1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন

জাতীয় পার্টির নিয়ন্ত্রণ আওয়ামী লীগের হাতে

শিরোমণি ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট : শুক্রবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৩

সংসদীয় দলের গতকালের সভায় জাপার ২৬ এমপির ১৮ জন অংশ নেন। হুইলচেয়ারে বসা রওশনের পাশে বসেন জি এম কাদের। সভা সূত্র জানায়, কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ এবং সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ঐক্যের কথা বলেন। তাঁদের থামিয়ে দিয়ে রওশন বলেন, জাপায় বিরোধ নেই, সবাই ঐক্যবদ্ধ।

জি এম কাদের বলেন, জাপা আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে। বিএনপির এমপিদের পদত্যাগের শূন্য হওয়া ছয়টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে ভালো ফল করতে হবে।

জাপা সূত্রের খবর, রওশনপন্থিরা দলের পদে ফিরবেন। তবে জি এম কাদেরপন্থিদের ঘোর আপত্তি রাঙ্গা ও সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধাকে নিয়ে। জিয়াউল হকের মামলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞায় দলীয় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না জি এম কাদের। হাইকোর্ট, আপিল বিভাগ ঘুরে গতকাল জেলা জজ আদালত নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছেন। ফলে রওশনের সঙ্গে সমঝোতা হলেও জি এম কাদের কতদিন নিষেধাজ্ঞায় থাকবেন- তা অনিশ্চিত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও ভোট থেকে সরে গেছেন জিয়াউল হক। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া আওয়ামী লীগের তিন নেতাও সরে গেছেন। বিএনপির দলছুট উকিল আবদুস সাত্তারকে জেতাতেই এ ‘আয়োজন’ বলে অভিযোগ। জিয়াউল হকের ভাষ্য, জাপার প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশনের নির্দেশে ভোট থেকে সরে গেছেন।

মসিউর রহমান রাঙ্গাও মামলা করেছেন জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে। হঠাৎ ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়ে তিনি সমকালকে বলেছেন, ‘জি এম কাদের আমার আত্মীয় ও মুরব্বি। আর আমিও তো তাঁর সম্পর্কে ভালো কিছু বলিনি। তাঁর সঙ্গে সংসদে তো দেখা হয়। আজ (বৃহস্পতিবার) রুমে গিয়ে বলেছি, যদি আমার কথায় কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে আমি দুঃখিত।’ রাঙ্গা বলেছেন, দলীয় পদ থেকে বাদ পড়লেও জাপাতেই আছেন, থাকবেন।

জি এম কাদের বিএনপির সুরে কথা বলছেন, এমন কারণ দেখিয়ে তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরাতে রওশন গত ৩১ আগস্ট সম্মেলন ডাকলে জাপা ভাঙনের মুখে পড়ে। পাল্টা হিসেবে রওশনকে বিরোধীদলীয় নেতার পদ ছাড়া করার চেষ্টা করেন জি এম কাদের। ১ সেপ্টেম্বর দলের ২৬ এমপির ২৪ জনের সমর্থন নিয়ে স্পিকারকে চিঠি দেন। কিন্তু সপ্তাহখানেক পরই রওশনের পক্ষ নিয়ে সুর বদল করেন স্পিকারকে চিঠি পৌঁছে দেওয়া রাঙ্গা।

জাপা সূত্রের খবর, গত আগস্টে থেকে যা হয়েছে সবকিছু ছিল সরকারের নিয়ন্ত্রণে। বিবাদের জড়ানো দু’পক্ষই সরকারের পক্ষে। সরকার রওশনকে একতরফা সমর্থন দেয়নি আবার বছরখানেক ধরে সরকারের সমালোচনায় মুখর জি এম কাদেরকে চাপে রাখলেও ‘বন্ধুত্ব’ ভাঙেনি। সরকারের সমর্থনে রওশন জাপা বিভক্ত করলে, জি এম কাদেরের বিএনপির দিকে চলে যাওয়ার ঝুঁকি ছিল। সে কারণেই দু’পক্ষকেই নিয়ন্ত্রণে রাখে সরকার

Facebook Comments
০ views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি