1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ১০:৫৩ অপরাহ্ন

৮৮ হাজার বনভূমি দখলদার উচ্ছেদে অভিযান

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০

৮৮ হাজার বনভূমি দখলদার উচ্ছেদে অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিভিন্ন শ্রেণীর সাড়ে ৪৬ লাখ একরের মতো বনভূমি রয়েছে দেশে। বন অধিদফতরের তথ্য বলছে, এর মধ্যে ২ লাখ ৮৭ হাজার একরের বেশি বনভূমি অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে, যার ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬১৩ একরই সংরক্ষিত। ৮৮ হাজারের বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দখলে থাকা সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধারে উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় দখলদারদের উচ্ছেদে প্রাথমিকভাবে নোটিস দেবে।
বন অধিদফতর জানিয়েছে, দেশে বিভিন্ন শ্রেণীর মোট বনভূমির পরিমাণ ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার ৭০০ একর। এর মধ্যে বেদখল রয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫২ একর বনভূমি, যার ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬১৩ একরই সংরক্ষিত। সংরক্ষিত বনভূমি ৮৮ হাজার ২১৫ দখলদার ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দখলে রয়েছে। ১৪০ প্রতিষ্ঠান মিলেই ৮০০ একর সংরক্ষিত ভূমি দখল করে রেখেছে।
রোববার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, মো. রেজাউল করিম বাবলু, খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন ও শাহীন চাকলাদার বৈঠকে অংশ নেন।
সংসদীয় কমিটি আগামী ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে সংরক্ষিত বনভূমি দখলদার সবার তালিকা প্রস্তুত করে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে উচ্ছেদের নোটিস দিতে বলেছে। এছাড়া সংরক্ষিত বনভূমির বাইরে যেসব বনের জমি দখলে রয়েছে তার তালিকা আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে দিতে মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।
বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বনভূমি দখলদারের কাছ থেকে উদ্ধারের জন্য জেলা প্রশাসকরা চিঠি দেন। কমিটি মন্ত্রণালয়কে বলেছে, আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দখলদারদের চিঠি দিতে হবে। এ নোটিস দেয়ার সাতদিনের মধ্যে দখলদার সরে না গেলে উচ্ছেদ করা হবে। তিনি জানান, সংসদীয় কমিটি এ নোটিস পাঠানোর আগে বিভাগীয় কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালাতে বলা হয়েছে।
সাবের হোসেন বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য জমি উদ্ধার। এই যে সংরক্ষিত বন দখল করে রাখা হয়েছে, এটা গেজেটভুক্ত। এখানে দখলদার আদালতে গিয়েও কিছু করতে পারবে না। বিভিন্ন ক্যাটাগরির বনের জমি দখল হয়ে আছে। আগে সংরক্ষিত বনের জমি উদ্ধারে মন্ত্রণালয়কে হাত দিতে বলা হয়েছে। এটা শুরু হলে অন্য দখলদাররা সতর্ক হয়ে যাবে।
এদিকে সংসদীয় কমিটি জবরদখল হওয়া জমি উদ্ধারে আগের কার্যক্রমও খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। দখলদারদের নোটিস দেয়া হয়েছে কিনা, দিয়ে থাকলে সেগুলোর তালিকা আর না দিয়ে থাকলে তার কারণ জানতে চেয়েছে।
সংসদীয় কমিটির এক সদস্য জানান, বেদখল হয়ে যাওয়া সংরক্ষিত বনের জমি উদ্ধার নিয়ে মন্ত্রণালয় খুব একটা উদ্যোগী ছিল না। সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তারা এ ব্যাপারে কিছুটা হলেও স্বীকার করেছে। এখন সংসদীয় কমিটির তাগাদায় মন্ত্রণালয় মাঠে নামতে যাচ্ছে।
সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিপুল পরিমাণ বনভূমি জবরদখলের কারণ সম্পর্কে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিএস রেকর্ড মূলে রেকর্ডভুক্ত বনভূমি পরবর্তী সময়ে এসএ/আরএস/বিএস জরিপে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়েছে। এছাড়া এক নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত বনভূমি (সংরক্ষিত বনভূমি ছাড়া অন্যান্য, যেমন রক্ষিত, অর্পিত বনভূমি) জেলা প্রশাসন কর্তৃক অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে।
এছাড়া বনভূমির মধ্য দিয়ে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ, বিশেষ করে সড়ক নির্মাণের ফলে এর দুপাশে বনভূমি জবরদখলের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। স্থানীয় জনগণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক বনভূমি দখল করে কৃষিকাজ, স্থায়ী স্থাপনা, বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, হাটবাজার, স্কুল, প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। অনেক জবরদখল করা বনভূমিতে শিল্প-কারখানা স্থাপন করা হয়েছে।
অবৈধ দখল করা বনভূমি বন্ধক দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে থাকে, তবে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারস্থ হতে বলেছে সংসদীয় কমিটি। বিষয়টি নিয়ে কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন বলেন, যারা বনের জমি নিজেদের দেখিয়ে ঋণ নিয়েছে তারা জালিয়াতি করেই নিয়েছে। আমরা মন্ত্রণালয়কে বলেছি এ রকম ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করতে হবে। প্রয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের সহায়তা নিতে হবে।

Facebook Comments
২ views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি