1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন

ঝিনাইদহের মহেশপুরে ছাত্রদল নেতা সোহাগ সাড়ে ৬ বছর ধরে গুম!

শিরোমণি ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্র ও ছাত্রদল নেতা ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর গ্রামের এএসএম সাইদ সোহাগ গুম হওয়ার সাড়ে ৬ বছরেও ফিরে আসেনি। ছাত্রদল করার কারণে তাকে হত্যার পর গুম করা হয়েছে বলে পরিবারের আশংকা।এদিকে মা মনোয়ারা বেগম ছেলের শোকে মুহ্যমান। গোটা পরিবারে আহাজারি। ছেলের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে পিতা মসিউর রহমানও বেঁচে নেই। ছেলের শোকে তিনি ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই মারা যান।সোহাগের বড় ভাই শামিম সরোয়ার ভুটার জানান, তার ভাই চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজে পড়ালেখা শেষ করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিজিটি কোর্সে অধ্যয়নরত ছিলেন। তিনি ওই হাসপাতালের ছাত্রাবাসের ১০৫ নং রুমে থাকতেন।তিনি আরো জানান, ২০১৯ সালের ২৩ জুন রাতে তার পিতার (পিতা তখন জীবিত) কাছে ফোন আসে সোহাগ গুরুতর অসুস্থ। পিতার ফোন রিসিভ করে অস্বাভাবিক ভাবে কথা বলেন সোহাগ। এরপর থেকে নিখোঁজ হয় সোহাগ। স্বজনরা বরিশাল শহরের বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও সন্ধান পায়নি সোহাগের।সোহাগের চাচাতো ভাই আশরাফুল ইসলাম লিংকন জানান, সোহাগকে না পেয়ে পরিবারের বড় ভাই শামিম সরোয়ার ভুটার ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন, যার জিডি নং ১৩১০। জিডি করার প্রায় ৬ বছর ৭ মাস চলে গেছে, তারপরও কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি চিকিৎসক ভাই সোহাগের।পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, সে সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সাহাবুদ্দিন জানিয়েছিলেন সোহাগকে উদ্ধারের জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করেছে পুলিশ, কিন্তু তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি রুমে থাকায় অবস্থান সনাক্ত করা যায়নি।পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, সোহাগ চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের ডিবি পুলিশ ২০১৫ সালে তুলে নিয়ে যায় এবং ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। ছাত্রলীগের দায়ের করা মামলায় ছাত্রদল নেতা সোহাগ আসামীও ছিলেন। তাছাড়া সোহাগ চট্রগ্রাম ও বরিশাল প্রশাসনের নজরদারীর পাশাপাশি আ’লীগের টার্গেটে পরিণত হয়। এসব কারণে চিকিৎসক সোহাগকে গুম করা হতে পারে বলে তার ভাই শামিম সরোয়ার ভুটার মনে করেন।  বিষয়টি নিয়ে মহেশপুর থানার ওসি (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান সাজু বুধবার জানান, ছাত্রদল নেতা সোহাগের নিখোঁজের বিষয়টি সম্পর্কে মহেশপুর থানা পুলিশ অবগত নয়। বিষয়টি অনেক আগের হওয়ায় তিনি খোঁজ খবর নিয়ে জানাতে পারবেন বলেও জানান।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি