1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ

মাদারীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের রুম ভাংচুর

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩০ মে, ২০২২

 

মোঃসিদ্দিক খান (বিশেষ প্রতিনিধি,মাদারীপুর)ঃ

মাদারীপুর সরকারি কলেজ মাদারীপুর তথা দক্ষিণ বঙ্গের একটি সনামধন্য কলেজ। কলেজটি ১৯৪৮ সালে তৎকালীন পাক শাসক খাজা নাজিমুদ্দিনের নামে নামকরণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। সম্প্রতি মাদারীপুর সরকারি কলেজ নামকরণ হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ জামান মিয়া। ৩০ মে,২০২২ খ্রীঃ তারিখ সকালবেলা তাঁহার কক্ষ কিছু ছাত্রলীগ কর্মী ভাংচুর করেছে শোনা যায়। খরব পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ সহ সংবাদকর্মীরা।

ঘটনাস্থল থেকে জানা যায়,কিছু ছাত্র রাগ করে অধ্যক্ষ মহোদয়ের একটি টি-টেবিল ভেঙে ফেলেছে। শিক্ষার্থীরা কিছু দাবি নিয়ে অধ্যক্ষের রুমে গেলে তিনি তাহাদের উপরে একটু উষ্ণ মেজাজ দেখান।এক পর্যায়ে একটি চায়ের টেবিল ভাংচুর করে শিক্ষার্থীরা। তবে কে বা কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে সে বিষয়ে সাধারণ কনো শিক্ষার্থী মুখ খুলেনি।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ জামান মিয়া জানান,কলেজ ছাত্রলীগের কিছু ছেলে আমার রুমে ভাংচুর চালায়।

এ ব্যাপারে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃমিজান জানান,আমি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটির খবর পেয়ে কিছুক্ষণ হলো ক্যাম্পাসে এসেছি। প্রফেসর জামান মিয়া স্যার আমাদের অবিভাবক। তাঁহার উপরে কোনো প্রকার অন্যায় হলে মাদারীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ তাঁর পাশে থাকবে। যে বা যাহারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাহাদের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃফরিদ মিয়া জানায়,স্যার কি কারণে আমাকে দোষী করছেন, আমি জানিনা। তবে তাঁর রুম ভাংচুর করা রীতিমতো তাহাকেই অপমান করা। আমি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। তবে স্যারেরও কিছু ভুল রয়েগেছে,বেশকিছুদিন হয়েছে তিনি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ নিয়েছেন।কিন্তু এখনো সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলতে পারেননি। বিভিন্ন সময়ে তিনি তাঁহার কিছু মনগড়া সিদ্ধান্ত শিক্ষাথীদের উপরে চাপিয়ে দিয়েছেন।তিনি আসার পরে বেশ কিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে শিক্ষর্থীদের উপরে টাকার বোঝা চাপিয়ে দেন। আমরা সম্প্রতি কিছু শিক্ষার্থীদের ৪৫০ টাকারও বেশি আবেদন করে কমিয়ে দিয়েছি,তবে তিনি টাকাগুলো শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেননি। আপনারা সবাই জানেন,দেশটা একটি সংকট মূহুর্ত পার করছে। এমন পরিস্থিতিতে নামে-বেনামে এতো খরচ বহন করতে শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আরও একটি দুঃখজনক ব্যাপার হলো,অত্র কলেজে প্রায় ৭০ জন শিক্ষক থাকলেও মাত্র ৩০ জনের মতো উপস্থিত হন।তাঁহারা বাসায় বসেই ভোগ করেন বেতনের টাকা।এসব বিষয় নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ দেবার জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের রুমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে,তারা ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে আমাকেও সাথে নেন। এ ব্যাপারগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তিনি আমাদের উপরে উষ্ণ মেজাজ দেখানোর চেষ্টা করেন। আমি পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে বলে,সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্যারের রুম ত্যাগ করি। কিছুক্ষণ পরে একজন আমাকে জানায় স্যারের রুমে নাকি ভাংচুর হয়েছে।সাথে সাথে আমি আবার ক্যাম্পাসে আসি। তবে এ ব্যাপারে আমার বা আমার সংগঠনের কাহারো কোনো সম্পৃক্ততা নেই।আমরাও চাই এর সুষ্ঠু তদন্ত হোক।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি