করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত চলমান লকডাউনে ঢাকার ধামরাইয়ে বারবাড়িয়া চেকপোস্টে শক্ত অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। নানা ছুতোয় সড়কে আগত সাধারণ মানুষদের লকডাউন মানাতে জেরার আওতায় নিয়ে আসছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের বারবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডের চেকপোস্টে এ চিত্র দেখা গেছে।
এসময় মুভমেন্ট পাস না থাকা পরিবহনকে উল্টোদিকে ঘুরিয়ে দেন তারা। এছাড়া নির্দেশ না মানা যানবাহনকে পাশেই দাঁড় করিয়ে রাখা হয়।
জানা যায়, লকডাউনের শুরু থেকেই মানুষকে বাইরে বের হওয়া নিরুৎসাহিত করতে ঢাকার ধামরাইয়ের বারবাড়িয়াতে চেকপোস্ট বসায় ঢাকা জেলা পুলিশ।
এছাড়া সেখানে প্রতিবন্ধক দিয়ে যান চলাচল সীমিত করা হয়। আগত যানবাহনগুলোকে যাচাইয়ের পর গন্তব্যে যেতে দেয়া হয়।
তবে তৃতীয় দফা লকডাউনেও রিকশা ও লেগুনায় করে যাত্রী পরিবহন করছেন অনেকেই।
চেকপোস্টে দাঁড়িয়ে দেখা যায়, পুলিশ সাধারণ মানুষকে থামিয়ে জিজ্ঞাসা করছেন কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন। কিন্তু সদুত্তর না পাওয়ায় অনেককেই রিকশা থেকে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা জানান, উপরের নির্দেশে তারা যথাযথ দায়িত্ব পালন করছেন। উদ্দেশ্য একটাই, করোনা সংক্রমণ যাতে না বাড়ে।
জানতে চাইলে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সায়েদুজ্জামান বলেন, আমরা চেকপোস্টে শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেছি। মুভমেন্ট পাস ও হাসপাতালগামী গাড়িগুলোকে যাচাই-বাছাইয়ের পর চলাচল করতে দেয়া হচ্ছে।
এবিষয়ে ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) শাহীদুল ইসলাম বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় যেসব সেবা রয়েছে সেসব গাড়ি চলছে। এর বাইরে মানুষ তো নামা নিষেধ। রিকশা চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এছাড়া প্রবেশদ্বার গুলোতে (আমিনবাজার, হেমায়েতপুর, বিরুলিয়া, আশুলিয়া, বাইপাইল, মরাগাঙ, ধামরাইয়ের বারবাড়িয়া) চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ তৎপর ব্যবস্থা নিয়েছি সবখানেই।