1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. tamimshovon@gmail.com : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. sheikhmihadbabu@gmail.com : cmlbru :
  4. mintuchattagram@gmail.com : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. rakibw305@gmail.com : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. shahidur068@gmail.com : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. kmsiddik07@gmail.com : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. shamratjhenaidah@gmail.com : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. md.alamgir.nuhalalg00@gmail.com : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. mdruhel66@gmail.com : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. fajlurrahaman024@gmail.com : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. rubelusa1@gmail.com : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে মামলা মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মেহেরপুরে মানববন্ধন জামপুর তালতলা বাজারে জাকির হোসেন বাবুর গণসংযোগ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল খুলনায় সন্ধানী ক্লিনিকে গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুর,দুজন গ্রেপ্তার অবহেলা আর সংকটে হারিয়ে যাচ্ছে সম্ভাবনা, অস্তিত্ব রক্ষায় গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের উন্নয়নে কাজ করবে জেলা বিএনপি: পহরডাঙ্গা ইউপি নির্বাচন: ঐক্যবদ্ধ ৫ প্রার্থী, একক প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা নবীনগরে পুকুরে ডুবে যমজ দুই ভাইয়ের মৃত্যু নারী ফুটবলের উচ্ছ্বাসে মুখরিত গোপালপুর

শরীয়তপুরে তিন প্রতিবন্ধীর মানবেতর জীবনযাপন।

মোহাম্মদ বাতেন, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক শিরোমণিঃ
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১
Spread the love

মোহাম্মদ বাতেন, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক শিরোমণিঃ

শরীয়তপুরে ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নাজিম পুর গ্রামের একটি হতদরিদ্র পরিবারের ৪ জন সদস্যদের ৩ জনই প্রতিবন্ধী।চিকিৎসা এবং অর্থকষ্টে দিন কাটছে তাদের। এর মধ্যে মা রোকেয়া বেগম (৫০) শুধু ভালো রয়েছেন, তবে তার তিন সন্তান মোঃ আলম চৌকদার (২৮), মোঃ জহির ইসলাম চৌকদার (২৫), এবং এক মেয়ে তানজিলা (২৩) প্রতিবন্ধী হয়ে ঘরেই দিন কাটাচ্ছে বলে জানা এবং দেখা গেছে।সরেজমিনে গিয়ে আরও জানা গেছে, পরিবারে প্রতিবন্ধী ৩ সন্তান কে দেখার জন্য শুধু তাদের মা রয়েছেন, বাবাও প্রতিবন্ধী অবস্থায়ই মারা গেছেন। এমনকি হতদরিদ্র পরিবারটির ঘরে তাদের বাবার বাবা অর্থাৎ তাদের দাদাও এই প্রতিবন্ধী হয়ে মারা গেছে বলে জানান মা রোকেয়া বেগম।তবে প্রশ্ন রয়ে যায় এখানে প্রতিবন্ধী হয়ে মারা যায় বিষয় টি আসলে কী!প্রতিবন্ধী তিন সন্তানের জননী রোকেয়া বেগম কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আমার যখন বিয়ে হয় তখন ওদের বাবা ভালো ছিলেন, পরে আস্তে আস্তে তার শরীর অন্য রকম হতে থাকে। অর্থাৎ শরীর শুকিয়ে চিকন হয়ে যায় এবং কথা বলতে সমস্যা হয়ে যায়। এমনকি হাটা চলা শেষে বন্ধ হয়ে যায়, এবং এক সময় মারা যায়।তিনি আরও জানান,আমার শশুরও এ রোগে মারা যান, আমার বড় ছেলেও এভাবেই মারা যায়। আমি বুঝতে পারি না আমার সন্তান গুলো পর্যন্ত বড় হয়ে আস্তে আস্তে শরীর হাত পা অন্য রকম হয়ে এবং এক সময় হাঁটাচলা বন্ধ হয়ে সেই সাথে কথা বলা পর্যন্ত সমস্যা হয়ে একসময় মারা যাচ্ছে।আমার এক মেয়ে তানজিলা আক্তার (২৩) সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলো ভালো ছিলো বিয়ের আগে, সমাজের দশজনে দেখে শুনে নিলো পাশের বাড়ির রুবেল গাজীর সাথে বিয়ে দিলাম, সন্তান হয়েছে। এখন আমার ভালো মেয়েটা আস্তে আস্তে প্রতিবন্ধী হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থা দেখে আমার মেয়েটাকে রেখে অন্য যায়গায় বিয়ে করে এখন আর আমার মেয়ের কোন খোঁজ খবর নেয় না মেয়ের জামাই।কথাগুলো বলার সময় দুচোখ দিয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে পানি পড়তে ছিলো দুঃখী মায়ের। দুই বছর হয় বড় ছেলে আলামিন (৩০) দীর্ঘ ১০ বছর প্রতিবন্ধী জীবন কাটিয়ে এ রোগেই মারা যায় বলে জানান মা রোকেয়া বেগম। বর্তমানে এখন আমার মেজো ছেলে মোঃ আলম (২৮) বিদেশ ঘুরেও এসেছে এবং ভালো ছিলো এখন ৮ বছর যাবৎ প্রতিবন্ধী হয়ে ঘরে বন্ধী হয়ে আছে এবং মোঃ জহির ইসলাম চৌকদার (২৫) ৪ বছর যাবৎ একি অবস্থা হয়ে ঘরে বন্ধী হয়ে আছে।স্থানীয় লোকজন এবং এলাকাবাসী জানান, ওদের দাদা, ওদের বাবা, এবং ওদের এক ভাই এরকম হয়েই মারা গেছে। কেন এ রকম হয়ে যায় আমরা বুঝতে পারি না। ওরা আমাদের মতো এক সময় সুস্থ স্বাভাবিক ছিলো, কিন্তু আস্তে আস্তে ওরা এরকম হয়ে গেছে। এখন কথাও ঠিকমতো বলতে পারে না এবং হাটতেও পারে না। ওদের শুধু ওর মা ছাড়া আর কেউ দেখার নেই।তবে তাদের পরিবার টি কিভাবে চলছে বিষয় টি জানতে চাইলে তারা বলেন, সামান্য কিছু টাকা ভাতা পায় আর এলাকাবাসী মাঝে মধ্যে কিছু দেয় তা দিয়েই কোন রকম চলছে।তবে খুব কষ্টে কাটছে তাদের জীবন। না আছে ভালো একটা থাকার ঘর, না আছে তাদের সংসারে উপার্জনকারী কেউ। তাই আমরা চাই সরকারীভাবে তাদের জন্য একটা ঘর এবং তাদের আর্থিক কোন সহযোগিতা করলে হয়তো একটু ভালো থাকতে পারবে।প্রতিবন্ধী তিন সন্তানের জননী রোকেয়া বেগম বলেন,আমার এই তিন সন্তান নিয়ে আমি খুব কস্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি, সংসারে কামাই করার মতো কেউ নেই। তাই যদি সরকার আমার সন্তানদের দিকে তাকিয়ে আমাকে একটা থাকার ঘর এবং আর্থিক সহযোগিতা করতো তাহলে হয়তো এতো কষ্ট করতে হতো না।এদিকে পরিবারটির বিষয়ে শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুয়েল আহমেদ মোল্লা বলেন, যদি প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদানের পাশাপাশি সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগে এই প্রতিবন্ধীদেরকে আর্থিক সহায়তা করা হয় তাহলে হয়ত অসহায় প্রতিবন্ধীদের বেঁচে থাকাটা সহজ হবে। এজন্য মানবিক কারণে হলেও সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি শরীয়তপুর জেলার প্রবাসী ও বিত্তবানদেরকেও এ অসহায় পরিবারকে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করা বড়ই প্রয়োজন।এ বিষয়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলার সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তা তাপস বিশ্বাস বলেন, ভেদরগঞ্জ আমি নতুন জয়েন করেছি। তাই বিষয়টি আমার জানা নেই।এ বিষয়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর আল নাসিফ বলেন, ছয়গাঁও ইউনিয়নের একই পরিবারের তিনজন প্রতিবন্ধী বিষয়টি আমার জানা ছিলো না, আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। এই পরিবারের বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে তাদের জন্য সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দেয়ার চেষ্টা করবো।

image_print
[jp_post_view]

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি