আসিফ নজরুল রাজাকার – বিচারপতি মানিক

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল‌য়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুলের প‌রিবার পা‌কিস্তানিপ‌ন্থী বিহারি উল্লেখ করে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেছেন, অনেক বিহারি কিন্তু আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। কিন্তু আসিফ নজরুলের পরিবার তেমন বিহারি নন। সে বিহারি বাবার সন্তান।

আসিফ নজরুলকে একজন রাজাকার ব‌লেও মন্তব্য ক‌রে‌ন তিনি।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাগো বাংলা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু: বাংলাদেশ ও স্বাধীনতা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বিচারপ‌তি মা‌নিক ব‌লেন, অধ্যাপক এরশাদুল বারী আরেক রাজাকার। তার সহায়তায় আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করে এবং শিক্ষকতা করার সুযোগ পেয়েছেন।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, বঙ্গবন্ধুর কঠিন সংগ্রামে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে। কারও বাঁশির হুইসেলে দেশ স্বাধীন হয়নি। সেই বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তারা কটূক্তি করে। ত‌বে হাজার চেষ্টা করলেও তাদের এই কটূ‌ক্তি থেকে বিরত রাখতে পারবেন না। এদের থেকে আমাদের সবসময় দূরে থাকতে হবে।

গোলটেবিল বৈঠকে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আলী শিকদার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মোহনা জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে

অনলাইন ডেস্ক :   আমার মেয়ে মুমতাহিনাহ তাবাসসুম মোহনা ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে অদ্য প্রকাশিত জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে।উল্লেখ্য সে পিএসসি তেও জিপিএ -৫ পেয়েছিল।তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনায় আমরা সকলের নিকট দোয়াপ্রার্থী।সে যেন বড় হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে পারে।সে ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে ইচ্ছুক।২৪/১২/১৮।

বিশ্ব ইজতেমায় সংঘর্ষ শুভ লক্ষণ নয়।

মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী

গত শনিবার সকালে দাওয়াতে তাবলিগের বিশ্ব ইজতেমাকে সামনে করে ঢাকার টঙ্গীর মাঠে মাওলানা সা’দ আহমাদ কান্ধলভীর অনুসারী ও তার বিরোধীপন্থীদের মধ্যে সংঘাত জাতিকে চিন্তিত করে তুলছে।উভয় গ্রুপের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ একসাথে বসে নিজেদের মধ্যে চলমান ভুল বুঝাবুঝি নিরসন করতে পারে।তারা সে দিকে সমাধানের পথ না খোঁজে মাঠ দখলের জন্য সংঘাতের পথ বেঁছে নিয়েছে যা খুবি দুঃখজন।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঢোল বাজছে দেশের সর্বত্রে।এসময় তাবলীগ জামায়া’তে এহেনো সংঘাতময় অবস্থা চলমান থাকলে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষে জাতিকে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহারে ক্ষেত্রে বড় ধরণের বাঁধা সৃষ্টি হতে পারে।তাই উভয় পক্ষ সংঘাতের পথ পরিহার করে সমাধানের পথে হাটার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটি সদস্য ও বঙ্গবন্ধু উলামা পরিষদ এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক,মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী এক বিবৃতিতে এ পরামর্শ দেন। তিনি আরো বলেন,মাওলানা সা’দ এর অনুসারী ও তার বিরোধীরা সকাল থেকে টঙ্গীর মাঠ দখল করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে অবস্থান করছিল।এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ যার যার মতো করে মাঠ দখল করার চেষ্টা করে।যার ফলস্রুতিতে উভয় পক্ষ সংঘাতে জড়িয়ে যায়।এতে করে কয়েকজন গুরুতর আহত এবং একজনের প্রাণনাশ ঘটে।এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা মানুষ হিসেবে নিন্দনীয়।এছাড়াও বিশ্ব ইজতেমায় সংঘর্ষ শুভ লক্ষণ নয়। মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী বলেন,এ ধরনের অন্যায় ও সংঘাত যদি উভয় পক্ষ বন্ধ না করে সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের নৈতিক দায়িত্ব হবে এসমস্ত অপতৎপরতা বন্ধে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করা।এগুলো কি নিজেদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি নাকি ষড়যন্ত্র তা পরিষ্কার হওয়া দরকার।এ জন্যেই উভয় পক্ষের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন আলেম ও সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি হওয়া প্রয়োজন।যে কমিটির মাধ্যমে মূল ঘটনাটি বের হয়ে আসবে এবং সমাধানের পথও উম্মোচিত হবে ইনশাআল্লাহ।তবে বিষয়টি অত্যান্ত স্পর্শকাতর বিধায় কোন পক্ষ অবলম্বন করা কারো জন্যেই সমীচীন না। তিনি আরো বলেন আমাদের মনে রাখা ভালো।বিশ্ব ইজতেমা সকালের মাওলানা সা’দ আহমাদ কান্ধলভী কিংবা মাওলানা যোবায়ের আহমেদপন্থীদের একক নয়।মূল ইজতেমাকে সফল করতে ৫ দিনের জোড় ইজতেমাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।সংঘর্ষে মাওলানা সা’দপন্থী মুন্সিগঞ্জের মিরকীপাড়া গ্রামের ইসমাইল মণ্ডল (৭০) নামে এক মুসল্লির নিহত হন।দফায় দফায় এ সংঘর্ষে কয়েক শতাধিক মুসল্লিরাও আহত হয়েছে।তিনি নিহত ব্যক্তির রুহের মাগফিরাত সহ আহতদের দ্রুত সুস্থতার কামনা করেন।

স্বাধীনতা এসেছে আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের বিনিময়ে

আনন্দ কুমার সেন   জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস । ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রামের পর বাঙালী জাতির পাকিস্তানকে পরাজিত করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে। এই স্বাধীনতা এসেছে বহু মানুষের জীবন উৎসর্গ, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের বিনিময়ে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ, শোষণ-বঞ্চনাহীন একটি আধুনিক কল্যাণকামী রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠা।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতা ছিলেন। তিনি বাংলার মানুষের দুঃখ-কষ্ট গভীরভাবে অনুধাবণ করতেন। তিনি বাঙালীদের খুব বেশি ভালোবাসতেন। তিনি ছিলেন বিশ্বের নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। শোষণ-বৈষম্যেও বিরুদ্ধে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। অধিকারহারা জাতিকে দিয়েছেন পথের ঠিকানা। বঙ্গবন্ধু মৃত্যুঞ্জয়ী একটি নাম। যতোদিন বাঙালী জাতি থাকবে, যতদিন চন্দ্র-সূর্য উদিত হবে ততদিন বঙ্গবন্ধু আমাদের মাঝে চিরস্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে থাকবেন। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন আজ আমাদের সকলের জানা। পাকিস্তানের ২৩ বছরের শাসন, শোষণের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদমুখর ছিলেন। পাকিস্তানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। যৌবনের দীর্ঘ ১৪ বছর জেলে বন্দী জীবন কাটিয়েছেন। কিন্তু বাঙালীর স্বাধীনতা ও অধিকারের প্রশ্নে ছিলেন আপোষহীন। তিনি সমসাময়িক বিশ্বের অন্যতম মহান নেতা ছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও আর্ন্তজাতিক চক্রান্তের শিকার হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মাত্র সাড়ে তিন বছর সময়ে কুলাঙ্গাররা এবং একদল বিপথগামী সামরিক বাহিনীর সদস্যের দ্বারা বঙ্গবন্ধু শহীদ হন।
বিজয়ের এই মহান মাসে মুজিব তোমায় মনে পড়ে, কে বলে রে মুজিব নাই, মুজিব সারা বাংলায়, এক মুজিব লোকান্তরে, লক্ষ মুজিব ঘওে ঘরে। মুজিবের বাংলায় খুনীদেও ঠাঁই নেই, মুজিব আমার চেতনা, মুজিব আমার বিশ্বাস, লাল সবুজের পতাকায়- মুজিব তোমায় দেখা যায়।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিভিন্ন সময়ে শ্মশানে পরিণত হয়েছিল। তারই সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলেন এবং দীর্ঘ ২১ বছর পর জনগণের ভোটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাসীন করেন। শেখ হাসিনার শাসনামলকে উন্নয়নের স্বর্ণযুগ বলা হয়ে থাকে। শেখ হাসিনা আজ শক্ত হাতে নৌকার হাল ধরেছেন। বাংলার দুঃখী মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হলেন তিনি। আজ তিনি বিশ্ব নেত্রী, মানবতার মা। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রকৃতপক্ষে তারই হাত ধরে সফলতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। বিশ্বে বাংলাদেশে আজ রোল মডেল। বাংলাদেশ আজ নতুনভাবে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করছে। উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ। এই সব কৃতিত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে। যতদিন শেখ হাসিনা থাকবে, ততদিন পথ হারাবে না বাংলাদেশ। এই জন্যই স্লোগান উঠেছে শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার। এবারের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার হোক, নৌকায় ভোট দেব, রাজাকার ও বিএনপিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ব। জয়তু শেখ হাসিনা, অভিবাদন তোমার।
আনন্দ কুমার সেন
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা

সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে দেশ সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাবে

 

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের সোশালিস্ট পার্টি মনে করে  নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না হলে আগামী নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে এবং দেশ সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাবে বলে দেশ বিদেশে সকল মহলই শংকিত। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা একটি সফল ও গ্রহণযোগ্য উদাহরণ ছিল। এর উপযোগিতা ও সুফল জনগণ ইতিমধ্যেই ভোগ করেছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনগুলো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠান সম্ভব হয়েছে। এ পদ্ধতি এখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।তত্ত্বাবধায়ক সরকার  পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা গেলে দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি আরও মজবুত হবে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী হবে।

আমাদের দেশে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অনাস্থার কারণে রাজনৈতিক টানাপড়েনের ভিতর দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা উদ্ভাবিত হয়েছে। এ পর্যন্ত এটা একটা চমৎকার ব্যবস্থা বলে স্বীকৃতি লাভ করেছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান বিনির্মাণে ও গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন একটি অপরিহার্য অংশ। বাংলাদেশে বিগত নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতায় তত্ত্বাবধায়ক ব্যতিরেকে নির্বাচনের কথা চিন্তাই করা যায় না।

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সাহিদুর রহমান,অফিসঃ ২২/১, তোপখানা রোড (৫ম তলা) বাংলাদেশ সচিবালয়ের উত্তর পার্শ্বে, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোনঃ ০১৬১১-৯২০ ৮৫০, ই-মেইলঃ shiromoni67@gmail.com ,ওয়েবঃ www. Shiromoni.com

Social Widgets powered by AB-WebLog.com.