1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সুপারের বরখাস্ত প্রত্যাহারেও দায়িত্ব ছাড়ছে না ভারপ্রাপ্ত সুপার গোপালপুর উপজেলা পরিষদ স্কুলে ফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ কিশোরগঞ্জে আলুর কেজি ৭ টাকা : বিপাকে কৃষক লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিসে অগ্নিসংযোগ, আসামি গ্রেপ্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসানের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন কাজ শেষ হয়। কোটালীপাড়া থেকে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেফতার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ এ সিএসপি’র শিশুদের মাঝে এইচসিআই ও সুশীলনের শীতবস্ত্র বিতরণ দুর্গম যমুনা চরের শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্যাকেট, কম্বল ও চাদর বিতরণ গোপালপুরে ট্যালেন্টহান্ট স্কলারশীপ প্রোগ্রাম–২০২৫ অনুষ্ঠিত গোপালপুরে ৪শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

সুপারের বরখাস্ত প্রত্যাহারেও দায়িত্ব ছাড়ছে না ভারপ্রাপ্ত সুপার

মো: সাইদুর রহমান, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট : শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬

মোঃ সাঈদুর রহমান,ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগে অনিয়ম, জালিয়াতি, তথ্য গোপন, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনিক জটিলতা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ–মামলার জেরে চরম অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সাঈদুর সুপারকে সাময়িক বরখাস্ত পরবর্তীতে বরখাস্ত প্রত্যাহার হলেও ভারপ্রাপ্ত সুপার আমিনুল দায়িত্ব ছাড়ছে না। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে মাদ্রাসার সকল শিক্ষক ও কর্মচারীদের ওপর। টানা ছয় মাস ধরে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ‌।

অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে এডহক কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ, ভুয়া সনদ ব্যবহার, পদবী ও চাকরির বয়স সংশোধনে অনিয়ম এবং প্রশাসনের একাধিক দপ্তরের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এর পরিত্রাণে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারী ও স্থানীয় সচেতন মহল।

অভিযোগ রয়েছে সুপার সাঈদুরের বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারীদের সমস্যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে মাদ্রাসায় তালা দিয়ে মানববন্ধন ও মব সৃষ্টি করে। পাশাপাশি চাকরির বয়স শেষ হওয়া সত্ত্বেও কর্মচারী মজিবরের আইডি সংশোধনে স্থগিত বেতন চালু রাখা, সফিয়ার রহমানের পদ সংশোধনসহ বেশ কিছু বিষয়ে কাগজে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়। এছাড়া সুপারের বিরুদ্ধে ভাগ্নে খালেদুজ্জামানকে এসিও পদে নিয়োগ ও মাদ্রাসার নামে দানকৃত জমি ভোগদখল।

এই অভিযোগগুলো তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আমজাদ হোসেন, সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম এবং অত্র মাদ্রাসার সহ-মৌলভী আমিনুল ইসলাম, সফিয়ার ও মজিবরের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুয়া নিবন্ধনে মাদ্রাসার খুরশিদ নুর আলম কাজল (০৫১০৭৬৯৬/০৫) সহকারী শিক্ষক (গণিত) ও রতনা পারভীর (৭২০৪৭৭৬/০৭) সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) বিরুদ্ধে এনটিআরসিএর ভুয়া সনদের মাধ্যমে চাকরি গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে, যা ২০২৫ সালে সনদ যাচাই করে। মোস্তাফিজার সহ-মৌলভীর অন্যের নিবন্ধনের (৩১৪১২৯৯৪) মাধ্যমে নিয়োগ নিয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে রতনা, কাজল ও মোস্তাফিজুর জানায় তারা ২০০৪ সালে নিয়োগ নিয়েছে কিন্তু যে সনদের কথা বলা হয়েছে তা তাদের না।

সুপার সাঈদুর রহমান অভিযোগ করেন, বেশ কিছু অভিযোগ বিষয়ে তিনি সভাপতি ও ইউএনও গোলাম ফেরদৌসকে লিখিতভাবে জবাব দাখিল করিলেও কমিটির মেয়াদ থাকাবস্থায় ব্যবস্থা না নিয়ে মেয়াদ শেষে তিনি শিক্ষাবোর্ড বা অধিদপ্তরের চিঠি/আদেশ ছাড়া আমার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন ও সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণিত বলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য সুপারিশ করে। অভিযুক্ত সফিয়ার, মজিবর, আমিনুল, রতনা, ও কাজল বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। সমস্যা সমাধানে ইউএনওর নিকট গেলে উল্টো তার বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ তোলে। পরবর্তীতে সফিয়ারের ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতার হলে ইউএনও সভাপতি হিসাবে না থাকলেও ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে আমাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে এবং সহ-মৌলভী আমিনুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ গেজেট, বোর্ডের পরিপত্র ও ২০২৫ সালের গেজেট অনুযায়ী ম্যানেজিং কমিটি বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষই এ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ইউএনও মাদ্রাসা বোর্ডের নথি নং–১৪৪ (তারিখ ৪ জুন ২০২৪) অনুযায়ী ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ছয় মাসের এডহক কমিটির সভাপতি ছিলেন। অত্র মাদ্রাসার কাজল, চর বারুইটারী মাদ্রাসার আব্দুল করিম ও চর ভূরুঙ্গামারী হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সদরুল আলম বাবুকে ফ্যাসিস্ট মামলায় গ্রেফতার হলেও ইউএনও সভাপতি থাকাকালে কাউকে বরখাস্ত বা বেতন স্থগিত করেননি, যা বৈষম্যমূলক আচরণের উদাহরণ।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ২০০২ সালে এডহক কমিটির সিদ্ধান্তে সহ-সুপার, শরীরচর্চা শিক্ষক, কৃষি শিক্ষক ও অফিস সহকারী (সিটি) পদে একাধিকবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আগস্ট ২০০২ সালের পরীক্ষায় সহ-সুপার পদে আমিনুল ইসলাম নিয়োগ পেলেও তিনি পরে সহ-মৌলভী হিসেবে এমপিওভুক্ত হন (ইনডেক্স–৬৯২৩৩১) তার কাগজপত্রে জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।

অফিস সহকারী (সিটি) পদে সফিয়ার রহমান নিয়োগে এমপিওভুক্ত হন (ইনডেক্স–৬৯২৩৩২)। অভিযোগ রয়েছে লিখিত পরীক্ষায় ৫০ নম্বরের মধ্যে তিনি ২ নম্বর পেলেও তা পরিবর্তন করে কমিটির মাধ্যমে ২১ দেখানো হয় এবং অকৃতকার্য প্রার্থীদের ভাইভা নেওয়া হয়, যা নিয়োগ বিধি বহির্ভূত। নিয়োগ বিষয়ে অভিযোগ উঠেলে নথিমতে পরবর্তীতে তিনি ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ তারিখে সিটি পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ তারিখে ইবতেদায়ী জুনিয়র শিক্ষক পদে যোগদান করেন। সফিয়ার রহমান দাবি করেন নিয়োগের সময় টাকা দেননি এছাড়া তিনি অব্যাহতি দেননি বা ইবিজেটি পদে নিয়োগ নেননি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সফিয়ার বিতর্কিত পদে চাকরি করায় তৎকালীন ইউএনও গোলাম ফেরদৌস আমিনুল (সহ মৌলভী), সফিয়ার (ইবিজেটি) ও খালেদুজ্জামান (এসিও) কে এক রেজুলেশনে এমপিও সিটের পদবী অনুযায়ী বেতন দিতে বললেও সফিয়ার বেতন উত্তোলন না করে আদালতে সুপার সাইদুরের বিরুদ্ধে পদবী সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা করে যা চলমান। কিন্তু তার ইবিজেটি পদের বেতন উত্তোলনের জন্য আদালতে পুনরায় মামলা করে রায় নিয়ে ইবিজেটি পদে বেতন‌ তুললেও অফিস সহকারী পদ ফেরত চান।

সহ-মৌলভী আমিনুল ইসলাম ২৩ বছর ধরে সহ-সুপার ও সহ-মৌলভী—দুটি পদে বিতর্কিতভাবে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার পদবী সংশোধনের জন্য ম্যানেজিং কমিটি একাধিকবার জানালেও তিনি সংশোধন করেননি। ফলে ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে তার বেতন বন্ধ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি পুনরায় বেতন উত্তোলন করছেন। তার কারণে সহকারী মৌলভী পদে ২০১৪ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত তৈয়বুর এখনও বেতন পাচ্ছেন না।

মজিবর ২০০১ সালে অষ্টম শ্রেণি পাসের প্রশংসাপত্রের মাধ্যমে চতুর্থ শ্রেণির পদে নিয়োগ পান। প্রশংসাপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ৩ নভেম্বর ১৯৬২ হওয়ায় ২ নভেম্বর ২০২২ সালে তার চাকরির বয়স শেষ হয়। কিন্তু এমপিওভুক্তির সময় ভুলক্রমে জন্ম তারিখ ১ মার্চ ১৯৬৯ লেখা হয়। এমপিও সিট অনুযায়ী আইডি সংশোধনের জন্য সুপার সাঈদুরকে বিভিন্ন মহল থেকে চাপ দেয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সুপার বরখাস্ত হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত সুপার আমিনুল কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া একক সিদ্ধান্তে বয়স সংশোধনের প্রত্যয়ন দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, মজিবরের বিরুদ্ধে আদলতে মামলা চলমান থাকলেও কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসার আলমগীর অনৈতিক অর্থের বিনিময়ে ২০২৫ সালের জুনে তার বয়স ৭ বছর কমিয়ে নিয়ে আদালতের আদেশ ছাড়াই প্রায় ৩ বছরের স্থগিত বেতন ভারপ্রাপ্ত সুপারের মাধ্যমে উত্তোলন করে।

দুইটি প্রশংসাপত্র হাতে পাওয়ায় প্রশংসাপত্র প্রদানকারী সাবেক সুপার আব্দুল জলিল বলেন নিজ হাতে লিখে দিয়েছিলেন এবং ১৯৬২ সালটি দেখালে নিজের লেখা বলেন ১৯৬৯ সালেরটি তার নয় এবং তখন কোন কম্পিউটার সিল ছিল না জানান।

অনুসন্ধানে মজিবরের বয়স ১৯৬৯ হলে ১৯৮১ সালে অষ্টম শ্রেণি পাশ করলেও সার্টিফিকেট নেন ১৯৯৬ সালে এ অনুযায়ী তার বয়স হয় ১২ বছর। এছাড়া তার ভাইবোনের বয়স অনুযায়ী ব্যবধান হয়।

অভিযোগ রয়েছে তিনি অষ্টম শ্রেণী পাস করেননি এবং ভুয়া সনদে চাকরি নিয়েছে। মজিবর রহমান তার বয়স ১৯৬৯ দাবি করেন তবে তার পড়ালেখার সময়ে সহপাঠীর নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশংসাপত্র প্রদানকারী সুপার জীবিত আছে এখানে সহপাঠী/বন্ধু কেন প্রয়োজন।

পার্শ্ববর্তী তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ ও সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম সাঈদুর সুপারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম ও নিয়োগের বিষয়সহ বিভিন্ন অভিযোগ করে বলেন, সে জালিয়াতি করে কাগজপত্র তৈরি করেছে।

এদিকে প্রতিষ্ঠানের সাঈদুর, আমিনুল, রতনা, কাজল, মোস্তাফিজুর, খালেদুজ্জামান, সফিয়ার ও মজিবররের নামে একে অপরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সুপার আমিনুল দাবি করেন, তিনি তার নিয়োগ সহ-সুপার পদে নিলেও সহ-মৌলভী পদে বিধি মোতাবেক এমপিওভুক্ত হয়ে বেতনভাতা নিচ্ছেন। মজিবরের কাগজপত্র যাচাই করেই আইডি সংশোধন ও আদালতের রায়ে বেতন প্রদানের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এবং বর্তমানে কোনো কমিটি না থাকায় সকলের বেতন বন্ধ রয়েছে। এছাড়া কমিটির সভাপতি একক সিদ্ধান্তে সুপাররের বরখাস্ত প্রত্যাহার করেছে তাই দায়িত্ব ছাড়ছে না।

ভারপ্রাপ্ত সুপার বার্ষিক/২৫ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ছাড়াই প্রতিষ্ঠানের বই বিতরন করেন। এ বিষয়ে জানান এখনো ফলাফল তৈরি করা হয়নি। শিক্ষক ১২ জন ও কর্মচারী ৬ জন রয়েছেন। পরীক্ষার্থীদের তথ্য অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে কোন শিক্ষার্থী নাই, তৃতীয়ে ১জন ও চতুর্থে ১জন, বাকি শ্রেণীতে সর্বমোট ২১২ জনের মধ্যে ৫৬ জন অনুপস্থিত। নতুন বই নিতে ৫০ জনের কম শিক্ষার্থী ছিলেন।

এডহক কমিটির সভাপতি মাহফুজার রহমান জানান, সাঈদুর সুপারের সাময়িক বরখাস্তটি বিধি মোতাবেক কমিটির কোরাম সংখ্যক সদস্য দ্বারা মিটিং ও রেজুলেশন করে বোর্ড, অধিদপ্তর, গেজেট ও হাইকোর্টের রিট আদেশ বলে তার সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহারের পরও ভারপ্রাপ্ত সুপার আমিনুল দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি এবং কমিটিকে অবহিত না করে একক ক্ষমতাবলে মজিবরের বয়স সংশোধনসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জেলা নির্বাচন অফিসার আলমগীর বলেন, মজিবরের এমপিও কপি, প্রশংসাপত্র, জন্ম নিবন্ধন, মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারের প্রত্যায়নসহ কাগজপত্র দাখিল করলে জুন/২৫ জন্ম তারিখ ১৯৬২ থেকে ১৯৬৯ সংশোধন করে দেয়া হয়েছে। আদালতে মামলা রয়েছে জানি না। তবে আদেশ হলে পূর্বেরটি বহাল থাকবে।

তৎকালীন ইউএনও গোলাম ফেরদৌস মাদ্রাসার নিয়োগ, পদবী, বয়স ও বেতন এর সমস্যা বিষয় উল্লেখ করেন যা বেশ কিছু রেজুলেশন করে দিয়েছিলেন। মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে মানববন্ধন হয়েছিল। কিছুদিন পর কোন এক মামলায় সুপার গ্রেফতার হলে তাকে ম্যাজিষ্ট্রেটি ক্ষমতায় নয় সভাপতি হিসাবে সামিয়ক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তের সময় তিনি সভাপতি ছিলেন না যা আইন বহির্ভুত হয়েছে এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে গ্রেফতার হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি এ বিষয়ে তিনি বলেন, সুপারের বিষয়টি জেনেছিলাম জন্য আইন অনুযায়ী বরখাস্ত করা হয়েছিল। তবে অন্যান্যরা জেলে যাওয়ার বিষয় জানা ছিলনা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তিনি জুলাই/২৫ যোগদান করেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। সুপার সাঈদুরকে সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহার করলেও প্রতিষ্ঠানে যেতে দিচ্ছ না এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। মজিবরের চাকরি নিয়ে জটিলতায় বেতন স্থগিত থাকার পরেও বেতন প্রদান বিষয় জানেন না, তার স্বাক্ষরে বেতন হয় না তবে তিনি বিলে প্রতিসাক্ষর দেন। প্রতিষ্ঠান বিষয়ে তিনি বর্তমান ইউএনওকে গোপন তিনটি বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন এবং ৬ মাস বেতন বন্ধ তা প্রদান প্রসঙ্গে বলেন, “আমি কি নিজের পকেট থেকে টাকা দেবো?

বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাদাৎ হোসেন জানান, কিছুদিন হয় যোগদান করেছি, দুই পক্ষ এসেছিলো তাদের ডাকা হয়েছে বিষয়গুলো শুনে ও অভিযোগ বিষয়ে কি কি ডকুমেন্ট আছে তা দেখে বাকিটা জানতে পারবো।

স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করে দুর্নীতিতে জড়িত শিক্ষক ও অফিসারদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি