1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : বরিশাল ব্যুরো প্রধান : বরিশাল ব্যুরো প্রধান
  3. [email protected] : cmlbru :
  4. [email protected] : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান : চট্রগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  5. [email protected] : ঢাকা ব্যুরো প্রধান : ঢাকা ব্যুরো প্রধান
  6. [email protected] : স্টাফ রিপোর্টারঃ : স্টাফ রিপোর্টারঃ
  7. [email protected] : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান : ফরিদপুর ব্যুরো প্রধান
  8. [email protected] : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান : সম্রাট শাহ খুলনা ব্যুরো প্রধান
  9. [email protected] : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান : ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান
  10. [email protected] : আমজাদ হোসেন রাজশাহী ব্যুরো প্রধান : রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
  11. [email protected] : রংপুর ব্যুরো প্রধান : রংপুর ব্যুরো প্রধান
  12. [email protected] : রুবেল আহমেদ : রুবেল আহমেদ
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ রশিদা বিড়ির ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ রশিদা বিড়ির ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে
রশিদা বিড়ি ফ্যাক্টরির মালিক ইদ্রিস মিয়া

জামালপুর প্রতিনিধি : পুরাতন ব্যান্ডরোল ব্যবহার ও উৎপাদন কম দেখিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে ৩০ নং রশিদা বিড়ি ফ্যাক্টরির মালিক ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে জামালপুর ও শেরপুরে রশিদা বিড়ি ফ্যাক্টরিতে একাধিক অভিযানে পুরাতন ব্যান্ডরোল ব্যবহারে প্রমাণ পেয়েছে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে দেওয়ানগঞ্জের হারুয়াবাড়িতে রশিদা বিড়ি ফ্যাক্টরিতে অভিযান পরিচালনা করে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কর্মকর্তা। এ সময় বিপুল পরিমাণ পুরাতন ব্যান্ডরোল উদ্ধার এবং ফ্যাক্টরির উৎপাদনের আসল ও নকল হিসাবের খাতাপত্র জব্দ করা হয়। শেরপুরের শিল্পপতি ইদ্রিস মিয়ার মালিকানাধীন ৩০ নং রশিদা বিড়ির জামালপুর, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় একাধিক ফ্যাক্টরি রয়েছে। প্রতিটি ফ্যাক্টরিতে ব্যবহার করা পুরাতন ব্যান্ডরোল পুনরায় ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়াও প্রতিটি ফ্যাক্টরিতে উৎপাদন কম দেখিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে দেওয়ানগঞ্জের হারুয়াবাড়িতে ৩০নং রশিদা বিড়ি ফ্যাক্টরিতে অভিযান পরিচালনা করেন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট জামালপুরের বিভাগীয় কর্মকর্তা শেখ মো. মাসুদুর রহমান। প্রায় ৪ ঘন্টাব্যাপি পরিচালিত এই অভিযানে পূর্বে ব্যবহৃত পুরাতন ১৭ হাজার ব্যান্ডরোল, আসল ও নকল হিসাবপত্রের লাল কাপড়ে মোড়ানো ২৫টি দলিলাদি, পুরাতন ব্যান্ডরোল লাগানো ৬ হাজার ৪০০ প্যাকেট বিড়ি ও বিভিন্ন হিসাবের লুজশিট জব্দ করা হয়। এ সময় ব্যান্ডরোল সংক্রান্ত্র রেজিস্ট্রার দেখতে চাইলে তা দেখাতে ব্যর্থ হন ফ্যাক্টরির ম্যানেজার সেলিম রেজা।
গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ৩০নং রশিদা বিড়ির দেওয়ানগঞ্জের হারুয়াবাড়ি ফ্যাক্টরির ম্যানেজার সেলিম রেজা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট জামালপুরের বিভাগীয় কর্মকর্তা বরাবর সংক্ষিপ্ত বিচার আদেশের মাধ্যমে আটককৃত পণ্য ছাড় করতে লিখিত আবেদন করেন। ওই আবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট জামালপুরের বিভাগীয় দফতরের প্রিভেন্টিভ দল কর্তৃক জব্দ করা ব্যান্ডরোলগুলো পূর্বে ব্যবহৃত। যা মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে আবেদনে। ২০ টাকার কোর্ট ফি লাগানো ওই আবেদনে ভবিষতে পুরাতন ব্যান্ডরোল আর ব্যবহার করবেন না বলেও অঙ্গীকার করেন রশিদা বিড়ির ম্যানেজার সেলিম রেজা। কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কর্মকর্তাদের অভিযান এ বিষয়ে তার সঙ্গে মোবাইলে কথা বললে তিনি জানান, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট জামালপুরের বিভাগীয় কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনা করেছেন ফ্যাক্টরিতে। তারা কিছু খাতাপত্র নিয়ে গেছেন। এটা তাদের নিয়মিত কাজ। এটা কোনও বিষয় না। এ ব্যাপারে কথা বলতে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট জামালপুরের বিভাগীয় কর্মকর্তা শেখ মো. মাসুদুর রহমানের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। জানা গেছে, শেরপুরের শিল্পপতি ইদ্রিস মিয়ার ৩০ নং রশিদা বিড়ির দুটি ফ্যাক্টরিতে গত ২৯ জুলাই অভিযান চালিয়ে পুরাতন ব্যান্ডরোল লাগানো প্রায় ৪ লাখ প্যাকেট বিড়ি জব্দ করে র‌্যাব। ওই দিন রাতে শেরপুর সদর ও শ্রীবরদী উপজেলার দুটি ফ্যাক্টরিতে এনএসআই, র‌্যাব-১৪ এবং জেলা প্রশাসন যৌথ অভিযান চালিয়ে এসব প্যাকেট জব্দ করে। এ সময় দুই কারখানার সহকারী ব্যবস্থাপক শফিউল আলম ও রুবেল শাহরিয়ারকে আটক করা হয়।
অভিযোগ উঠেছে, একটি ব্যান্ডরোলের সরকারি মূল্য ৮ টাকা। ৩০ নং রশিদা বিড়ির মালিক বাজার থেকে ৫০ পয়সা দিয়ে পুরাতন ব্যান্ডরোল কিনে এসব ব্যান্ডরোল বিড়ির প্যাকেটে লাগিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছেন। রশিদা বিড়ি ফাক্টরির ৩০ দিনে ব্যান্ডরোল ক্রয় করার কথা ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকার। কিন্তু শেরপুর জেলা পোস্ট অফিসের একটি সূত্র জানায়, চলতি বছরের জুলাই মাসে শেরপুর পোস্ট অফিস থেকে রশিদা বিড়ি কর্তৃপক্ষ ১ কোটি ৩১ লাখ ২২ হাজার টাকার ব্যান্ডরোল ক্রয় করেছে। সেই হিসেবে রশিদা বিড়ি থেকে প্রতি মাসেই ৮ কোটি ২৮ লাখ ৭৮ হাজার টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া ৩০ নং রশিদা বিড়ি ফ্যাক্টরির মালিক ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা জামালপুর-শেরপুরের সচেতন মহলের।

Facebook Comments
no views

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২২ দৈনিক শিরোমনি