1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন

সুন্দরবনের জীবিকা হয়ে উঠেছে ঝুঁকিপূর্ণ

দৈনিক শিরোমনি খুলনা জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট : রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬

দৈনিক শিরোমনি খুলনা জেলা প্রতিনিধি:দস্যু আতঙ্ক, প্রাণহানির ভয় ও অনিশ্চিত জীবনের কারণে সুন্দরবনের হাজারো বনজীবী পেশা পরিবর্তনে বাধ্য হচ্ছেন। একসময় এই বনজীবীরাই বনের গভীরে প্রবেশ করে মধু সংগ্রহ, মাছ ধরা, কাঁকড়া ও গোলপাতা আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দস্যুদের উৎপাত, মুক্তিপণ আদায়, অপহরণের ঘটনায় বনের জীবিকা এখন হয়ে উঠেছে মৃত্যুঝুঁকিপূর্ণ। ফলে জীবনের নিরাপত্তা খুঁজে তারা ঝুঁকছে বিকল্প জীবিকার দিকে।

ছোটকাল থেকে সুন্দরবনে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন জেলে রায়হান শেখ কিন্তু বনদস্যু আতঙ্কে এখন আর বনে যান না তিনি। এলাকায় তেমন কর্মসংস্থান ও না থাকায় পরিবার নিয়ে পাড়ি জমিয়েছেন ঢাকা শহরে। মোবাইলে কথা হয় রায়হানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘জীবনের অর্ধেক সময় পার করেছি বনে মাছ ধরে। কিন্তু বনদস্যুর ভয়ে পেশা ছেড়ে ঢাকা শহরে একটি ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকের কাজ করে কোনো মতে দিন পার করছি।’

গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে কয়রা বাসস্ট্যান্ডে ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায় বনজীবী সাফিদুল ইসলামকে। তিনি বলেন, ‘বনদস্যু আতঙ্কে এখন আর সুন্দরবনে মাছ-কাঁকড়া ধরতে যেতে পারি না।

তাদের মুক্তিপণ দিয়ে যে টাকা ইনকাম হয় তাতে সংসার চালানো খুব কষ্ট সার্ধ হয়ে পড়ছে। এলাকায় তেমন কোনো কাজ কর্ম না থাকায় বাধ্য হয়ে নাড়াইলে দিন মজুরি হিসাবে ধান কাটার কাজে যাচ্ছি।’আরেক বনজীবী আব্দুল জলিল (ছদ্মনাম) বলেন, ‘বনে গেলে জানি না বেঁচে ফিরব কি না। দস্যুরা বন্দুক ঠেকিয়ে টাকা চায়, না দিলে বেদম মারে, অপহরণ করে। একবার মুক্তিপণ দিতে হয়েছে, এরপর আর বনে যায় না। এখন ইট ভাটায় কাজ করি।’

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি