বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমও ঝুঁকির মধ্যে আছে

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মতই বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমও ঝুঁকির মধ্যে আছে। বিশেষ করে এই দেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য ঝুঁকিটা বেশি। এর মধ্য দিয়েই সাংবাদিকদের টিকে থাকতে হবে। চাপের মুখে থেকেও সাংবাদিকতার মান ও নৈতিকতার সাথে আপোষ না করে নিজেদের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও শুদ্ধাচারের মাধ্যমে পেশাগত উৎকর্ষ সাধন নিশ্চিত করতে হবে।

সোমবার টিআইবির ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে ‘অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ: প্রেক্ষিত গণমাধ্যম জবরদখল’ শীর্ষক এক আলোচনা এবং দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক শেখ মঞ্জুর-ই-আলম। এ সময় প্যানেল আলোচক ছিলেন সাংবাদিক আফসান চৌধুরী ও জুলফিকার আলি মাণিক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরিন, ড. সুরাইয়া বেগম, এমআরডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান, সাংবাদিক তালাত মামুন, শাকিল আহমেদ, রিয়াজ আহমেদ, রেজওয়ানুল হক রাজা, আলমগীর স্বপন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টিআইবির ন্যায়পাল অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।

আলোচকরা বলেন, বিশ্বের সব দেশেই সাংবাদিকতা কঠিন হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ এখন অনেক বেশি। এর মধ্যেই সাংবাদিকরা ঝুঁকি নিয়ে তাদের কাজ করে যাচ্ছেন। আগামীতেও ভয় ভীতির উর্ধ্বে থেকে সাংবাদিকদের কাজ করে যেতে হবে। সাংবাদিকতাকে আদর্শিক জায়গা থেকে গ্রহণ করে পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচনা শেষে টিআইবির দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। এ বছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ১০ জন সাংবাদিককে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রিন্ট মিডিয়া জাতীয় ক্যাটাগরিতে প্রথম আলোর ফখরুল ইসলাম, স্থানীয় ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে পুরস্কার পেয়েছেন যশোরের গ্রামের কাগজ পত্রিকার দেওয়ান মোর্শেদ আলম, এম আইউব, ফয়সল ইসলাম ও মোতাহার হোসাইন, এস এম আরিফ, উজ্জ্বল বিশ্বাস, মিনা বিশ্বাস এবং স্বপ্না দেবনাথ, ইলেকট্রনিক মিডিয়া (টিভি রিপোর্ট) ক্যাটাগরিতে চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের ইকবাল আহসান, ইলেকট্রনিক মিডিয়া (টিভি ডকুমেন্টারি) ক্যাটাগরিতে মাছরাঙা টেলিভিশনের অনুসন্ধান দল পুরস্কার পেয়েছে।

একইদিন বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের জয়নুল গ্যালারিতে ‘দুর্নীতিবিরোধী কার্টুন ও আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ২০১৯’ এর পুরস্কার ঘোষণা এবং বিজয়ী ও বিশেষ মনোনয়নপ্রাপ্ত কার্টুনিস্টদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।

প্রসঙ্গত, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উদযাপন করছে টিআইবি।

টিভি চ্যানেল-পত্রিকার অনলাইনেরও অনুমোদন নিতে হবে

সরকার অনলাইন নিউজ পোর্টালের নিবন্ধন দেয়া শুরু করবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। একই সঙ্গে পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেল অনলাইন পরিচালনার জন্য অনুমোদন নিতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশে যে অনলাইন আছে সেগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনার জন্য দরখাস্ত আহ্বান করেছিলাম। তথ্য মন্ত্রণালয়ে ৩ হাজার ৫৯৭টি দরখাস্ত জমা পড়েছে। সেগুলো তদন্ত করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, টেলিকম মিনিস্ট্রি, আইসিসি মিনিস্ট্রিসহ একটি সভা করেছিলাম।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছিলাম যত দ্রুত সম্ভব অনলাইনগুলোর ব্যাপারে তদন্ত শেষ করে আমাদের কাছে জানানোর, যাতে আমরা নিবন্ধনের কাজটি শুরু করতে পারি। ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আজ বা কালকের মধ্যে তারা তদন্ত শেষ করে কয়েকশ অনলাইনের তথ্য আমাদের কাছে পাঠাবে।’

‘আমরা আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইনের নিবন্ধন দেয়া শুরু করব। এ প্রক্রিয়া শেষ করতে কিছুদিন সময় লাগবে। ৩ হাজার ৫৯৭টি অনলাইনের তদন্ত শেষ করা সহজ কাজ নয় এবং কয়েকটি সংস্থা তদন্ত করছে’- বলেন হাছান মাহমুদ।

তিনি আরও বলেন, ‘যে কটি আমরা আজকে বা কালকের মধ্যে পাব সেগুলোকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিবন্ধন দেয়া শুরু করব। যেগুলো নিবন্ধিত হবে না, সেগুলোর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

ভবিষ্যতেও অনলাইনের নিবন্ধন দিতে আবার দরখাস্ত আহ্বান করা হবে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ, এখন যে অনলাইনগুলো আছে এখানেই তো শেষ হয়ে যেতে পারে না। পত্রিকা যেমন যে কোনো সময় যে কেউ বের করতে পারে, ভবিষ্যতে অনলাইনও বের করতে পারবে।’

‘কিন্তু ভবিষ্যতে অনলাইন পোর্টাল চালু করতে হলে সেটি একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, অনুমতির মাধ্যমে করতে হবে। এখন যেমন কেউ চাইলেই একটি পত্রিকা বের করতে পারে না, তাকে ডিক্লারেশন নিতে হয়, নামের ছাড়পত্র নিতে হয়। অনলাইনের ক্ষেত্রে একটি প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ভবিষ্যতে তা চালু করতে হবে। এখনও দেখা যায় যে, ঘরের মধ্যে কয়েকজন বসে অনলাইন চালায়, এমন ঘটনাও ঘটছে।’

টিভি চ্যানেল-পত্রিকার অনলাইনেরও অনুমোদন নিতে হবে

অনেক অনলাইন ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে তা দিচ্ছে- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইন পত্রিকার নয়, কাগজের পত্রিকার অনলাইন ভার্সন করা হচ্ছে। সেগুলো নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি। সেগুলোও একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনা হবে। কারণ, যিনি যেটার লাইসেন্স পেয়েছেন সেটার বাইরে….শুধু যে পত্রিকাগুলো অনলাইন করছে তা নয়, টেলিভিশনও অনলাইন চালু করেছে। সেটিরও অনুমতি এখনও পর্যন্ত নেই। সবকিছু একটা শৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্য আমরা একটি প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’

তিনি বলেন, ‘টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যে অনলাইন চালু করেছে, সেগুলোর অনুমতি নিতে হবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘পত্রিকার অনলাইনের ব্যাপারে প্রথমে যে একটি প্রজ্ঞাপন হয়েছিল সেটি হচ্ছে মিডিয়াভুক্ত ছাড়পত্র পাওয়া যেসব পত্রিকা আছে তারা অনলাইন করতে পারবে। আগে এ ধরনের একটি সিদ্ধান্ত ছিল। তবে আমরা মনে করি যে, এটা আমরা আলোচনাও করেছি সেক্ষেত্রেও একটি নিয়মনীতির মধ্যে থাকার প্রয়োজন আছে।’

আইপি টিভির জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তবে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত পরিপূর্ণভাবে হয়নি। আইপি টিভিও রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে অনেক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ধীরে ধীরে, এ ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা কাজ করছি।’

ঢাকায় ৫৯ মিনিটে ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছে ‘গোমেড কিট’

মাত্র ৫৯ মিনিটে গ্রাহকের কাছে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে যাত্রা শুরু করল অনলাইন ভিত্তিক ওষুধ ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম গোমেড কিট। ওয়েবসাইটের পাশাপাশি স্মার্টফোন ভিত্তিক অ্যাপস এ কাজ করবে গোমেড কিট।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গোমেড কিট এর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে গোমেড কিট এর সম্পর্কে বলা হয়, ব্যস্ততম শহরে দ্রুত সময়ে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া এবং প্রেসক্রিপশন বিহীন ওষুধ বিক্রির বিপরীতে প্রেসক্রিপশন দিয়ে ওষুধ কেনার সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হয় প্ল্যাটফর্মটি। সোহানুর রহমান এবং সৌরভ আজম নামের দুই তরুণ উদ্যোক্তা গড়ে তোলেন গোমেড কিট।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ১০ বছর আগেও দেশের স্বাস্থ্যসেবার যে অবস্থা ছিল তার আমূল পরিবর্তন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই ১০ বছরে স্বাস্থ্যখাতের যে উন্নতি হয়েছে তা আগের ৩০ বছরেও কোন সরকার করতে পারেনি। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে এখন স্বাস্থ্যসেবা। আর এখন তো টেলি মেডিসিনের সময়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম ‘গোমেড কিট’-এর উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সোহানুর রাহমান ও সৌরভ আজমের এই উদ্যোগ ব্যস্ততম শহর ঢাকায় অনেকের উপকারে আসবে। জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সবখাতেই এমন সেবা চালু করা প্রয়োজন। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এভাবেই একের পর এক উদ্ভাবনীতে দেশ এগিয়ে যাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সভাপতি শমী কায়সার বলেন, আইসিটি ইকো সিস্টেমের মধ্যে সার্ভিস ডেলিভারি একটা বড় জায়গা। সেখানে গোমেড কিট একটা বড় ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের আশাবাদ। একই সাথে, আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের রোগ নিয়ে এখন পর্যন্ত সেন্ট্রাল কোন ডাটাবেজ নেই। এই প্ল্যাটফর্ম টি তেমন একটি তথ্য ভাণ্ডার হিসেবেও আমাদের সেবা দেবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, বেসিস এর পরিচালক দিদারুল আলম সানী, উইমেন এন্ড ই – কমার্সের সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে শুধু ঢাকা শহরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনা করছে গোমেড কিট। পরবর্তীতে এটিকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানান উদ্যোক্তারা।

সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনাম, সাধারণ সম্পাদক নঈম নিজাম

ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামকে সভাপতি এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজামকে সাধারণ সম্পাদক করে সম্পাদক পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রবিবার কারওরান বাজারে ডেইলি স্টার সেন্টারে অনুষ্ঠিত সম্পাদক পরিষদের বৈঠকে নতুন এই নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। দুই বছরের জন্য গঠিত এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করবে আগামী ১ অক্টোবর।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি তাসমিমা হোসেন (সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক), সহ-সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ (সম্পাদক ও প্রকাশক, বণিক বার্তা), কোষাধ্যক্ষ মুস্তাফিজ শফি (ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সমকাল)।
পাশাপাশি ৪ জন নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন শ্যামল দত্ত (সম্পাদক, ভোরের কাগজ), মতিউর রহমান চৌধুরী (সম্পাদক, মানবজমিন), সাইফুল আলম (ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, যুগান্তর), এম এ মালেক (সম্পাদক, দৈনিক আজাদী)

সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তাদের মিলন মেলা

অনলাইন প্লাটফর্ম ফেসবুকভিত্তিক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ‘ইভেন্ট আপডেট’-এর আয়োজনে ইতিহাস সৃষ্টিকারী বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে শুক্রবার।

রাজধানীর খামারবাড়ীতে কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে ‘ইভেন্ট আপডেট’ গ্রুপের অ্যাডমিন সালেহ মোহাম্মদ রশিদ অলকের আয়োজনে ৬ ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মিলন মেলায় ১৭২ জন সাংবাদিক, জনসংযোগ কর্মকর্তা ও মিডিয়া প্রফেশনাল অংশগ্রহণ করেন।

প্রথম সেশনে বিকাল ৪.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন, নেটওয়ার্কিং, কফি পান ও নিজেদের মাঝে পরিচয়পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

দ্বিতীয় সেশনে সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭.৪৫ পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাতিয়ে রাখেন সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তারা নিজেরাই। একুশে টিভির মিনালা দিবা, যুগান্তরের আর কে জান, ডেইলি বাংলাদেশের সোহেল রহমান এবং মাই টিভির নাহিদ কামালের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছিল গান, কবিতা, অভিনয়, কৌতুকসহ হাসির অঢেল খোরাক।

সংগঠনটির প্রধান উদ্যোক্তা ও পলিটিক্সনিউজ২৪.কমের প্রকাশক সালেহ মোহাম্মদ রশিদ অলোক নিজ বক্তব্যে বলেন, ইভেন্ট আপডেট গ্রুপের সবাই আমরা একটি পরিবার, দেশ গঠনে এক সঙ্গে সবাই লড়বো। তবে নিশ্চয়ই অপসাংবাদিকতা আমাদের কাজ নয়। আমরা একটি স্বপ্ন নিয়ে একত্রিত হয়েছি, এই ভাবনা থেকেই এ দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে সুন্দর কিছু করতে চাই। আমরা কেউ রাজনীতি করতে আসিনি, আমরা কেউ নেতা হতে আসিনি।

তিনি আরও বলেন, এই প্রথম সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তাদের নিয়ে এতবড় একটি মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে এতবড় সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মিলনমেলা আগে কখনোই হয়নি। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের ভাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। আগামীতেও আমরা নিয়মিত এমন আয়োজন করবো। আগামীতে এই সংগঠনটির পরিধি আরও ব্যাপকতা লাভ করবে।

বক্তব্য সেশন শেষে রাত ৯.৪৫ মিনিটে কুপন ড্রয়ের মাধ্যমে তিনজন ভাগ্যবান বিজয়ীর হাতে কিংস্টন হাসপাতালের সৌজন্যে পুরষ্কার দেয়া হয়। এসময় আগামীতেও এমন আয়োজন হবে এই দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সবাই। সবার মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী মিলনমেলার সম্ভাব্য তারিখ ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি ঠিক করা হয়। অতঃপর ডিনারে অংশগ্রহণ করে রাত ১০.৩০ এ সবাই নিজেদের মাঝে শুভেচ্ছা বিনিময় করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।

সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মিলনমেলায় স্পন্সর হিসেবে ছিল বিজ্ঞাপনী সংস্থা ব্র্যান্ড বুষ্ট, পিআর এজেন্সি টাইমস পিআর এবং অনলাইন গণমাধ্যম পলিটিক্সনিউজ২৪, ভেন্যু পার্টনার কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন, প্রিন্ট পার্টনার প্রিন্ট ভ্যালি, ফটোগ্রাফি পার্টনার বিডি ইভেন্ট এবং কফি পার্টনার নেস্ক্যাফে।

মিলনমেলা আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সাদ্দিফ অভি, আজাদ কালাম, রাহাত হোসেন, সাহাবউদ্দিন ইসলাম জনি, জাফর আহমেদ, নাসির উদ্দিন, আর কে জান, শাহ মোঃ সাইফুল ইসলাম, মাহবুব মোর্শেদ, নূরে আলম জীবন, আব্দুল হামিদ, খলিলুর রহমান স্টালিন এবং শাফি বিল্লাহ।

মিলন মেলায় উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি হুমায়ন চিশতী, চ্যানেল ২৪ এর প্রতিবেদক ফয়জুল সিদ্দিকী, দৈনিক দেশ রূপান্তর প্রতিবেদক কবির হোসেন, রেডিওটুডে প্রতিবেদক হাসিব বিল্লাহ, বাংলানিউজ২৪ এর প্রতিনিধি মাহিবল আলম সবুজ, দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদক এমদাদুল হক, গাজী টিভির প্রতিবেদক আল্লামা ইকবাল অনিক, নিজলক্রিয়েটিভ ফটোগ্রাফির আবু সুফিয়ান, নাগরিক বার্তার প্রতিবেদক আলামিন রাজু, দৈনিক ঢাকার ডাকের প্রতিবেদক আব্দুল্লাহ আল সাফি, ইটিভি অনলাইনের সিনিয়র রিপোর্টার আউয়াল চৌধুরী, বাংলা টিভির প্রতিবেদক বুলবুল আহমেদ, ভূমি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, আসাদুর রহমান, নিউজ-বাংলাদেশের প্রতিবেদক সাখাওয়াত প্রিন্স, আনন্দ টিভির প্রতিবেদক নুরে-আলম জীবন, আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র রিপোর্টার সমীরন রায়, রেডিও টুডের প্রতিবেদক রাজিবুল মিজান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট লিয়াজোঁ অফিসার আব্দুল মমিন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল্লাহ, মানবজমিনের সিনিয়র রিপোর্টার কাজী সোহাগ, এবিসি নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার সাইফুর রহমান, মানবজমিনের প্রতিবেদক শাহনেওয়াজ বাবলু, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা খায়রুজ্জামান কামাল, দৈনিক জনকন্ঠের প্রতিবেদক ওয়াজেদ হীরা, আমাদের নতুন সময় এবং আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার সিটি এডিটর আসাদুজ্জামান সম্রাট, এশিয়ান টেলিভিশনের প্রতিবেদক কাউসার আহমেদ, বৈশাখী টেলিভিশনের প্রতিবেদক আশিক মাহমুদ, এশিয়ান এজ পত্রিকার প্রতিবেদক শাহপরান হক, একুশে টেলিভিশনের প্রতিবেদক তবিবুর রহমান, বিবার্তা প্রতিবেদক খলিলুর রহমান স্টালিন, পূর্বপশ্চিমবিডি প্রতিবেদক, দৈনিক আমার সংবাদেরর প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ জার্নালের প্রতিবেদক মাহফুজ আহমেদ, প্রতিবেদক সোহেল রহমান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রতিবেদক কুমার বিশ্বজিৎ রায়, মাই টিভির প্রতিবেদক নাহিদ কামাল, সময় টিভির প্রতিবেদক শাকিল, শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষর, মোহনা টিভির প্রতিবেদক শাহজাহান চৌধুরী, দৈনিক মানবকণ্ঠের প্রতিবেদক সেলিম আহমেদ, চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদন সৌমিক আহমেদ, আধুনিক কৃষি খামার অনলাইনের নির্বাহী সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের জনসংযোগ কর্মকর্তা সুব্রত মন্ডল, মাসিক বাঙালি পত্রিকার সম্পাদক আশিকুর রহমান, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার জনসংযোগ সোহেল হাসান নিপু, নিউজ২৪ এর প্রতিবেদক মোস্তফা, মোহনা টিভির প্রতিবেদক মনিরুল ইসলাম মনি, পিআর এজেন্সি এশিয়াটিকের রাজু, যুগান্তরের প্রতিবেদক আরকে জান, এফবিসিসিআই জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জনি, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকরামুল হক, রিহ্যাবের জনসংযোগ কর্মকর্তা রশিদ বাবু, সোনারগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা নাহিদ হাসান, সৌরভ ভূঁইয়া, এনটিভির বিশেষ প্রতিনিধি মাকসুদুল হাসান, প্রতিবেদক জামান, প্রেস বাংলা এজেন্সি সম্পাদক জাহিদ ইকবাল, বিডিনিউজের প্রতিবেদক জয়ন্ত সাহা জয়, ঢাকা শিশু হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম, ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ার হাবিব কাজল, দৈনিক সকালের সময় প্রতিবেদক সাইফুল হক পাটোয়ারী, সময় টিভির প্রতিবেদক অবায়দুল্লাহ আল মামুন, দৈনিক সকালের সময়েরর সিনিয়র রিপোর্টার শহিদুল হক পলাশ, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান খান, বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খান, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিবেদক ইয়াসিন রানা, বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদক অভি, ঢাকা টাইমস প্রতিবেদক সালেকিন তারিন, জাগো নিউজের শেকৃবি প্রতিনিধি রাকীব হাসান, বেঞ্চমার্ক পিআর পরিচালক এ এস এম আসাদুজ্জামান, একুশে টিভি অনলাইনের প্রতিবেদক রেজাউল করিম, দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিবেদক আব্দুর রহিম, দৈনিক প্রথম কথার প্রতিবেদক শাহ আলম, এসএটিভি’র প্রতিবেদক সীমান্ত, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন কাজী রফিক, বাংলা নিউজ ২৪ প্রতিবেদক সোলায়মান হোসেন শাওন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরান হোসেন, ফটো জার্নালিস্ট বাবুল তালুকদার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার ওয়াহিদ আহমেদ, ব্রেকিং নিউজের প্রতিবেদক তন্ময়, সময় টিভির প্রতিবেদক রোজিনা রোজী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এহতেরামুল হক, ডিবিসি নিউজের প্রতিবেদক মাহমুদ, দৈনিক নওরোজের প্রতিবেদক মাসুম বিল্লাল, জনসংযোগ কর্মকর্তা সাঈদ সাব্বির আহমেদ, বিবার্তা প্রতিবেদক আকরাম হোসেন, বি এন নিউজের প্রতিবেদক আব্দুল হামিদ, নিউ নেশনের শেকৃবি প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল যুবায়ের, বাংলা এজেন্সির নির্বাহী সম্পাদক ইকবাল, ব্র্যান্ড প্র্যাকটিশনার ইলিয়াস, অর্থসূচকের আতাউর রহমান, বার্তা বাজারের সম্পাদক নাসির উদ্দিন, ব্যাংক এশিয়ার জনসংযোগ ইনচার্জ এম এ ওয়াদুদ, যমুনা টেলিভিশনের প্রতিবেদক রাজিব আহমেদ, সময় টিভির প্রতিবেদক ফারুক হোসেন ভূঁইয়া, এনটিভি অনলাইনের প্রতিবেদক ফখরুল ইসলাম শাহীন, ভোরের কাগজের প্রতিবেদক রাশেদ আলী, দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিবেদক মনিরুল ইসলাম রোহান, প্রথম আলোর প্রতিবেদক নাজমুস সাকিব, দৈনিক মানবজমিনের ফটো জার্নালিস্ট জীবন আহমেদ, দৈনিক জাগরণের প্রতিবেদক আল-হেলাল শুভ, বাংলাদেশ জার্নালের প্রতিবেদক মাহফুজুর রহমান, চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদক মাহবুব মোর্শেদ, ডেইলি বাংলাদেশের প্রতিবেদক জাফর আহমেদ, শফিউল আজম, ব্রেকিং নিউজের প্রতিবেদক আহমেদ ফেরদৌস খান, পূর্ব-পশ্চিমের প্রতিবেদক শাহ মো. সাইফুল ইসলাম, বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদক শফিকুল ইসলাম, দৈনিক যুগান্তরের প্রতিবেদক বিল্লাল হোসেন, ঢাকা মেইলের প্রতিবেদক একে আজাদ, বাংলাদেশ বেতারের প্রতিবেদক আসিফ ইকবাল, বাংলাভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার তৈমুর রশীদ, ব্রেকিং নিউজের প্রতিবেদক, নয়াদিগন্তের প্রতিবেদক মোরশেদ মুকুল, দীপ্ত টিভির প্রতিবেদক মাহমুদুল আরিফিন মাসুম, জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের সাবেক প্রেসসচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী, চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদক শহীদুল্লাহ্ রাজু, বাংলাদেশ জালালের প্রতিবেদক শাহনেওয়াজ সুমন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, একুশে টেলিভিশনের প্রতিবেদক মিনাল দিবা, শেয়ারবিজ প্রকাশক শেখ সাজিদ, রেডিও ধ্বনি প্রতিবেদক নেওয়াজ শরীফ, দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন বিভাগের প্রধান মিজানুর রহমান সোহেল, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা সিনিয়র রিপোর্টার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনসহ আরও শতাধিক সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা।

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশক : সাহিদুর রহমান, অফিস : ৪৫, তোপখানা রোড (নীচতলা)পল্টন মোড়, ট্রপিকানা টাওয়ার, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোন : ০১৯১১-৭৩৫৫৩৩। ই-মেইল : shiromonimedia@gmail.com,ওয়েব : www.shiromoni.com

Social Widgets powered by AB-WebLog.com.