
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী জমিয়তেের জুনায়েদ আল হাবীব। লড়বেন খেজুর গাছ প্রতীকে। কিন্তু সম্ভবত তিনি তৃতীয় হতে চলেছেন।
প্রথম ও দ্বিতীয় এর লড়াই হবে হাঁস মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ও ১০ দলীয় জোটের শাপলা কলি মার্কার প্রার্থী আশরাফ উদ্দীন মাহদী।
রুমিন ফারহানা বহিষ্কৃত হলেও নিজের লিংকআপ ও বাবার পরিচয়ে তৃণমূলের একটা বড় অংশকে সাথে রেখেছেন। ধানের শীষ প্রতীক না থাকায় বিএনপির ভোটব্যাংকের একটা অংশ তিনি পাচ্ছেন নিশ্চিত। সুইং ভোটার টানতে পারলে এমপি হয়ে যাবেন।
অন্যদিকে আশরাফ মাহদীর ক্ষেত্রে ৩ টা ফ্যাক্টর কাজ করছে। এই আসনে ২০০১ সালে নির্বাচিত এমপি ছিলেন ফজলুল হক আমিনী। আশরাফ মাহদী তার নাতি। এইটা একটা ফ্যাক্টর।
সেকেন্ড ফ্যাক্টর ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী। এনসিপির সমর্থক তো আছেই, তৃণমূলে জামাত তাকে খুব ভালোভাবে সাপোর্ট দিচ্ছে। এইখানে জামাতের ভোটব্যাংক তিনি পাচ্ছেন। এছাড়া নিজের কওমি পরিচয় ও পড়াশোনার জন্য সেই ভোটব্যাংকও তিনি পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে সুইং ভোটারদের পছন্দের প্রার্থী হতে পারেন মাহদী।
এর বাইরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি (বহিষ্কৃত) ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন। তিনি অন্তত ৫০০ ভোট পাবেন।