1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রংপুর তারাগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৭ বসতঘর মাদারীপুরে ডাকাতির সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার ২ ডাকাত সিপিবি(এম) সভাপতির মেয়ে মোহনার বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান সম্পর্ণ শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন জামপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জাকির হোসেন বাবুকে চায় সাধারণ ভোটাররা নবীনগরে ২ পক্ষের সংঘর্ষ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১ জনের মৃত্যু শিরখাড়ায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে মত বিনিময় সভা অভিভাবকহীন কুয়াকাটা: প্রবেশমুখেই অব্যবস্থাপনার বাসস্ট্যান্ড খামার পর্যায়ে দক্ষতা ও আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ব্র্যাকের খামারি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হরিপুরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

রংপুর তারাগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৭ বসতঘর

মোঃ শফিকুল ইসলাম, তারাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

মোঃ শফিকুল ইসলাম, তারাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি:রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাংলাচড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৭টি কাঁচা বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ঘরে থাকা নগদ টাকা, খাদ্যশস্য, তামাক, আসবাবপত্র, গবাদিপশু ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার নিরঞ্জন রায়ের (৬৪) দুই ছেলে লিটন রায় (৩৮) ও মিলন রায়ের (৩২) পরিবারের মোট ৭টি কাঁচা বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়। লিটন রায় পেশায় কৃষক এবং তার তিনটি ঘর আগুনে ভস্মীভূত হয়। অন্যদিকে পল্লী চিকিৎসক মিলন রায়ের চারটি ঘর আগুনে ধ্বংস হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুনের খবর পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে সাতটি ঘরই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত মিলন রায় জানান, ঘটনার সময় তিনি তার স্ত্রী সরস্বতী রানি (৩২), বড় মেয়ে পূজা রায় (১৪) ও ছোট মেয়ে প্রদন্তি রায়কে (৩) নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ তার ছোট ভাই আগুন আগুন বলে চিৎকার করলে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাইরে বের হয়ে আসেন।বাইরে এসে দেখতে পান একটি পরিত্যক্ত ঘরে আগুন লেগে দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, কয়েক মিনিটের মধ্যেই আগুন আমার দুটি বসতঘর ও একটি গোয়ালঘর গ্রাস করে। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে যায়। গোয়ালঘরে থাকা একটি গরু ও দুটি ছাগল আগুনে দগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। এছাড়া আমার ঘরে থাকা প্রায় ৮ মণ তামাক, ৩০ মণ ধান, নগদ ৩০ হাজার টাকা এবং স্বর্ণালংকার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অপর ক্ষতিগ্রস্ত নিরঞ্জন রায়ের ছোট ছেলে মিলন রায় জানান, ঘটনার রাতে তিনি একজন রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে রাত দেড়টার দিকে বাড়িতে ফেরেন। বাড়ি ফিরে হাত-মুখ ধুয়ে নিজের ঘরে গিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন। হঠাৎ দেখতে পান তার একটি ঘরে আগুন জ্বলছে। তিনি বলেন, আগুন দেখতে পেয়েই চিৎকার শুরু করি। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। আমি প্রথমে স্ত্রী দীপা রানি রায় (২৬) ও বড় ছেলে চিরঞ্জিত রায়কে (৭) ঘর থেকে বের করে আনি। পরে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুই বছরের ছোট মেয়ে মেঘামনি রায়কে উদ্ধার করি। কিন্তু ততক্ষণে আমার তিনটি ঘর এবং বাবা-মায়ের একটি ঘর পুড়ে যায়। তিনি আরও জানান, তার ঘরে থাকা সব আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে গেছে। এমনকি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও আগুনে নষ্ট হয়ে যায়। গোয়ালে থাকা তিনটি গরু আগুনে দগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে, যার মধ্যে একটি গরুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়া দুটি ছাগল আগুনে পুড়ে মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবারটি আরও জানায়, কয়েকদিন পর তাদের বাড়িতে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল। সে উপলক্ষে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ২৪ হাজার টাকা এবং আশা থেকে ৩৪ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণের পুরো টাকাই আগুনে পুড়ে যায়। এছাড়া অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় ৪০ হাজার টাকার বাজারসামগ্রীও আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। একই সঙ্গে ৫ মণ আদার বিচ ও ১২ মণ হলুদও আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী জানান, অগ্নিকাণ্ডে পরিবার দুটি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। পরিবারের সদস্যরা এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি