Home শিক্ষা গাইবান্ধায় শিশু সোলাইমানকে বাঁচাতে পরিবারের আঁকুতি

গাইবান্ধায় শিশু সোলাইমানকে বাঁচাতে পরিবারের আঁকুতি

21
0
SHARE

 

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ-মোঃ হোসাইন আজাদ

দরিদ্র রিকশা চালকের ঘরে জন্ম হয় শিশু সোলাইমান মিয়ার। সবেমাত্র বয়স ৫ বছর তার। তবে দেড় বছর আগে ব্রেইনটিউমারে আক্রান্ত হয় সে। এ থেকে চিকিৎসা করেও সুস্থ হয়নি সোলাইমান। তাকে সুস্থ করে তুলতে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। এজন্য মোটা অংকের টাকার দরকার। তাই শিশু সোলাইমানকে বাঁচাতে দেশের দানশীল মানুষদের কাছে আঁকুতি জানিয়েছেন তার বাবা সোহেল মিয়া ও মা মেরিনা বেগম।

জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার জামালপুর গ্রামের দরিদ্র রিকশা চালক সোহেল মিয়ার স্ত্রী জন্ম দেয় জমজ দুই সন্তান। এর মধ্যে একজন ছেলে ও আরেকজন মেয়ে। প্রায় ৫ বছর আগে জন্ম নেওয়া এই শিশুদের মধ্যে সুরাইয়া খাতুন শারীরিক সুস্থ্য থাকলেও, সাড়ে ৩ বছর বয়সে ব্রেইনটিউমারে আক্রান্ত হয়ে পড়ে ছেলে সোলাইমান। দীর্ঘদিনের চিকিৎসা বাবদ কয়েক লাখ টাকা ব্যয় করেছেন সোহেল মিয়া। নিত্যদিনের অভাব-অনটনের সংসারে ছেলের ব্যয়বহুলচিকিৎসায় সঞ্চয় যা ছিল তা ইতোমধ্যেই শেষ হয়। এক চিলতে ভিটেমাটি আর শেষ সম্বল ওই রিকশাটি ছাড়া পরিবারটির সঞ্চয় বলতে আর কিছুই নেই। এর উপর করোনার চলমান ক্রান্তিকালে রিকশা চালাতে না পেয়ে পরিবারটির দু’বেলা দুমুঠো অন্নের সংস্থান যেখানে নেই সেখানে আদরের সন্তান সোলাইমানের চিকিৎসা দুরূহ হয়ে পড়েছে।

ছোট্ট শিশু সোলাইমান গত আড়াই মাস ধরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. তোফায়েল এবং ডা. রাজকুমারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থাভাবে তার অপারেশন না করতে পারায় ক্রমান্বয়ে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। কিন্তু কোনোভাবেই উক্ত টাকা সংগ্রহের কোন পথ নেই।

অসহায় পরিবারটি জরুরি অপারেশন করতে নিরুপায় হয়ে অর্থ সহায়তা চেয়ে সমাজের দানশীল ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানে মানবিক সহায়তা কামনা করেছেন।

সাহায্য পাঠাইবার ঠিকানা: মো: সোলাইমান আলী, প্রযত্নে পিতা: মো :সোহেল মিয়া, বিকাশ ০১৩১৪১৭৫০১৮।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here