1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন

নড়াইল নড়াগাতিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

তরিকুল ইসলাম, নড়াগাতি থানা প্রতিনিধি
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

তরিকুল ইসলাম,নড়াগাতি থানা প্রতিনিধি:নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার ৭৫নং পাখীমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসমা খানমের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি, সরকারি পানির টাংকি সহকারী শিক্ষক এর বাসায় । মূল ফটকে নিম্ন মানের তালা। অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের শুরুতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের তিনটি সিরিস গাছ বিক্রি করা হয়। পরে ওয়াশ ব্লক নির্মাণস্থল থেকে আরও পাঁচটি মেহগনি গাছ বিক্রির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, এসব গাছ বিক্রির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের লিখিত অনুমোদন বা যথাযথ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। এছাড়া বিদ্যালয়ের একটি ব্যবহারযোগ্য পানির ট্যাংকিও সহকারী শিক্ষক শিল্পী সরকারের কাছে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
গত ১৩ মে বুধবার সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের অর্থ লোপাট ও অনিয়ম নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল। সম্প্রতি অর্থ বণ্টন ও হিসাব নিয়ে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ তৈরি হলে বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আসে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পূর্ণ বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। দরিদ্র পরিবারের অভিভাবকদের কাছ থেকেও টাকা নেওয়ায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের জাতীয় পতাকা মঞ্চের পাশে একটি বেদী নির্মাণে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত টাকা ভাউচারে দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি স্লিপের টাকার ব্যয় হিসাবেও ব্যাপক গরমিল রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম শুধু শিক্ষার পরিবেশকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বরং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আসমা খানম বলেন,
“গাছ বিক্রির টাকায় বিদ্যালয়ের জন্য ফ্যান কেনা হয়েছে। তবে স্লিপের হিসাবেও ফ্যানের টাকা এসেছে।”
তবে এ সংক্রান্ত কোনো রেজুলেশন বা অনুমোদনের কাগজপত্র তিনি দেখাতে পারেননি।
পানির ট্যাংকির বিষয়ে তিনি বলেন,
“চুরির আশঙ্কায় সেটি সহকারী শিক্ষকের কাছে রাখা হয়েছে এবং দ্রুত বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা হবে।”
তবে ভর্তি ফি আদায়, স্লিপের টাকার গরমিল ও সংস্কার কাজের অনিয়মের অভিযোগ তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) অহিদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশিক্ষণে আছেন বলে ফোন কেটে দেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন,
“এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। আগামী রোববার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি