পরক্রিয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় জীবন দিতে হল কার্তিক চন্দ্র সরকারকে
কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি দৈনিক শিরোমণিঃ
আপডেট :
বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
Spread the love
কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি দৈনিক শিরোমণিঃ খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের নাকসা টু হরিকাটি কেয়ার রাস্তা সংলগ্ন খালের কচুরিপানার মধ্যে থেকে পার্শ্ববর্তী হরিকাটি গ্রামের কার্তিক চন্দ্র সরকারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ সোমবার সকাল আনুমানিক ৭টার সময় স্থানীয় এক যুবক রাস্তার পাশে খালে ভাসমান কচুরিপানার নিচে এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পান, তাৎক্ষণিকই স্থানীয়রা জড় হয়ে পার্শ্ববতী আমাদী পুলিশ ফাঁড়িকে খবর দেন। সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন কয়রা থানা পুলিশ. নিহত কার্তিক চন্দ্র সরকার (৪৩) পার্শ্ববর্তী হরিকাটি গ্রামের রঘুনাথ সরকারের ছেলে। নিহতের শরীরে বিভিন্ন অংশে আঘাত ও ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে এবং স্ত্রীর পরকিয়ার জের ধরেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। ঘটনাস্থলে এলাকাবাসী তথ্য মতে মৃত্যু কার্তিকের স্ত্রী অর্চনা রানী সরকার ও একই এলাকার সুবল মন্ডলের ছেলে রনজিৎ মন্ডলের সহিত দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ সম্পর্ক চলে আসছিল, বাধা দিতে গেলে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকির শিকার হতেন কার্তিক, এমনকি স্ত্রী কর্তৃক বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের শিকার হতো, প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে স্ত্রী ও তার পরকীয়া প্রেমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করবে বলে সিদ্ধান্ত নিতে চাওয়াতে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে বলে মন্তব্য করেন। নিহতের প্রতিবেশী অজিত সরকারের কাছ থেকে জানা যায় প্রায় চার বছর ধরে নিহতের স্ত্রীর সাথে পার্শবর্তী এক ব্যক্তির অনৈতিক সম্পর্ক ছিলো, সে কারনে প্রায় তাদের সংসারে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো, এমনকি কর্তিক কয়রা থানায় এ বিষয়ে একটি জিডিও করেন কিন্তু বেশ কয়েকদিন আগে স্ত্রীর চাপের মুখে পড়ে জিডিটি ওঠিয়ে নেন। আঘাত চিহ্ন, ক্ষতস্থান ও পুলিশের প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট দেখে মৃত ব্যক্তিকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হতে পারে বলে জানান এ.এস.পি (ডি-সার্কেল) মোঃ- সাইফুল ইসলাম। এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সন্দেহজনক ভাবে কারো গ্রেফতার বা মামলা করা করা হয়নি তবে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানান কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রবিউল হোসেন।