1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার বসবে পদ্মাসেতুর ৩৯তম স্প্যান

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০

পদ্মাসেতুতে ৪২টি পিলারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান। আর ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে ৩৮টি স্প্যান। এখন ৩৯ তম স্প্যান ‘টু-ডি’ বসানোর জন্য সম্ভাব্য একটি তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে শুক্রবার (২৭ নভেম্বর)।

আবহাওয়াসহ সবকিছু অনুকূলে থাকলে ওইদিন বসানো হতে পারে এ স্প্যানটি। এজন্য প্রস্তুত আছে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের ১০ ও ১১ নম্বর পিলার। যাতে দৃশ্যমান হবে সেতুর ৫ হাজার ৮৫০ মিটার। ৩৮তম স্প্যান বসানোর ৬ দিনের মাথায় এ স্প্যানটি বসানোর কার্যক্রম শুরু করেছেন দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীরা। সফলভাবে যা স্থাপন হলে ৬১৫০ মিটার সেতুতে দৃশ্যমান বাকি থাকবে ২টি স্প্যানে ৩০০ মিটার।

শুক্রবার সকালে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্প্যানটিকে বহন করে নিয়ে যাবে ৩ হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান-ই’ ভাসমান ক্রেন। এরপর বসানো হবে মূল নদীতে থাকা দুই পিলারের ওপর। এমন পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেছে বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) পদ্মাসেতুর প্রকৌশলী সূত্র।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রকৌশলী জানান, ৩৯তম স্প্যানটি বসানোর জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সবকিছু অনুকূলে থাকলে একদিনের মধ্যেই স্প্যান বসিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। স্প্যানটিকে নির্ধারিত পিলারের কাছে নিয়ে আসা, মূল নদীতে ভাসমান ক্রেনের নোঙর, এরপর পিলারের উচ্চতায় স্প্যানটিকে তোলা ও বেয়ারিং এর ওপর রাখার ধাপগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করা গেলেই কার্যক্রম শেষ হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে সকাল ৯টায় কাজ শুরু হয়ে দুপুর ২টার মধ্যেই দৃশ্যমান হবে।

তবে, প্রাকৃতিক কারণ বাধা হয়ে দাঁড়ালে একদিন বেশি সময় লাগতে পারে। অনেকদিন আগেই ‘টু-ডি’ স্প্যানটিকে ইয়ার্ডে প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। বর্তমানে ১০, ১১, ১২ ও ১৩ নম্বর এ চারটি পিলারে তিনটি স্প্যান বসানো বাকি। ৩৯তম স্প্যান ১০ ও ১১ নম্বরে বসানো হয়ে গেলে বাকি থাকবে দুইটি স্প্যান। এছাড়া এ মাসে টার্গেট অনুযায়ী চারটি স্প্যান বসানোর টার্গেট আছে।

চলতি বছরের বিজয় দিবসের আগেই মাওয়া প্রান্তে ৪১তম স্প্যানটি বসার কথা রয়েছে। ২ ডিসেম্বর ১১ ও ১২ নম্বর পিলারে ৪০তম স্প্যান (স্প্যান ২-ই) বসানোর পরিকল্পনা আছে প্রকৌশলীদের।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পদ্মাসেতু নির্মাণে প্রয়োজন হবে ২ হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাব। এর মধ্যে বসানো হয় এক হাজার ২৩৯টির বেশি রোডওয়ে স্ল্যাব। এছাড়া ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে। এরমধ্যে বসানো হয় এক হাজার ৮৪৮টির বেশি রেল স্ল্যাব। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের বসানো স্প্যানগুলোতে এসব স্ল্যাব বসানো হচ্ছে। কয়েকদিন আগে মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে তিনটি স্প্যানের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

Facebook Comments
৫ views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি