1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন

সাতক্ষীরা কলারোয়ায় টালি শিল্পে ধস

শিরোমণি ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

আধুনিকতার করাল গ্রাসে কলারোয়ায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী টালি শিল্প আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। একসময়ের সমৃদ্ধ এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত শ্রমিক ও কারখানা মালিকরা পড়েছেন চরম সংকটে।
বহু শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন, আর অনেক মালিক অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে অন্য কাজে যুক্ত হতে বাধ্য হচ্ছেন।

এর ফলে একের পর এক টালি কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এক সময় কলারোয়ার তৈরি টালি ইতালি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হতো। এর মাধ্যমে দেশ অর্জন করত বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। কিন্তু আন্তর্জাতিক রপ্তানি জটিলতা, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং আধুনিক বিকল্প নির্মাণসামগ্রীর আগ্রাসনে আজ মৃতপ্রায় এই শিল্প।
এক সময় কলারোয়ার গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ ঘরবাড়ি বাঁশের কাঠামোর ওপর মাটির তৈরি টালির ছাউনি দিয়ে নির্মিত হতো। বর্তমানে আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় গ্রামেও শহুরে ধাঁচের পাকা বাড়ির প্রবণতা বেড়েছে। মাটির টালির পরিবর্তে ইট, সিমেন্ট ও রডের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্যও ব্যাহত হচ্ছে। টালির ব্যবহার কমে যাওয়ায় অনেক কারখানা মালিক বাধ্য হয়ে ইট পোড়ানোর দিকে ঝুঁকছেন।

এক সময় কলারোয়া পৌর এলাকায় ৪১টি টালি কারখানা ছিল। প্রতিটি কারখানায় শত শত শ্রমিক কাজ করতেন এবং এই শিল্পই ছিল তাদের প্রধান জীবিকার উৎস। বর্তমানে টিকে আছে মাত্র ৭টি কারখানা। ফলে শত শত শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়ে ইটভাটা বা অন্যান্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেক কারখানা মালিক দেউলিয়া হয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।
সরেজমিনে কারখানা মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জ্বালানি ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে গেলেও টালির দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। এতে করে একের পর এক লোকসান গুনতে হচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া কয়েকজন মালিক জানান, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক সহায়তার অভাবে এই শিল্প আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি