1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

সংকটে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

শিরোমণি ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট : সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চরম  জনবল সংকটে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কাগজ-কলমে ৫০ শয্যা হলেও এখনো চলছে ৩১ শয্যার আদলে। ৩ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবায় মাত্র দুজন মেডিকেল অফিসার ও ইউনিয়নভিত্তিক পাঁচজন উপসহকারী মেডিকেল অফিসার। চিকিৎসকসহ নানা সংকটের কারণে রোগীদের অভিযোগের পাহাড় মাথায় নিয়ে চলছে আশাশুনির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।সরেজমিন দেখা গেছে, আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ২০১৫ সালে খাতা কলমে ৫০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হয়। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে তা আর হয়ে ওঠেনি। এখনো চলছে ৩১ শয্যার আদলে। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নিতীশ কুমার গোলদার, মেডিকেল অফিসার ডা. প্রসুন মণ্ডল, ডা. এস এম নাঈম হোসেন নয়ন ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ডা. আমিনুল ইসলাম কর্মস্থলে আছেন।ডেন্টাল সার্জন ডা. ইমরান হোসেন গত ৪ ডিসেম্বর থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ট্রেনিংয়ে গেছেন। মঞ্জুরিকৃত জুনিয়র কনসালটেন্ট সার্জারি, মেডিসিন, এনেসথেসিয়া, গাইনি, শিশু, অর্থোপেডিক, চর্ম ও যৌন, চক্ষু, ইএনটি, কার্ডিওলজি, টি.বি বিভাগের চিকিৎসকের পদ প্রায় ২ থেকে ৫ বছর ধরে খালি পড়ে আছে।সিনিয়র স্টাফ নার্স ২৫ জনের স্থলে আছেন ২৩ জন, ২ জন প্রেষণে অন্যত্র কর্মরত। মিডওয়াইফ নার্স ৪ জনের স্থলে ৩ জন কর্মরত আছেন। ২০২২ সাল থেকে অপারেশন থিয়েটার বন্ধ, ২০২৩ সাল থেকে টেকনেশিয়ানের অভাবে এক্সরে ও আল্ট্রাসনোগ্রাম বন্ধ।তৃতীয় শ্রেণির মঞ্জুরিকৃত প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষকের পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক তিনটি পদের বিপরীতে আছেন দুজন। এর মধ্যে একজন প্রেষণে টি.বি ক্লিনিকে। চিকিৎসা সহকারী (উপজেলা) দুটি পদের কেউ নেই। চিকিৎসা সহকারী (ইউনিয়ন) ১১টি পদের বিপরীতে ছয়জন কর্মরত আছেন, পাঁচটি পদ অননুমোদিত শূন্য। ফার্মাসিস্টে মঞ্জুরিকৃত পদ দুটি, আছেন একজন তিনিও আবার প্রেষণে অন্যত্র কর্মরত, ফলে কার্যত জনবল শূন্য।মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ল্যাব) দুটি পদের বিপরীতে আছেন একজন, ডেন্টাল বিভাগের টেকনেশিয়ানের পদটি শূন্য। স্যানিটারি ও ইপিআই টেকনিশিয়ান আছেন কিন্তু রেডিও টেকনিশিয়ান নেই। স্বাস্থ্য পরিদর্শক ৪টি পদের বিপরীতে আছেন তিনজন, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ১১টি পদের বিপরীতে আছেন আটজন, তিনটি পদ শূন্য। স্বাস্থ্য সহকারী ৫৪টি পদের বিপরীতে আছেন ৪৯ জন, পাঁচটি পদ শূন্য।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি