ক্রমে ভোটের প্রতি মানুষের আগ্রহ কমছে

এক–তৃতীয়াংশ মানুষও কেন্দ্রে যাননি ,গত শনিবার অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। ঢাকা উত্তরে মোট ভোটার ৩০ লাখ ১২ হাজার ৫০৯ জন। ভোট দিয়েছেন ৭ লাখ ৬২ হাজার ১৮৮ জন। প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাননি। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম ৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১১ ভোট পেয়েছেন। অর্থাৎ তিনি মোট ভোটারের ১৪ দশমিক ৮৪ শতাংশের সমর্থন পেয়ে মেয়র হয়েছেন। অবশ্য তিনি প্রদত্ত ভোটের ৫৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ পেয়েছেন।

গত বছরের মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদে উপনির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ ছিল না। কিন্তু সে নির্বাচনেও ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। আর এর আগে ২০১৫ সালে উত্তরের মেয়র নির্বাচনে ভোটের হার ছিল ৩৭ দশমিক ৩ শতাংশ। বিএনপি মাঝপথে সে নির্বাচন বর্জন করেছিল।

এবার ঢাকা দক্ষিণে মোট ভোটার ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৫৯ জন। ভোট পড়েছে ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫০টি। ৭১ শতাংশ মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাননি। ৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের মাত্র ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশের সমর্থন পেয়েছেন। তবে তিনি প্রদত্ত ভোটের ৫৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ পেয়েছেন।

২০১৫ সালে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ভোট পড়ার হার ছিল ৪৮ শতাংশ।

প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবারও রাজনীতির মাঠে সক্রিয় ছিল। প্রচারণায় দুই দলের প্রার্থীরা সরব থাকলেও এক–তৃতীয়াংশ ভোটারও ভোটকেন্দ্রে যাননি। প্রথমবারের মতো পুরোপুরি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএমে) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচন ছিল নিয়ন্ত্রিত। ভোটার যন্ত্রে আঙুলের ছাপ দেওয়ার পর ব্যালট উন্মুক্ত হলে অনেক জায়গায় অবাঞ্ছিত ব্যক্তিরা গোপন কক্ষে ভোট দিয়ে দেন। এই অবাঞ্ছিত ব্যক্তিরা সরকারদলীয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁরা ‘ভোট সহায়ক’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশক : সাহিদুর রহমান, অফিস : ৪৫, তোপখানা রোড (নীচতলা)পল্টন মোড়, ট্রপিকানা টাওয়ার, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোন : ০১৯১১-৭৩৫৫৩৩। ই-মেইল : shiromonimedia@gmail.com,ওয়েব : www.shiromoni.com

Social Widgets powered by AB-WebLog.com.