1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় কুষ্টিয়া-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর গণমিছিল নীলফামারী–৪ আসনে জাতীয় পার্টি প্রার্থীর নেতৃত্বে মিছিল চাঁদপুরে মর্ডান শিশু একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ফরিদপুরের দুর্গম চরাঞ্চলের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে যৌথবাহিনী মেহেরপুরে প্রতিহিংসার রাজনীতি হবে না-মাসুদ অরুণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগরে বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনী সভা যশোর -৬ কেশবপুরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা সমালোচনায় পিছু ছাড়ছে না’ দিরাই ডাক বাংলো’র কর্মচারী ধনো’র বাগেরহাটের কচুয়ায় ঘোড়া মার্কার পক্ষে জনস্রোত: সেলিম ‎ দিঘলিয়ায় নৌবাহিনীর অভিযানে নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

রংপুরের পীরগাছায় জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদের স্ত্রীকে মারধর

পীরগাছা উপজেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট : বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫

পীরগাছা উপজেলা প্রতিনিধি: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রংপুরের পীরগাছার শহীদ মঞ্জুরুল ইসলামের স্ত্রী রহিমা বেগমকে মারধরের অভিযোগ ইদ উঠেছে দেবরের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাতে এ অভিযোগ করেন তিনি।
রহিমা বেগম জানান, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই ঢাকার গাজীপুর জয়বাংলা রোডে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন তার স্বামী রিকশাচালক মঞ্জুরুল ইসলাম। মৃত্যুর পর তার স্বামীকে রংপুরের পীরগাছার ছাওলা ইউনিয়নের জুয়ান গ্রামে দাফন করা হয়। স্বামীর মৃত্যুর পর রহিমা বেগম তার দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকতে শুরু করেন।
তবে কিছুদিন যেতে না যেতেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করায় তিনি স্বামীর বাড়ি ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। তখন থেকে তিনি উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের সাহেববাজার সংলগ্ন বেড়িবাঁধে সন্তানদের নিয়ে থাকছেন।মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকেলে তার মেয়ে মোহনা আক্তার (৫) বাবার কবর দেখতে যাওয়ার আবদার করেন। মেয়ের আবদার রাখতে রহিমা তার সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি জুয়ান গ্রামে যান। সেখানে যাওয়ার পর তার শ্বশুর ও শাশুড়ি তাকে দেখে খারাপ আচরণ করা শুরু করেন। তাদের সঙ্গে রহিমার কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তার ছোট দেবর শহিদুল ইসলাম (২৬) তাকে বলেন, ‘তুই কেন এসেছিস এখানে। তোর এখানে আসার কোনো অধিকার নেই।’

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি