1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন

ময়মনসিংহ অঞ্চলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রামক রোগ হাম

শিরোমণি ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

ময়মনসিংহ অঞ্চলে শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হাম (মিজলস)। উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের নমুনা পরীক্ষায় ইতোমধ্যেই হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। শুধু ময়মনসিংহ বিভাগ নয়, আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও আক্রান্ত শিশুদের ভর্তি করা হচ্ছে হাসপাতালে।পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তিনটি পৃথক মেডিকেল টিম গঠন করেছে এবং চালু করেছে বিশেষ ‘হাম/মিজলস কর্ণার’। ২৪ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ১০৬ জন শিশু হাম আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে তিনটি ওয়ার্ডে ৬৬ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।এই হাসপাতালে ময়মনসিংহ জেলা ছাড়াও শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, কুড়িগ্রাম, কিশোরগঞ্জ ও গাজীপুরের কিছু অংশ থেকে রোগী ভর্তি করা হয়।এর মধ্যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে— ওয়াজকুরুনী (৪), তনুসা (৩), সামিয়া (২), নুরুন্নবী (৬), লিয়ন(৭)।ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মার্চের মাঝামাঝি থেকে হামের রোগী বাড়তে শুরু করে, সাথে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। শিশু ওয়ার্ডে তিনটি পৃথক কক্ষ হাম আক্রান্তদের জন্য নির্ধারণ করা হলেও রোগীর চাপ এত বেশি যে সেখানে পর্যাপ্ত জায়গা হচ্ছে না। ১০ শয্যার কক্ষে ২-৩ জন করে রোগীকে একই বিছানায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে অন্যান্য রোগীর সঙ্গেও হাম আক্রান্ত শিশুদের রাখতে হচ্ছে।অভিভাবকদের উদ্বেগ ওয়ার্ডে দেখা যায়, জামালপুর সদর থেকে আসা ৬ মাস বয়সী রিমা আক্তারকে নিয়ে উদ্বিগ্ন মা জান্নাত আক্তার বসে আছেন। তিনি জানান, ঈদের আগে থেকে জ্বর থাকলেও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়নি। জন্মের পর কিছু টিকা দিলেও পরবর্তী টিকাগুলো দেওয়া হয়নি।নেত্রকোনার মদন থেকে আসা আমেনা খাতুন বলেন, তার ১০ মাস বয়সী মেয়ে আগে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল। পরে বাড়ি নেওয়ার পর হাম দেখা দেয়। তিন যাবত মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে আছি।কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারীর আনোয়ারা বেগম জানান, তার সন্তানের সব টিকা দেওয়া হয়েছে, তবুও হাম রোগে আক্রান্ত হয়েছে।কিশোরগঞ্জের ইটনা থেকে আসা এক দম্পতি জানান, নির্ধারিত সময়ে হামের টিকা না দেওয়ার কারণে তাদের জমজ দুই সন্তান আক্রান্ত হয়েছে।জটিলতা ও ঝুঁকি চিকিৎসকদের মতে, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি বা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।হামের জটিলতায় নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি জনিত রোগ ও চোখ মস্তিষ্কে প্রদাহসহ মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা শিশুদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি