Home লাইফ স্টাইল রমজানে মুখের দুর্গন্ধ এড়াতে করণীয়

রমজানে মুখের দুর্গন্ধ এড়াতে করণীয়

96
0
SHARE
যাদের নিঃশ্বাস সজীব নয়, মুখে দুর্গন্ধ একমাএ তারাই জানেন এর সমস্যা সমূহ। এ সমস্যায় কর্মস্হল,বাসা,আড্ডাতে কোথাও মন খুলে পাশাপাশি বসে কথা বলা যায়না, সংকোচ বোধ হয় কিনবা বিব্রতকর পরিস্হিতিতে পড়তে হয় সবসময়ই । আর রমজানে মাসে এ সমস্যাটা আরো ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু করণীয় কি? এ বিষয়ে আমরা জানতে চেয়েছিলাম আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সৌন্দর্য বিষয়ক গবেষক ও লেখক কসমিটোলজিস্ট মোঃ এ.কে.এস অনিমিথ এর কাছে। তিনি জানান- রমজানে অতি পরিচিত সমস্যা হলো নিঃশ্বাসে সজীবতা না আসা। অনেকে মনে করে উত্তমরূপে ব্রাশ করবার পরেও কেন নিঃশ্বাস সজীব নয়! মূলত অনেক কারণেই এ সমস্যাটা হতে পারে,তারমধ্যে যাদের দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়ে,খাদ্য কণা আটকে থাকা,নিয়মিত ও সঠিক পদ্ধতিতে ব্রাশ না করা,জিহ্ববা পরিষ্কার না করা,মাড়ির ক্ষত, দাঁতে ইনফেকশন ইত্যাদি সমস্যার কারণে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। তবে মুখে দুর্গন্ধের কারণ হিসাবে প্রধানত তিন ভাগে আমরা ভাগ করতে পারি যেমন - ডেন্টাল প্লাক, কেলকুলাস, জিনজিভাইটিস।সচেতন হলেই রমজান মাস সহ সবসময়ই নিঃশ্বাস সজীব রাখা সম্ভব। দাঁতে সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞ দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং রাতে খাবার পর ও সেহেরী খাবার পর প্রথমে ডেন্টাল ফ্লসিং করে ব্রাশ করতে হবে ৩ মিনিট ধরে, এরপর জিভছোলা দিয়ে ভাল করে জিহ্বাটা পরিষ্কার করে মাউথওয়াশ দিয়ে অন্তত ৩০ সেকেন্ড ধরে কুলিকুচি করতে হবে। তাহলে মুখের দুর্গন্ধ হবেনা। বেশিরভাগ মানুষই রাতে ব্রাশ করেনা এবং সেহেরী খাবার পূর্বে ব্রাশ করে খাবার খান,খাবারের পর আর ব্রাশ করেন না,ফলে খাদ্যকণা পচে মুখে দুর্গন্ধ  সৃষ্টি করে, পূর্বে আলোচিত নিয়মে চললে এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাযে মেসওয়াক করে নামায আদায় করলে দিনভর নিঃশ্বাস সজীব থাকবে। সব সঠিক নিয়মে করার পরও যদি মুখে দুর্গন্ধ না যায় তবে স্কেলিং করতে হবে এবং খাবারের তালিকায় ভিটামিট সি রাখতে হবে। ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন,তবে রমজানে দিনের বেলাতে পেস্ট ব্যবহার করা উচিত নয়।সবকিছুর ঠিক রাখার পরেও যদি নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হয় তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ দন্ত চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন। কেননা পাকস্হলী, ডায়বেটিকস, কিডনী,লিভার ইত্যাদি সমস্যার জন্যও মুখে দুর্গন্ধ হয়ে থাকে । সুতরাং মুখের দুর্গন্ধকে কখনোই হালকাভাবে না দেখে দ্রুত ব্যবস্হা নিন।

যাদের নিঃশ্বাস সজীব নয়, মুখে দুর্গন্ধ একমাএ তারাই জানেন এর সমস্যা সমূহ। এ সমস্যায় কর্মস্হল,বাসা,আড্ডাতে কোথাও মন খুলে পাশাপাশি বসে কথা বলা যায়না, সংকোচ বোধ হয় কিনবা বিব্রতকর পরিস্হিতিতে পড়তে হয় সবসময়ই । আর রমজানে মাসে এ সমস্যাটা আরো ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু করণীয় কি? এ বিষয়ে আমরা জানতে চেয়েছিলাম আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সৌন্দর্য বিষয়ক গবেষক ও লেখক কসমিটোলজিস্ট মোঃ এ.কে.এস অনিমিথ এর কাছে।

 

তিনি জানান- রমজানে অতি পরিচিত সমস্যা হলো নিঃশ্বাসে সজীবতা না আসা। অনেকে মনে করে উত্তমরূপে ব্রাশ করবার পরেও কেন নিঃশ্বাস সজীব নয়! মূলত অনেক কারণেই এ সমস্যাটা হতে পারে,তারমধ্যে যাদের দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়ে,খাদ্য কণা আটকে থাকা,নিয়মিত ও সঠিক পদ্ধতিতে ব্রাশ না করা,জিহ্ববা পরিষ্কার না করা,মাড়ির ক্ষত, দাঁতে ইনফেকশন ইত্যাদি সমস্যার কারণে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়।

 

তবে মুখে দুর্গন্ধের কারণ হিসাবে প্রধানত তিন ভাগে আমরা ভাগ করতে পারি যেমন – ডেন্টাল প্লাক, কেলকুলাস, জিনজিভাইটিস।সচেতন হলেই রমজান মাস সহ সবসময়ই নিঃশ্বাস সজীব রাখা সম্ভব।

দাঁতে সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞ দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং রাতে খাবার পর ও সেহেরী খাবার পর প্রথমে ডেন্টাল ফ্লসিং করে ব্রাশ করতে হবে ৩ মিনিট ধরে, এরপর জিভছোলা দিয়ে ভাল করে জিহ্বাটা পরিষ্কার করে মাউথওয়াশ দিয়ে অন্তত ৩০ সেকেন্ড ধরে কুলিকুচি করতে হবে। তাহলে মুখের দুর্গন্ধ হবেনা। বেশিরভাগ মানুষই রাতে ব্রাশ করেনা এবং সেহেরী খাবার পূর্বে ব্রাশ করে খাবার খান,খাবারের পর আর ব্রাশ করেন না,ফলে খাদ্যকণা পচে মুখে দুর্গন্ধ  সৃষ্টি করে, পূর্বে আলোচিত নিয়মে চললে এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাযে মেসওয়াক করে নামায আদায় করলে দিনভর নিঃশ্বাস সজীব থাকবে।

সব সঠিক নিয়মে করার পরও যদি মুখে দুর্গন্ধ না যায় তবে স্কেলিং করতে হবে এবং খাবারের তালিকায় ভিটামিট সি রাখতে হবে। ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন,তবে রমজানে দিনের বেলাতে পেস্ট ব্যবহার করা উচিত নয়।সবকিছুর ঠিক রাখার পরেও যদি নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হয় তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ দন্ত চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন। কেননা পাকস্হলী, ডায়বেটিকস, কিডনী,লিভার ইত্যাদি সমস্যার জন্যও মুখে দুর্গন্ধ হয়ে থাকে । সুতরাং মুখের দুর্গন্ধকে কখনোই হালকাভাবে না দেখে দ্রুত ব্যবস্হা নিন।

যাদের নিঃশ্বাস সজীব নয়, মুখে দুর্গন্ধ একমাএ তারাই জানেন এর সমস্যা সমূহ। এ সমস্যায় কর্মস্হল,বাসা,আড্ডাতে কোথাও মন খুলে পাশাপাশি বসে কথা বলা যায়না, সংকোচ বোধ হয় কিনবা বিব্রতকর পরিস্হিতিতে পড়তে হয় সবসময়ই । আর রমজানে মাসে এ সমস্যাটা আরো ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু করণীয় কি? এ বিষয়ে আমরা জানতে চেয়েছিলাম আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সৌন্দর্য বিষয়ক গবেষক ও লেখক কসমিটোলজিস্ট মোঃ এ.কে.এস অনিমিথ এর কাছে।   তিনি জানান- রমজানে অতি পরিচিত সমস্যা হলো নিঃশ্বাসে সজীবতা না আসা। অনেকে মনে করে উত্তমরূপে ব্রাশ করবার পরেও কেন নিঃশ্বাস সজীব নয়! মূলত অনেক কারণেই এ সমস্যাটা হতে পারে,তারমধ্যে যাদের দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়ে,খাদ্য কণা আটকে থাকা,নিয়মিত ও সঠিক পদ্ধতিতে ব্রাশ না করা,জিহ্ববা পরিষ্কার না করা,মাড়ির ক্ষত, দাঁতে ইনফেকশন ইত্যাদি সমস্যার কারণে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়।  তবে মুখে দুর্গন্ধের কারণ হিসাবে প্রধানত তিন ভাগে আমরা ভাগ করতে পারি যেমন - ডেন্টাল প্লাক, কেলকুলাস, জিনজিভাইটিস।সচেতন হলেই রমজান মাস সহ সবসময়ই নিঃশ্বাস সজীব রাখা সম্ভব।  দাঁতে সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞ দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং রাতে খাবার পর ও সেহেরী খাবার পর প্রথমে ডেন্টাল ফ্লসিং করে ব্রাশ করতে হবে ৩ মিনিট ধরে, এরপর জিভছোলা দিয়ে ভাল করে জিহ্বাটা পরিষ্কার করে মাউথওয়াশ দিয়ে অন্তত ৩০ সেকেন্ড ধরে কুলিকুচি করতে হবে। তাহলে মুখের দুর্গন্ধ হবেনা। বেশিরভাগ মানুষই রাতে ব্রাশ করেনা এবং সেহেরী খাবার পূর্বে ব্রাশ করে খাবার খান,খাবারের পর আর ব্রাশ করেন না,ফলে খাদ্যকণা পচে মুখে দুর্গন্ধ  সৃষ্টি করে, পূর্বে আলোচিত নিয়মে চললে এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাযে মেসওয়াক করে নামায আদায় করলে দিনভর নিঃশ্বাস সজীব থাকবে।  সব সঠিক নিয়মে করার পরও যদি মুখে দুর্গন্ধ না যায় তবে স্কেলিং করতে হবে এবং খাবারের তালিকায় ভিটামিট সি রাখতে হবে। ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন,তবে রমজানে দিনের বেলাতে পেস্ট ব্যবহার করা উচিত নয়।সবকিছুর ঠিক রাখার পরেও যদি নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হয় তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ দন্ত চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন। কেননা পাকস্হলী, ডায়বেটিকস, কিডনী,লিভার ইত্যাদি সমস্যার জন্যও মুখে দুর্গন্ধ হয়ে থাকে । সুতরাং মুখের দুর্গন্ধকে কখনোই হালকাভাবে না দেখে দ্রুত ব্যবস্হা নিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here