1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

কেশবপুরে দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, চরম ভোগান্তিতে ক্রেতারা

মো: ইমরান আহমেদ, কেশবপুর উপজেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মোঃ ইমরান আহম্মেদ, কেশবপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।
উপজেলার কেশবপুর বাজার, গৌরীঘোনা বাজার ও আশপাশের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাকা কলার দাম- সাগর কলা প্রতি কেজি ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৯০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবরি ও বাংলা কলার দামও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
শুধু কলাই নয়, আপেল, আঙুর, মালটা, বেদানা, পেয়ারা ও পেঁপের দামও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৬০টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ইফতারের অন্যতম প্রধান উপকরণ হওয়ায় রমজান এলেই ফলের চাহিদা বেড়ে যায়, আর সেই সুযোগে বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয় বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
স্থানীয় একাধিক ক্রেতা জানান, প্রতিদিন ইফতারে পরিবারের সদস্যদের জন্য ফল কিনতে হয়। কিন্তু বর্তমান বাজারদরে প্রতিদিন ফল কেনা কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে ফলের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছেন বা কম দামের বিকল্প খুঁজছেন।
ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ ও সরবরাহ সংকটের কারণে খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়াতে হচ্ছে। তবে সচেতন মহল মনে করছেন, যথাযথ বাজার মনিটরিং ও তদারকির অভাবেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করছেন।
সাধারণ ক্রেতারা দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও মূল্যতালিকা নিশ্চিতের মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীল করা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।
রমজানের পবিত্রতা ও সংযমের এই মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের স্বস্তি নষ্ট করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপই পারে কেশবপুরের বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি