১৫ সেপ্টেম্বর তফসিল; নভেম্বর থেকে ধাপে ধাপে ইউপি নির্বাচন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পথে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর তফসিল ঘোষণা করে নভেম্বর থেকে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করছে কমিশন। ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সবশেষ নির্বাচনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পাঠানো চিঠি পাওয়ার পর ভোটের প্রস্তুতিও জোরদার করেছে ইসি। তবে সীমানা জটিলতা ও মামলা রয়েছে- এমন ইউনিয়নগুলোকে আপাতত নির্বাচনের বাইরে রাখার কথা জানিয়েছে কমিশন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যারা অংশ নিতে পারবেন না : স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপি এবং খেলাপি ঋণের জামিনদাররা প্রার্থী হতে পারবেন না বলে জানিয়েছে ইসি। এ ছাড়া বাকি সব প্রার্থীরা আগের নিয়মে অংশ নিতে পারবে। ইসি সূত্র জানায়, সম্প্রতি কমিশন সভায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সংক্রান্ত আইন সংশোধনের বিভিন্ন প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয়। নির্বাচন কমিশন আগামী নভেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো চূড়ান্ত করেছে।
বর্তমানে দেশে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৩৩০টি পৌরসভা, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং ৬১টি জেলা পরিষদ রয়েছে। ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং আরেক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সব কাউন্সিলরকে অপসারণ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে অন্তবর্তী সরকার। এ ছাড়া ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদও হয়ে পড়েছে জনপ্রতিনিধিহীন। ফলে দুই বছর ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছাড়াই চলছে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।