1

স্ত্রীর গর্ভে ৮ মাসের মেয়ে শিশু, নির্যাতনের পর তালাক দিল পাষন্ড স্বামী

যেন মধ্য যুগের বর্বরতাকেও হার মানায়। গর্ভে মেয়ে শিশু জেনে স্ত্রীকে বার বার নির্যাতন করে পাষান স্বামী আলা উদ্দীন রিপন। গর্ভপাত ঘটিয়ে শিশুটিকে হত্যা করতে চাপ দেয়।  কিন্তু মায়ের মন বলে কথা। শিশুটিকে আলোর পথ দেখাতে মা বদ্ধপরিকর।

অবশেষে চরম নির্যাতনের পর স্ত্রী কে তালাক দেয় বর্বর স্বামী।

ঘটনা সূত্রে জানা যায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ৬নং বাংগাখাঁ ইউনিয়নে ৭ নং ওয়ার্ড জাগিদার বাড়ির শাহাবুদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিনের সাথে  হাজির পাড়া ইউনিয়নের চর মোহম্মদ পুর গ্রামের গোফরান মিয়ার মেয়ে শাহনাজ আক্তার স্বপ্নার ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই একের পর এক যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে রিপন। সাথে চলে অমানুষিক নির্যাতন।

এক পর্যায়ে গর্ভবতী হয় স্বপ্না। গর্ভের পাঁচ মাসের সময়ে আল্ট্রাস্নো করে জানতে পারে গর্ভের শিশু মেয়ে। শিশুটিকে নষ্ট করেতে বার বার চাপ দেয় রিপন। রাজি না হওয়ায় অমানুষিক নির্যাতন করে ৯ সেপ্টেম্বর  মৌখিক ভাবে তালাক দেয় স্ত্রী স্বপ্নাকে।

স্বপ্না বাবার বাড়ি চলে যেতে চাইলে রিপন শরনাপন্ন হয় স্থানীয় মেম্বার মিজানুর রহমান মিলুর।

মিলুর পরামর্শে আটদিন ঘরে আটকে রেখে রিপন ও তার পরিবার স্বপ্নাকে আবারো নির্যাতন করে। অবশেষে প্রতিবেশীরা বিষয়টি জানতে পেরে ১৭ সেপ্টেম্বর উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করে। ( যাহার রেজি নং ৫৬৭৩/১০)

এ ঘটনায় নির্যাতিত গৃহবধু শাহনাজ আক্তার স্বপ্না বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করে।

মামলাটি আমলে নিয়ে মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুর রহমান এস আই মোঃ মহসিনকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

এলাকা বাসির দাবী বর্বর আলাউদ্দিন রিপনের উপযুক্ত বিচার করতে হবে।