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ী (গিলারচালা) এলাকার বাসিন্দা সাহাব উদ্দিন। কিন্তু ওই নলকূপ থেকে বের হচ্ছে গরম পানি। শুরুর দিকে ঠান্ডা পানি বরে হলেও গত তিন বছর যাবত পানি বেশ গরম অনুভূত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা  এই গরম পানির রহস্য বা অজানা কারণ জানতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর ছাড়াও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরেজমিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা দাবি জানান।
শনিবার (৬ মে) দুপুরে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় গভীর নলকূপ থেকে গরম পানি বের হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে আশপাশের বাসিন্দারা ওই বাড়ীতে এসে পানি নিজ হাতে ছুঁয়ে দেখছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বুলবুল জানান, ২৬০ ফুট গভীর নলকূপ দিয়ে গরম পানি বের হচ্ছে। তবে কেন এবং কী কারণে নলকূপ থেকে গরম পানি বের হচ্ছে, এর কারণ কেউ বলতে পারছে না।
একই এলাকার আরিফ হোসেন জানান, সাহাব উদ্দিনের নলকূপের পানি অনেকটা গরম পানির মতো। বাড়ির ভাড়াটিয়ারা পানি ব্যবহারের কয়েক ঘন্টা আগে পানি সংরক্ষন করে পাত্রে রেখে দেয়। পরে পানি ঠান্ডা হলে ওই পানি তারা ব্যবহার করে। তবে সাবানের পানির মতো এই পানি অনেকটা পিচ্ছিল। এটার গন্ধটাও একটু অন্যরকম।
শাহাব উদ্দিনের ছেলে কাউসার জানান, প্রায় ১৫/১৬ বছর আগে বসত ঘরের সামনে তার বাবা গভীর নলকূপ স্থাপন করে। পরে ওই নলকূপ থেকে নিয়মিত গরম পানি বের হতে থাকে। পরে সুপেয় ও নিরাপদ ঠান্ডা পানি উত্তোলনের আশায় মটর উঠিয়ে পাঁচ হাত দূরে বাড়ীর পাশেই প্রায় ৮ বছর আগে আবার গভীর নলকূপ স্থাপন করে। তখন ওই নলকূপ থেকে ঠান্ডা পানি বরে হলেও গত তিন বছর যাবত পানিতে গরম অনুভূত হচ্ছে। ঠান্ডা পানির বদলে গরম পানি বের হচ্ছে। তাৎক্ষকি ওই নলকূপ থেকে বের হওয়া পানি কোন কাজে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
সাহাব উদ্দিনের বাড়ীর ভাড়াটিয়া মোসাম্মৎ নাসিমা আক্তার মিমি জানান, তিনি গত পাঁচ বছর যাবত এ বাড়িতে ভাড়া থাকেন। আগে পানি ভালো ছিল। গত তিন বছর যাবত গরম পানি বের হওয়ায় তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ পানি দিয়ে গোসল করা যায় না। পানি ব্যবহার করলে শরীর চুলকায়, মাথার চুল পড়ে যায়। হাত-মুখ ধুয়ে স্বস্তি পাওয়া যায় না। ফ্রিজে পানি সংরক্ষন করে ঠান্ডা হলে তারপর ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া ফ্রিজের পানি দিয়ে গোসল করালেও ঠান্ডা লেগে যায়।
সাহাব উদ্দিন বলেন, প্রথমে বসত ঘরের সামনে ২২০ ফুট গভীর নলকুপ স্থাপন করে পানি ব্যবহার করছিলেন। হঠাৎ করে নলকূপের পানির অস্বাভাবিক রং ধরা পড়ে এবং হালকা গরম পানি বরে হতে থাকে। পরে এই নলকূপের ৫ হাত দূরত্বে ২৬০ ফুট গভীরতা করে আরেকটি নলকূপ স্থাপন করি। নতুন নলকূপ থেকে প্রথম কয়েকদিন ঠান্ডা পানি বের হয়েছিল। এই নলকূপে তিন বছর আগে থেকে গরম পানি আসা শুরু করে। বছর তিন যাবত নলকূপের পানি কুসুম কুসুম গরম। সংরক্ষন করে ঠান্ডা হওয়ার পর এই পানিই ব্যবহার করতে হচ্ছে। পানি গরম হওয়ায় আমার বাড়ীর ভাড়াটিয়া আসে না। যারা ভাড়া আছে তারাও বাসা খঁজুতেছে চলে যাওয়ার জন্য। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে নতুন করে নলকূপ বসানো হলেও পানির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
তিনি আরো বলেন, আমার বাড়ীর পাশেই প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ডাইং প্ল্যান্টের স্থাপন করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করলে তাদের নির্ধারীত প্রকোৗশলী এসে বিষয়টি দেখে সমাধানের আশ্বাস দেন। কিন্তু দেখি দেখি বলে তিন বছর পার করে দিলেও কোনো সামাধান দিচ্ছেন না।
স্থানীয় পরিবেশকর্মী খোরশেদ আলম বলেন, গরম পানি বের হওয়ার খবরে আমি নিজ উদ্যোগে ওই নলকূপের পানি সংগ্রাহ করে বেসরকারী কয়েকটি দপ্তরে পাঠিয়েছি। কেন গরম পানি বরে হচ্ছে তা পরীক্ষা ছাড়া বলা যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য তিনি অনুরোধ করেন।
শ্রীপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী ফয়সাল খান জানান, গভীর নলকূপ থেকে গরম পানি বের বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধমের জানতে পেরেছেন। আগামীকাল (০৭ মে) রবিবার অফিস সময়ে তিনি বিষয়টি দেখবেন। তবে এখানে পরীক্ষা করার কোনো ব্যবস্থা নেই। আমরা আর্সেনিক পরীক্ষা করতে পারব। বাড়ীর মালিক সাহাব উদ্দিনের ব্যাক্তিগত উদ্যোগে এটা ল্যাবে পরীক্ষা করতে হবে।
print
Facebook Comments
image_print
Print Friendly, PDF & Email
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি


This will close in 30 seconds

Shares