Home জেলার খবর শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ও অবিশ্বস্ত সঙ্গীরা

শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ও অবিশ্বস্ত সঙ্গীরা

1021
112
SHARE

23243_b2বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুটিকয়েক বিশ্বস্ত স্বজন, পারিবারিক বন্ধু এবং দীর্ঘ পরীক্ষিত অনুরক্ত উপদেষ্টাদের ওপর নির্ভর করেন। ২০০৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মার্কিন দূতাবাস থেকে ওয়াশিংটনে পাঠানো রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টির তারবার্তায় এ কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসে ফাঁস করা মার্কিন গোপন তারবার্তায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।
ওই তারবার্তায় বলা হয়েছে, বিদেশে বসবাসরত বোন শেখ রেহানা ও ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত লোকদের মধ্যে অন্যতম। হাসিনা অবশ্য দীর্ঘদিনের দলীয় সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এবং প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের ওপরও নির্ভর করেন এবং তাঁদের পরামর্শ নেন।
তারবার্তায় বলা হয়েছে, হাসিনা তাঁর রাজনৈতিক পরিবর্তনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং দলে একটি নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব গড়ে তুলতেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজকে বাছাই করেছেন। তবে যা-ই হোক না কেন, চূড়ান্তভাবে হাসিনা তাঁর সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়ে ঘনিষ্ঠ পারিবারিক সম্পর্কের লোকদের ওপর আস্থা রাখেন।
ওই মার্কিন তারবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণে পারিবারিক সদস্য ও গুটিকয়েক বিশ্বস্ত উপদেষ্টা-নেতাদের প্রাধান্য এবং অবিশ্বস্ত নেতাদের রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করে রাখার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

মূলে পারিবারিক সম্পর্ক
মার্কিন তারবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, লন্ডনে বসবাসরত ছোট বোন শেখ রেহানা এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে বসবাসরত ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ওপর হাসিনা নির্ভর ও বিশ্বাস করেন। আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতার মতে, হাসিনা সম্ভবত বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ-সম্পর্কিত বিষয়ে রেহানার ওপরই বেশি নির্ভর করেন। কারণ, তাঁর ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করতে করতে ‘বাংলাদেশের চেয়ে আমেরিকাকেই ভালো বোঝেন।’
অতীতে রাজনৈতিক মনোনয়নে হাসিনা তাঁর বোন রেহানার পরামর্শ চেয়েছেন এবং তা গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন। হাসিনার রাজনৈতিক বিষয়ে পরামর্শ দেন রেহানা ও জয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে হাসিনার কারাবাসের সময় তাঁর মতামত সরকারের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁরাই ছিলেন বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী।
রেহানা অনেক উচ্চপর্যায়ের দলীয় সভায় অংশ নিয়েছেন এবং হাসিনার প্রচারে সহায়তা করতে তিনি বাংলাদেশ ভ্রমণ করেছেন। জয় এখনো রাজনৈতিক জীবন শুরু করেননি, তা সত্ত্বেও তিনি বেসরকারি খাতে আওয়ামী লীগের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে কাজ করছেন।
আনুগত্য, পারিবারিক সম্পর্ক ও সামরিক দক্ষতার কারণে হাসিনা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকীকে বিশ্বাস করেন এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখেন। সিদ্দিকীর ভাই শেখ রেহানাকে বিয়ে করেছেন। তাঁর (তারিক) সঙ্গে হাসিনা পরিবারের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। সিদ্দিকী মন্ত্রী পর্যায়ের উপদেষ্টা। তিনি সামরিক ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো প্রভাবিত করেন। সিদ্দিকী হাসিনার সাবেক নিরাপত্তাপ্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। হাসিনা সম্প্রতি তাঁকে একটি জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠায় গবেষণার দায়িত্ব দিয়েছেন।

বিশ্বস্ত পরামর্শক
সৈয়দ আশরাফ: মার্কিন তারবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, হাসিনা মনে করেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আওয়ামী লীগের একজন বিশ্বস্ত সদস্য। তিনি তাঁকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে শেখ হাসিনার কারাবাসের সময় আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিভক্ত আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখার পুরস্কার হিসেবে তাঁকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আশরাফ ছিলেন সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের সঙ্গে প্রধান মধ্যস্থতাকারী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সমঝোতার ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৭৫ সালের নভেম্বরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিহত চার নেতার মধ্যে অন্যতম ছিলেন আশরাফের বাবা। তিনি অনেক বছর যুক্তরাজ্যে কাটিয়েছেন। সেখানে তিনি শেখ রেহানার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। আশরাফ আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মধ্যে একজন; যাঁকে হাসিনার মন্ত্রিসভায় বাছাই করা হয়েছে এবং যিনি তাঁর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের সভায় অহরহ অংশ নেন। আশরাফ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি দলের মুখপাত্র হিসেবেও কাজ করেছেন এবং ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

মতিয়া চৌধুরী: বিশ্বস্ততা, স্বচ্ছতা ও শক্ত হাতে দায়িত্ব পালনের জন্য মতিয়া চৌধুরীকে কৃষিমন্ত্রী নির্বাচন করেছেন হাসিনা। বাংলাদেশের কৃষি খাত সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং কৃষিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনিই একমাত্র আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, যাঁকে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশ্বস্ত পরামর্শক হিসেবেই এটা তিনি পেয়েছেন। মুসলিম দেশের একজন নারী হিসেবে মতিয়া চৌধুরী অহরহ হাসিনার কাছে যেতে পারেন, যেটা তাঁর পুরুষ সহকর্মীদের পক্ষে সম্ভব নয়। বিডিআর বিদ্রোহের সময় পরিবারগুলোকে নিরাপদে বের করে আনার জন্য বিদ্রোহীদের সঙ্গে সমঝোতা করতে মতিয়া চৌধুরীর ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন হাসিনা। কৃষি মন্ত্রণালয় ও নারী বিষয়ে পরামর্শের জন্য হাসিনা সম্ভবত মতিয়ার ওপর নির্ভর করেন।

এইচ টি ইমাম: হাসিনা তাঁর বিশ্বস্ত উপদেষ্টা এইচ টি ইমামকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী স্টিয়ারিং কমিটির সহসভাপতির দায়িত্ব দিলে তিনি আলোচনায় আসেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলের প্রস্তুতিতে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতামূলক অবদানের পুরস্কার হিসেবে সম্প্রতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। হাসিনার বিশ্বস্ততা অর্জনের মূলে রয়েছে আওয়ামী লীগের প্রতি ইমামের পারিবারিক আনুগত্য। জরুরি অবস্থার সময় সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন ইমামের ছেলের বন্ধু ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক গোলাম মোহাম্মদ। ইমামের ভাগনে ইউএসএআইডির কর্মকর্তা। হাসিনা সম্প্রতি ইমামকে বাংলাদেশের জ্বালানি সমস্যা নিরসনে একটি বিশেষ সেলের প্রধান এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিয়েছেন। একজন মার্কিন সেনা কর্মকর্তার মতে, সাবেক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা ইমাম সরকারি পদে মনোনয়নের বিষয়ে হাসিনাকে পরামর্শ দেন। ইমামের দুর্নীতির কালিমা রয়েছে।

জিল্লুর রহমান: দলের প্রতি জিল্লুর রহমানের দীর্ঘদিনের অবদান এবং শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তাঁকে প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দেন হাসিনা। তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন। ২০০৭ সালের জুলাই মাসে হাসিনা গ্রেপ্তার হওয়ার পর জিল্লুর রহমান বিশ্বস্ততার সঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর স্ত্রী আইভী রহমান ছিলেন মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী এবং আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা। ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হাসিনাকে লক্ষ্য করে চালানো গ্রেনেড হামলায় তিনি নিহত হন। জিল্লুর রহমানের সঙ্গে হাসিনার ঘনিষ্ঠ পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে এবং তাঁর স্ত্রীর আত্মীয়কে (নেফিউ) রেহানাকে বিয়ে করেছেন।

গওহর রিজভী: হাসিনা ও রেহানার দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত লোক গওহর রিজভী। তিনি জয়েরও পরামর্শক। রিজভী হার্ভার্ডের কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্টের (কেএসজি) আশ ইনস্টিটিউটের প্রধান ছিলেন। জয়কে এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানোর ক্ষেত্রে তিনি প্রধান ভূমিকা পালন করেন। ২০০৭ সালের শীতে তত্কালীন সেনাপ্রধান মঈন উ আহমেদকে হার্ভার্ডের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তৃতা দেওয়ার আয়োজন করেন গওহর। ওই সফরের সময় হাসিনার মুক্তির বিষয়ে জয়ের সঙ্গে সাক্ষাতে আলোচনা করেন মঈন। সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালে ২০০৮ সালের গ্রীষ্মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা গোলাম কাদের ও হোসেন জিল্লুর রহমান ওয়াশিংটনে হাসিনা ও রেহানার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। সেখানেও রিজভী উপস্থিত ছিলেন। তিনি হাসিনাকে নিরাপত্তা এবং বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন। ভারতে ফোর্ড ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি হিসেবে রিজভী অতীতে কাজ করেছেন এবং ভারতের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে।

আওয়ামী লীগের উদীয়মান তারকা
দীপু মনি: আওয়ামী লীগের উদীয়মান নেতা দীপু মনি প্রথমবারের মতো মন্ত্রী এবং প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আনুগত্য, যোগ্যতা ও তারুণ্যের কারণে তাঁকে ওই পদে পছন্দ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগকে সংস্কারের জন্য হাসিনার যে প্রতিশ্রুতি, তাঁকে নির্বাচন তারই প্রমাণ। দীপু মনি আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন এক সদস্যের মেয়ে বলে তাঁর পরিচিতি আছে। দীপু মনি সম্পর্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূত তাঁর মন্তব্যে উল্লেখ করেছেন, ‘পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকায় হাসিনা তাঁর ওপর নির্ভর করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর এ দায়িত্ব নতুন হলেও কাজের ক্ষেত্রে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।’

সোহেল তাজ: ৩৯ বছর বয়সী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ। তিনি হাসিনার ‘দিন বদলের’ প্রচারণার প্রতিনিধিত্ব করেন। তা সত্ত্বেও হাসিনার পরিবারের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাজ হাসিনার ছেলে জয়েরও ঘনিষ্ঠ। তাজের প্রয়াত বাবা তাজউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৭৫ সালে কারাগারে নিহত আওয়ামী লীগের চার নেতার অন্যতম ছিলেন তিনি। তাজের মা জোহরা তাজউদ্দীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। কিছু সংখ্যক সরকারি কর্মকর্তা উপস্থিত থাকেন, হাসিনার এমন অনেক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও তাজ উপস্থিত থাকেন। যদিও সরকারি কাজে তাজের অভিজ্ঞতা কম। তা সত্ত্বেও দলের নেতা হওয়ার জন্য তাঁর মেধা আছে। এসব বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৈনন্দিন বিষয় দেখভালে হাসিনা তাঁর ওপর নির্ভর করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে খুব একটা জ্ঞাত নন, তাই মন্ত্রণালয়ে তাঁর উপস্থিতি ব্যাপক হবে।

অবজ্ঞাপূর্ণ ও অবিশ্বস্ত
হাসিনার সাম্প্রতিক কারাবাসের সময় দলের যেসব নেতা ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য তাঁর প্রতি অবিশ্বস্ত ছিলেন, তাঁদেরকে তিনি দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। হাসিনা যখন কারাগারে ছিলেন, জ্যেষ্ঠ আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু, আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত দলের নিয়ন্ত্রণ নিতে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন এবং দলের নেতা হিসেবে হাসিনাকে সরিয়ে দিতে জোর চেষ্টা চালিয়েছিলেন। তাঁরা দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে থাকলেও হাসিনার জন্য রাজনৈতিক হুমকি নন।
হাসিনা তাঁর সাবেক রাজনৈতিক সচিব সাবের হোসেন চৌধুরী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান নূরকে নিষ্ক্রিয় করে রেখেছেন। এই উভয় জ্যেষ্ঠ নেতা একসময় হাসিনার খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। কিন্তু জরুরি অবস্থার সময় তাঁরা সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এতে মনে হয়, তাঁরা হাসিনার থেকে বিচ্ছিন্ন এবং পার্লামেন্টে তাঁদের আসন দেওয়া হয়েছে বিরোধী দলের সদস্যদের পাশে।
তারবার্তার সার্বিক বিষয় নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত তাঁর মন্তব্যে বলেছেন, হাসিনার উপদেষ্টা ও পরামর্শক নির্বাচনে প্রতীয়মান হয়, অভিজ্ঞতার চেয়ে ব্যক্তিগত আনুগত্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন গঠিত সরকার যেহেতু এর প্রাথমিক বাধা মোকাবিলা করছে, তাই হাসিনার লক্ষ্য অনুধাবনে এই কর্মকর্তাদের জন্য তাঁর প্রতি আনুগত্যই যথেষ্ট হবে না। নতুন মন্ত্রী এবং উপদেষ্টারা যেহেতু শিখছেন, তাই কাঠামো নির্মাণে সরকারের দরকার যথার্থ সিদ্ধান্ত। হাসিনা বিপুল ভোটে জয়ী হলেও পাঁচ বছর পরের নির্বাচনে আবারও তাঁর জয়ী হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে সরকারের কাজের ওপর।

112 COMMENTS

  1. Defіnitely believe that which you stated. Your favorite
    justification apрeared to bbе on tһе internet the simрlest thing to be aware of.
    I say to you, I certаinly get annoyed while ρeople think about worries that they just do not know about.
    You manageɗ to hit tһe nail սpon the top andd also defined out
    the whole thing without having side-effects , ρeople can take a
    signal. Will probably bee back to get more. Thanks https://web-wiki.win/index.php/Apa_Sebabnya_Harga_Beton_Ready_Mix_K_350_Yakni_Kawan_Bakal_Bisnis_Kamu

  2. Good Ԁaay I am so glad I found your blog paɡe, I realkly found you by mistake,
    ԝһile I was гesearching on Bing for something else, Nߋnetheless I am hete now
    аnd would just like to say kudos for a incredible post and a all round enteгtaining blog (I also love thе theme/design), I don’t havе timе to
    read it aⅼl at the moment but I havе book-marked it and also added
    yoᥙr RSS feeds, sso wheen I hawve time Iwill be back to read muc more, Please ddo keep
    up the excellent b. https://remote-wiki.win/index.php/Pengertian_Mimpi_Anak_Wanita

  3. Greetіngs Ι am so xcited I foun your blog page, I rеally found you by erгor, wjile I was researching on Google for somеthing else, Anyһοw I am һere now and wߋuld just like
    to say many thanks for a tremendous post and a all roսnd
    thrilling blоg (I also love thhe theme/design), I don’t haᴠe time to reead it all at the minute buut I have book-marked it and also included yoսr RSS
    feeds, so when I have time I ᴡilpl be back to read
    a great deal more, Ꮲlease do keep up thе fantastic worк. http://viper.anarchygaming.uk/index.php?action=profile;area=forumprofile;u=545325

  4. Ԝoah! I’m really enjoying the template/theme of this blog.It’s
    simple, yet effective. A lot of times it’s challenging tօ get that “perfect balance” between usability and vidual
    appeal. I musxt sаy that you’ve done a amaᴢing job with this.
    In addіtion, the blog looɑds very fast for me on Safari.
    Excellent Blog! https://fast-wiki.win/index.php/Carter_Mobil_Di_Kuta_Bali_Rental_Sewa_Kendaraan_Mobil_Bali_Murah_24_Jam

  5. Hey tһere just wanteɗ too give you a quiϲk
    һeads uρ. The text іn your post seem to bе running off the screen in Ie.
    I’m noot sure iff this is a format issue or something to dο with internet browser compatibiⅼity
    but I figᥙrеd I’d post to let you know. The design look great though!

    Hope you get tthe problem fixed soon. Many thanks https://www.first-bookmarkings.win/sewa-mobil-di-bali-lepas-kunci

  6. Ηello there, I foսnd your website by the use of Google at the same time aas looкingg foг a similar subject, your website got here up, it looқs good.

    I’ve bookmarked іt in my google bߋokmarks.
    Hello there, simply became alrt to your weblog throᥙgh Google, and locatеd that it iis truly
    informative. I am gonna be careful for brussels. I will be ցrateful
    if you happen to proceed tһis in future. A lot of other peoplle
    wilⅼ probably be benefiteԁ out off your writing.
    Cheers! https://www.istevitrin.com/user/profile/58093

  7. Ꮤhat i do nott realize is if truth be told how you’re now
    not really much more ᴡell-appreciated than yyou may be righjt now.
    Уouu are so intelligent. You recogniᴢe thus considerɑbly on the subject of this topic, produced me indiѵidually believe it from so msny various angles.
    Its like men and women are not involved until it is one
    thing to do with Woman gaga! Youг individual stuffѕ excellent.
    Alwayѕ maintain it up! https://Wiki-Saloon.win/index.php/Penjelasan_Dan_Manfaat_Management_Trainee_Program

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here