মোঃ ইমরান আহম্মেদ,কেশবপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত উনিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার। বাংলা ভাষায় তিনিই অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও চতুর্দশপদী বা সনেটের প্রবর্তক।পাশ্চাত্য সাহিত্যের দুর্নিবার আকর্ষণে ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। জীবনের দ্বিতীয় পর্বে মধুসূদন নিজের মাতৃভাষার প্রতি মনোযোগী হন। এই পর্বে তিনি বাংলায় মহাকাব্য, চতুর্দশপদী কবিতা, নাটক ও প্রহসন ইত্যাদি রচনা করেছেন।
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত জন্ম ২৫ জানুয়ারি ১৮২৪, যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী গ্রামে।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম বার্ষিক উপলক্ষে প্রতিবছর ২৫শে জানুয়ারি সাপ্তাহব্যাপী তার জন্মস্থান সাগরদাঁড়ীতে জন্মজয়ন্তী আয়োজন করা হয়।
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২ তম জন্মজয়ন্তী আগামী ২৫ জানুয়ারি ২০২৬। প্রতিবছর এই দিনটাকে ঘিরে জন্মস্থান সাগরদাঁড়ী কপোতাক্ষ নদীর তীরে লাখো মানুষের ঢল নামে।সংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় ও যশোর জেলা প্রশাসন সপ্তাহব্যাপী "মধুমেলা" আয়োজন করা হয় যা দক্ষিণবঙ্গের সর্ববৃহৎ সংস্কৃতিক মিলনমেলা। তবে এ বছর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ঐতিহাসিক সপ্তাহব্যাপী "মধুমেলা" আয়োজন হচ্ছে না। তবে স্থানীয় প্রশাসন থেকে জানা যায় মধুমেলার একদিনের সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি থাকবে, সপ্তাহব্যাপী আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে। কেশবপুর উপজেলা প্রশাসন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কারণে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানাতে আগামী ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তাঁর ২০২ জন্মবার্ষিক একদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
সাধারণ মানুষের উদ্দীপনা শেষ নাই এই মধুমালা ঘিরে। মধুমেলাকে ঘিরে আয়োজিত মধুমঞ্চ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত আলোচনা সভা, নাটক, সংস্কৃতি অনুষ্ঠান, জারি গান, যাত্রাপালা বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালিত হয়।আরো আয়োজিত থাকে কুঠির শিল্প, কৃষি মেলা,বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান, সার্কাস, জাদু প্রদর্শনী, নিত্যকুপ।
আগামী বছরগুলোতে সব বাধা পেরিয়ে আবারও তারুণ্যের জয়গানে মুখরিত হবে কপোতাক্ষ তীর, আবারও সাত দিন ধরে চলবে প্রাণের ‘মধুমেলা’।
সম্পাদক:সাহিদুর রহমান
অফিস:২৭/১১/২, তোপখানা রোড, পল্টন মোড়,ঢাকা -১০০০।
ফোন: ০১৯১১- ৭৩৫৫৩৩ ই- মেইল : [email protected], [email protected]