1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের সহায়তায় গোপালপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে প্রবাসবন্ধু ফোরাম সভা নাছির উদ্দীন ফাউন্ডেশনের রওনাকে রমজান প্রতিযোগিতা পারস্য উপসাগরে আটকে আছে চট্টগ্রামমুখী এলএনজি ট্যাংকার ফুলতলায় গণমাধ্যম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার অনুষ্ঠিত বরগুনা বেতাগীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপিত দিঘলিয়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণকল্পে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কেশবপুরে জমি দখলের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন মেহেরপুর গাংনীতে ট্রাকসেল টিসিবি পণ্য ইলেক্ট্রনিক্সের দোকানে বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ কোটি ডলার দামের রাডার ধ্বংস করেছে ইরান বেসরকারি পাট,সূতা,বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের ইফতার

বান্দরবান আলীকদমে দুর্ভোগে মাতামুহুরী নদীর পাড়ের মানুষ

শিরোমণি ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট : বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

পাহাড়ি অঞ্চলে নির্বিচারে বন উজাড়, পাহাড় কর্তন ও অবাধ পাথর উত্তোলনের ফলে মারাত্মক পরিবেশগত সংকটে পড়েছে স্থানীয় নদ-নদী। একসময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এবং জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এসব নদী এখন অস্তিত্ব সংকটে। দীর্ঘদিন ধরে নদী খনন না হওয়ায় পাহাড় থেকে নেমে আসা পলি ও বালিতে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। এতে নদীর স্বাভাবিক গভীরতা কমে গেছে এবং অনেক স্থানে ছোট-বড় চর জেগে উঠেছে। ফলে নদী তার নাব্যতা হারিয়ে ফেলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বন উজাড়ের কারণে প্রাকৃতিকভাবে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ক্ষমতা কমে গেছে। আগে পাহাড়ের গাছপালা মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখত এবং অতিরিক্ত পানি শোষণ করত। এখন বন উজাড় হওয়ায় বৃষ্টির পানি সরাসরি পাহাড় বেয়ে নেমে আসছে। এতে পাহাড় থেকে বিপুল পরিমাণ পলি ও বালি নদীতে এসে জমা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে ঢলের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এলাকায় ঝিরি ও ঝর্ণা থেকে অবাধে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে ধীরে ধীরে পানির প্রাকৃতিক উৎসগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। একসময় যেসব ঝর্ণা সারা বছর পানি দিত, এখন সেগুলোর অনেকগুলোই প্রায় নিঃশেষ হয়ে গেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, পাথর উত্তোলনের সময় ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করায় আশপাশের গাছপালাও নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে। ফলে পাহাড়ের মাটি দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং নদীর পাড় ভাঙনের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যাচ্ছে।

পাথর উত্তোলন ও গাছ নিধনের কারণে নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। অনেক স্থানে বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর বর্ষা এলেই নদীর পাড় ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাতে হয় তাদের।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি