1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. tamimshovon@gmail.com : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. sheikhmihadbabu@gmail.com : cmlbru :
  4. mintuchattagram@gmail.com : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. rakibw305@gmail.com : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. shahidur068@gmail.com : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. kmsiddik07@gmail.com : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. shamratjhenaidah@gmail.com : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. md.alamgir.nuhalalg00@gmail.com : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. mdruhel66@gmail.com : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. fajlurrahaman024@gmail.com : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. rubelusa1@gmail.com : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
বিতর্কিত আইনে স্বাক্ষর করেননি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন - দৈনিক শিরোমনি | shiromoni.com
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রংপুরে কাবাডিতে কোতোয়ালী থানাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন তারাগঞ্জ থানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বাংলাদেশি কিশোরের লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ শেরপুরে মাদক কেনার টাকা দিতে অস্বীকৃতি;গলা কেটে হত্যা মহজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শরতের আকাশে কুয়াশার ছোঁয়া, শ্রীপুরে শীতের আগমনী বার্তা শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কিশোরগঞ্জে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া আ লীগ নেতা আবার গ্রেপ্তার নড়াগাতীতে মূলশ্রী যুব সমাজের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা খুলনার দৌলতপুর থানার কাছে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা সাতক্ষীরায় একই বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে

বিতর্কিত আইনে স্বাক্ষর করেননি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

শিরোমণি ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
Spread the love

শিরোমনি ডেস্ক রিপোর্ট: বিতর্কিত আইনে স্বাক্ষর করেননি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ।

উনিশশো ছিয়ানব্বই সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর আওয়ামী লীগ জোটগতভাবে সরকার গঠন করেছিল।

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নির্দলীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হিসাবে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদের নাম প্রস্তাব করে আওয়ামী লীগ।

হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পতনের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সাহাবুদ্দিন আহমেদ।

সেই সময় রাষ্ট্রপতিই ছিলেন সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তবে ৬ই অগাস্ট সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া হয়।

উনিশশো ছিয়ানব্বই সালের জুলাইয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছিলেন সাহাবুদ্দিন আহমেদ। কিন্তু পরবর্তীতে নানা বিষয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা যায়।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর জননিরাপত্তা আইন নামের একটি বিতর্কিত আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সই করতে অস্বীকৃতি জানান।

কারণে তাঁর সাথে তৎকালীন সরকার এবং আওয়ামী লীগের তিক্ততা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীকালে সেই সম্পর্কে আর উন্নতি হয়নি।

সেই সময় জননিরাপত্তা আইন বিল আকারে সংসদে তোলা হয়। সেখানে কোন অভিযুক্তকে জামিন দেয়া যাবেনা সহ আরও কয়েকটি কঠোর বিধান ছিল। ফলে আইনটি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

কিন্তু সংসদে সেটিকে অর্থবিল হিসাবে উপস্থাপন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সামনে স্বাক্ষরের জন্য উপস্থাপন করা হলে রাষ্ট্রপতি কোন মতামত বা অসম্মতি জানাতে পারেন না।

কিন্তু পরে যখন এ নিয়ে সরকারি দল বলতে শুরু করে যে, রাষ্ট্রপতি স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর করেছেন, তখন সাহাবুদ্দিন আহমেদ একটি বিবৃতিতে জানন, অর্থবিল হিসাবে তার সামনে উত্থাপন করায় সাংবিধানিকভাবে এতে স্বাক্ষর না করে তার কোনো উপায় ছিল না।

দুই হাজার ষোল সালে বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেছিলেন যে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে সরকারি প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে চাওয়ায় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের অনেকের বিরাগভাজন হয়েছিলেন তিনি।

“উনি নিজেকে যতদূর সম্ভব সরকারি বাধা-নিষেধের প্রভাব মুক্ত করে কিছু কথা বলেছিলেন, দেশের কল্যাণের জন্য। এই ধরণের কথা তিনি বলেছিলেন এবং কাজ তিনি করেছিলেন,তাতে পরবর্তীকালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কিছুটা রূষ্টই হয়েছিল,” বলেছিলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দূরত্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, একসময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন যে, রাষ্ট্রপতি চাইলে পদত্যাগ করতে পারেন, সেই স্বাধীনতা তার আছে।

দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হেরে যাওয়ার পর দলটির নেতারা সাহাবুদ্দিন আহমদের ওপরেও দায় চাপিয়েছিলেন।

দুই হাজার দুই সালের চৌঠা জানুয়ারি একটি প্রতিবাদ লিপিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ লিখেছিলেন, ‘’আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে জেতানোর মুচলেখা দিয়ে আমি রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করিনি ….তাদের সব কথা শুনলে আমি ফেরেশতা, নইলে আমি শয়তান। … হেরে যাওয়ার পর তারা আমাকে নির্বাচন বাতিল করে রাষ্ট্রপতির অধীনে পুনরায় নির্বাচন করার অনুরোধ করেন। আমি তাতে রাজি হইনি”।

print
Facebook Comments
image_print
Print Friendly, PDF & Email
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি


This will close in 30 seconds

Shares