1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. tamimshovon@gmail.com : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. sheikhmihadbabu@gmail.com : cmlbru :
  4. mintuchattagram@gmail.com : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. rakibw305@gmail.com : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. shahidur068@gmail.com : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. kmsiddik07@gmail.com : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. shamratjhenaidah@gmail.com : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. md.alamgir.nuhalalg00@gmail.com : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. mdruhel66@gmail.com : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. fajlurrahaman024@gmail.com : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. rubelusa1@gmail.com : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মেহেরপুরে মানববন্ধন জামপুর তালতলা বাজারে জাকির হোসেন বাবুর গণসংযোগ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল খুলনায় সন্ধানী ক্লিনিকে গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুর,দুজন গ্রেপ্তার অবহেলা আর সংকটে হারিয়ে যাচ্ছে সম্ভাবনা, অস্তিত্ব রক্ষায় গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের উন্নয়নে কাজ করবে জেলা বিএনপি: পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচন: ঐক্যবদ্ধ ৫ প্রার্থী, একক প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা নবীনগরে পুকুরে ডুবে যমজ দুই ভাইয়ের মৃত্যু নারী ফুটবলের উচ্ছ্বাসে মুখরিত গোপালপুর রৌমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু-৫ আহত-১

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে দালালদের দখলে

সবুজ ভদ্র, বিশেষ প্রতিনিধি,চাঁদপুর
  • আপডেট : সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০২২
Spread the love
সবুজ ভদ্র,বিশেষ প্রতিনিধি,চাঁদপুর:চাঁদপুর ২৫০ শয্যা সরকারি জেনারেল হাসপাতালে দালালদের উৎপাত দিন দিন বেড়েই চলেছে। এদের কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ রোগী ও নিরীহ মানুষগণ । দালালরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে রোগীদের সুকৌশলে বুঝিয়ে পাশে থাকা বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক  সেন্টার গুলোতে নিয়ে যাচ্ছে। দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য  বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী ভুক্তভোগীসহ সাধারণ মানুষের। সরজমিনে অনুসন্ধানে  জানাযায়, সদরের অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রয়েছে যে সরকারি হাসপাতালে কর্মরত অনেক ডাক্তারদের চেম্বার রয়েছে । সেসব ডায়াগনস্টিক গুলোতে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে আসা রোগীদেরকে কৌশলে ঐসব চেম্বারে নিয়ে যাচ্ছেন দালাল চক্র। এতে সরকারি বিনামুল্যের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ  রোগীরা। আর এটাই হচ্ছে এই সরকারি  হাসপাতালের প্রতিদিনের চিত্র।
সরেজমিনে গিয়ে আর দেখা যায়, ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা রোগীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে। অনেকে অভিযোগ করে বলছেন, হাসপাতালের পাশে থাকা যে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো রয়েছে সেখানে তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কিছু নারী-পুরুষ দালাল চক্র। ডায়গনস্টিক সেন্টারের মালিকরা হাসপাতালে নিয়োগ দিয়ে রাখে এসব দালালদের। তারাই বিভিন্ন ডাক্তারদের রুমের সামনে ডিউটি করেন। সেখান থেকে রোগীদের বুঝিয়ে ডায়গনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গেলে প্রতি রোগীদের বিপরীতে মালিকরা শতকরা ৩০ থেকে ৫০ হারে টাকা দেন। সদর হাসপাতালের ডাক্তারদের সময়ের নিয়ম থাকলেও ডিউটির সময়ের মধ্যেই চলে যেতে দেখায়ায় ডায়গনেস্টিকে অবস্থিত   প্রাইভেট চেম্বার গুলোতে। দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কোন প্রকার তদারকি না থাকায়,  এভাবে হাসপাতালে অনিয়ম দিন দিন বেড়েই চলছে।
অন্যদিকে আর জানা ও দেখাযায় হাসপাতালের সামনে যেসব ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে তারাই দালাল রেখেছেন বলে অভিযোগ রোগীদের। দালাল যারা হাসপাতালে রোগীদের নিয়ে টানা হ্যাঁচড়া করে ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলোতে নিয়ে যাচ্ছে এমন কিছু দালালদের তথ্য পাওয়া যায়। দালালদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন-মসজিদ গলির ফ্রেমাস ডায়গনিক সেন্টারের শাবানা আক্তার, মিনতি রানী, সুস্মিতা, নাদিয়া আক্তার। মিম ডায়গনিক সেন্টার এর হোসনে আরা আক্তার, পাখি দাস। তাকওয়া ডায়গনিক সেন্টার এর রুনা দাস, সুমি আক্তার, আফরোজা বেগম, জাহানারা বেগম, খুরশিদা বেগম, মোঃ হাবিবুর রহমান। হাসপাতালের জনবলের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, হাসপাতালের রুম নম্বর ২০২ এর রিতা দাশ (রুম নং ২০৪)সহ টিকেট কাউন্টার জরুরি বিভাগের সামনে অনেক দালাল প্রতিদিন এভাবেই ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে রোগীদের মিথ্যে তথ্য দিয়ে ডায়গনেস্টিকগুলোতে ভাগিয়ে  নিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদের কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছে গ্রাম অঞ্চল থেকে আসা সহজ সরল শত শত সাধারণ রোগী।
এদিকে রোগী আয়েশা বেগম ও মো. শাহজালাল অভিযোগ করে বলেন, ভাই কি বলবো টাকা নাই হাসপাতালের ডাক্তার বিনা পয়সায় দেখাবো, ডাক্তার আগে বিভিন্ন পরীক্ষা করতে হবে। তখন একজন মহিলা এসে বললো এগুলো সব পরীক্ষা করতে হবে পাশে ডায়গনস্টিক সেন্টার আছে। সদর হাসপাতালে এই সব পরীক্ষা হয় না। এর পর আমাকে নিয়ে গেলো পাশের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। যেখানে আমার এক্সরে, রক্ত, ও পেসাব পরীক্ষা করে। অনেক টাকা বিল হয়েছে আমি এত টাকা বিল দিতে পারিনি। তাই আমাকে অনেক গালমন্দ করেছে। কিছু টাকা কম দিয়ে আসি। আমি পরে ওষুধ কেনার মত টাকা আর ছিল না।
সম্প্রতি সময়ে চাঁদপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ফরিদা ইলিয়াছ হাসপাতাল এলাকায় গিয়ে কয়েকজন দালালকে হাতে নাতে ধরেন। তাদেরকে তিনি সতর্ক করে দেন। পরবর্তীতে তাদেরকে পাওয়া গেলে তিনি আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের কথা বলেন।
এসব বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিকভাবে দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।

image_print
[jp_post_view]

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি