1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন

পারস্য উপসাগরে আটকে আছে চট্টগ্রামমুখী এলএনজি ট্যাংকার

শিরোমণি ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬২ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল ‘লিব্রেথা’ নামের একটি ট্যাংকারের। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘিরে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করায় ট্যাংকারটি এখন পারস্য উপসাগরেই আটকে আছে। প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল শুরু না হওয়ায় এটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করতে পারছে না।জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মেরিন ট্রাফিকের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ট্যাংকারটি কাতারের উপকূলের কাছাকাছি বহির্নোঙরে অবস্থান করছে। তিন দিন ধরে এটি একই স্থানে নোঙর করে আছে। ট্যাংকারটির ড্রাফট বা পানির নিচে নিমজ্জিত অংশের গভীরতা ১১ দশমিক ৩০ মিটার, যা থেকে বোঝা যায় এতে এলএনজি বোঝাই রয়েছে। প্রায় ২৯৫ মিটার দীর্ঘ এই ট্যাংকার বড় আকারের এলএনজি পরিবহন জাহাজের মধ্যে একটি।কাতারসহ পারস্য উপসাগরের সাত দেশ থেকে জাহাজ আসা–যাওয়ার একমাত্র পথ হরমুজ প্রণালি। গত সোমবার ইরানের বাহিনী এই প্রণালি বন্ধ ঘোষণার পর এটি দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। গতকাল রোববার রাতে মেরিন ট্রাফিকে দেখা যায়, প্রণালির ভেতরে বিপুলসংখ্যক জাহাজ আটকা পড়লেও প্রণালি দিয়ে আসা–যাওয়ারত কোনো জাহাজ নেই।

ট্যাংকারটির স্থানীয় প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম বলেন, ‘লিব্রেথা’ ট্যাংকারটির মাস্টার চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিলেন। তবে এখন দেখা যাচ্ছে, জাহাজটি এখনো হরমুজ প্রণালির ভেতরে রয়েছে। ‘ওয়াদি আল সেইল’ নামে আরেকটি ট্যাংকারে এলএনজি বোঝাই করার কথা ছিল, সেটিও এখনো হরমুজ প্রণালির ভেতরে যেতে পারেনি। এই দুই ট্যাংকার মার্চের মাঝামাঝি সময়ে দেশে পৌঁছানোর কথা ছিল।এই দুটি ট্যাংকার নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও চারটি এলএনজিবাহী জাহাজ ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে আসতে শুরু করেছে। ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি জাহাজ ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। এ ছাড়া আজ সোমবার ‘লুসাইল’ ও বুধবার ‘আল গালায়েল’ নামে আরও দুটি জাহাজ বন্দরের জলসীমায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে এই চার জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে।বাংলাদেশে এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রে নির্ভরতা সবচেয়ে বেশি কাতারের ওপর। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৩ লাখ ৩৭ হাজার টন এলএনজি আমদানির শুল্কায়ন হয়েছে। এর মধ্যে ৬৫ শতাংশই এসেছে কাতার থেকে, যা হরমুজ প্রণালি পেরিয়েই বাংলাদেশে পৌঁছায়।বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) সূত্র জানায়, সরবরাহ–সংকটের আশঙ্কায় গ্যাসের দৈনিক সরবরাহ প্রায় ২০ কোটি ঘনফুট কমানো হয়েছে। দুটি ট্যাংকারের অনিশ্চয়তার কারণে গত বুধবার খোলাবাজার থেকেও দুটি এলএনজি কার্গো কেনা হয়েছে।এর মধ্যে সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া প্রতি ইউনিট এলএনজি সাড়ে ২৪ ডলার দরে সরবরাহ করবে, যার কার্গো ২০ মার্চ দেশে পৌঁছানোর কথা। আর গানভর কোম্পানি প্রতি ইউনিট ২৮ ডলার দরে একটি কার্গো সরবরাহ করবে, যা ১৭ মার্চ আসার কথা রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে একই এলএনজি প্রতি ইউনিট প্রায় ১০ ডলারে কেনা হচ্ছিল।পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা মনে করছেন, খোলাবাজার থেকে অতিরিক্ত দামে এলএনজি কেনার ফলে অন্তত চলতি মাসে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি