আবরার হত্যা নিয়ে যা বললেন তারকারা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। এর প্রভাব পড়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতেও। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এই হত্যাকাণ্ড শোবিজ অঙ্গনের তারকাদেরও আবেগঘন করে তুলেছেন।

এমন ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন আবার কোনও কোনও তারকা অন্যের স্ট্যাটাস নিজের ওয়ালে শেয়ার করেছেন। এদের মধ্যে আছেন সংগীত শিল্পী আসিফ আকবর, অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওন, জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ আরও অনেক তারকা।

আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ফেসবুকে মঙ্গলবার দুপুরে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওন। তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ‘৬৯ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন আমার বাবা। সারাজীবন তার মুখে গর্বের সাথে উচ্চারিত হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হবার স্বপ্ন ছিল আমারও। ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম তোলার সময় ঢাকার বাইরে থাকায় পরীক্ষা-ই দিতে পারিনি আমি! সেই দুঃখ ভোলার জন্য প্রায়ই ভেবেছি পুত্রদ্বয়ের যেকোনো একজন যেন এই মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হতে পারে।

এই প্রতিষ্ঠানের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ছাত্র ছিল আবরার। আবরার এর কথা ভাবি আর আমার পুত্রদ্বয়ের মুখের দিকে তাকাই। আমার বুক কাঁপে। বাচ্চা দু’টোর পিঠ হাত-পা’র উপর হাত বুলিয়ে দেই। ছোটবেলায় এরকম ছোট ছোট হাত পা-ই তো ছিল আবরারের! তার মা কতরাত পিঠে হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে তাকে! একেকটা আঘাতে ছেলেটা কি ‘মা গো’ বলে চিৎকার দিয়েছিল? ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনী ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মা’এর কথা মনে পড়েনি! ঠিক কতবার.., কতক্ষণ ধরে.., কতটুকু আঘাত করলে ২০/২১ বছরের একটা তরুণ ছেলে মরেই যায়! আমি আর ভাবতে পারি না।

ফেসবুকে আবরারের পিঠটার ছবি দেখলাম। কি ভয়ংকর! কি নৃশংস! কি কষ্ট! এই ছবিটা যেন তার বাবা-মা’র চোখে না পড়ে। ভুল বলেছি। আবরারের বাবা, আবরারের মা তাদের বাবুটার ক্ষতবিক্ষত পিঠে হাত বুলিয়ে যেন অভিশাপ দেন মানুষের মতো দেখতে খুনী অমানুষগুলোকে। তাদের অভিশাপে যেন ধ্বংস হয়ে যায় এই অসুস্থ সমাজ।

সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘নুসরাতকে ভুলে গিয়েছি, আবরারকেও ভুলে যাব, বিচার চাই বলে লাভ আছে কিনা জানি না তবুও, বিচার চাই।’

নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী লিখেন, বুয়েটের নিউজটা মাত্র দেখলাম। দেখে গলাটা শুকাইয়া গেলো। এই সমাজইতো আমরা সবাই মিলে বানাচ্ছি, নাকি? যেখানে আমার মতের বিরোধী হলে তাকে নির্মূল করা আমার পবিত্র দায়িত্ব। আমাদের সামাজিক-রাজনৈতিক-ধর্মীয় নেতারা সবাই মিলে তো এতো বছর এই কামই করছি, এই ভাবেই একটা প্রজন্ম বানাইছি! আর আমাদের এই নির্মূলবাদী মন বানানো হইছে বাংলার বুদ্ধিজীবীদের ওয়ার্কশপে! তাই আমি তোমাদের অভিশাপ দেই! আমি অভিশাপ দেই কারণ তুমি এই ঘৃণা আর নির্মূল তত্ত্বকে মহৎ বানিয়ে প্রচার করেছো দেশের নামে, জাতীয়তার নামে, ধর্মের নামে, লিঙ্গের নামে, আমার নামে, তোমার নামে! আমি অভিশাপ দেই তাদের যারা আমাদের সমাজটাকে এই জায়গায় এনে দাঁড় করালো যেখানে অপ্রিয় কথা বলার জন্য সহপাঠীকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়! আমি অভিশাপ দেই! অভিশাপ দেই! অভিশাপ দেই! কারণ আমার কিচ্ছু করার ক্ষমতা নাই, কেবল অভিশাপ দেয়া ছাড়া!

জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবর জাহারা মিতুর স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন, যে পিতার কাঁধ, বইছে অগাধ, পুত্রের লাশ, যে মায়ের চোখ, সমুদ্র শোক, কন্যার শ্বাস। সে বাবার বুক, মৃত্যু অসুখ, বেদনার বিষে, সে মায়ের কোল, শূন্য আঁচল, ভরে যাবে কীসে! জানেনা কী খুনী, ঘৃণা কতখানি, রক্তের স্বাদে, কতখানি শ্বাস, বইছে বাতাস, অভিশাপ বাদে! কতটুকু আর, এ ব্যথার ভার, সইবে আকাশ, কতটুকু ঘৃণা, সইতে পারেনা, জানবে বাতাস! তারপরও যদি, রক্তের নদী, লাশে ভাসে, ভাসুক, মানুষের মন, মরেছে যখন, দিকে দিকে মৃত্যু আসুক!

উপস্থাপিকা মারিয়া নুর আবরার ফাহাদের বাবার একটি ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, এখন বাংলাদেশ এটাই।

প্রখ্যাত গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ লেখেন, ‘আবরার ফাহাদ দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের ছাত্র। সে ঢাকা মেডিকেলেও চান্স পেয়েছিল। ঘুমানোর আগে অন্ত্যত একটা প্রতিবাদ করে ঘুমান। আমাদের বাচ্চারাও বড় হচ্ছে…।’

নাট্যকার মাসুম রেজা লেখেন, ‘কান্দিগো মা, কান্দি পিতা, কাঁদিয়া জুড়াই প্রাণ/কবরে শুইয়েছো যারে সেতো আমাদেরও সন্তান’।

নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী লেখেন, ‘শুভ বিজয়ার এই দিনে মন ভালো নেই। বনানী ছাড়া কোথাও যাইনি, কোথাও না। শুধুই মনে হচ্ছে, এই ছেলেটি (আবরার) আমার সন্তান হতে পারতো। প্লিজ মতের মিল না হলে আমাকে মেরে ফেলেন না,আমাদের সন্তানের উপরেও এই কাজ করেন না। প্লিজ। মা বাবারা সহ্য করতে পারেন না। আমি লজ্জ্বিত, ভীত। সকল সন্তান নিরাপদ থাকুক।’

নির্মাতা রেদওয়ান রনি লেখেন, ‘এ কোন বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছি আমরা? ভিন্নমত হলেই পিটিয়ে মেরে ফেলবেন? অতি উৎসাহী জানোয়ারগুলো দেশের কত বড় ক্ষতি করছে জানে? দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই, অবিলম্বে …।’

অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ লেখেন, ‘আবরার … ছেলে টা মিম (আমার ভাই) এর বয়সি। যতোবার ওর নিউজ পড়ছি, আবরার এর জায়গায় আমার ভাইটার চেহারা দেখেছি। অসুস্থ লাগছে এখন।’

সঙ্গীতশিল্পী কোনাল লেখেন, ‘দুবাই ট্রানজিটে বসে চোখে পড়লো নিউজফিড জুড়ে আবরারকে নিয়ে হাহাকার। বিভিন্ন পোর্টালে চোখ বুলাতেই আমি স্তব্দ! দেশে ফেরার আকুতিটা কেমন যেন ম্লান হয়ে গেল…! আমরা মানুষ হয়ে আর কত অমানুষ হবো?’

চিত্রনায়ক জায়েদ খান লেখেন, ‘যার সন্তান আছে শুধু তারাই কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারবেন। দুঃখিত বাবা। আফসোস মানবতা কোথায়…!’

ঢাকায় ৫৯ মিনিটে ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছে ‘গোমেড কিট’

মাত্র ৫৯ মিনিটে গ্রাহকের কাছে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে যাত্রা শুরু করল অনলাইন ভিত্তিক ওষুধ ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম গোমেড কিট। ওয়েবসাইটের পাশাপাশি স্মার্টফোন ভিত্তিক অ্যাপস এ কাজ করবে গোমেড কিট।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গোমেড কিট এর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে গোমেড কিট এর সম্পর্কে বলা হয়, ব্যস্ততম শহরে দ্রুত সময়ে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া এবং প্রেসক্রিপশন বিহীন ওষুধ বিক্রির বিপরীতে প্রেসক্রিপশন দিয়ে ওষুধ কেনার সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হয় প্ল্যাটফর্মটি। সোহানুর রহমান এবং সৌরভ আজম নামের দুই তরুণ উদ্যোক্তা গড়ে তোলেন গোমেড কিট।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ১০ বছর আগেও দেশের স্বাস্থ্যসেবার যে অবস্থা ছিল তার আমূল পরিবর্তন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই ১০ বছরে স্বাস্থ্যখাতের যে উন্নতি হয়েছে তা আগের ৩০ বছরেও কোন সরকার করতে পারেনি। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে এখন স্বাস্থ্যসেবা। আর এখন তো টেলি মেডিসিনের সময়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম ‘গোমেড কিট’-এর উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সোহানুর রাহমান ও সৌরভ আজমের এই উদ্যোগ ব্যস্ততম শহর ঢাকায় অনেকের উপকারে আসবে। জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সবখাতেই এমন সেবা চালু করা প্রয়োজন। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এভাবেই একের পর এক উদ্ভাবনীতে দেশ এগিয়ে যাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সভাপতি শমী কায়সার বলেন, আইসিটি ইকো সিস্টেমের মধ্যে সার্ভিস ডেলিভারি একটা বড় জায়গা। সেখানে গোমেড কিট একটা বড় ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের আশাবাদ। একই সাথে, আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের রোগ নিয়ে এখন পর্যন্ত সেন্ট্রাল কোন ডাটাবেজ নেই। এই প্ল্যাটফর্ম টি তেমন একটি তথ্য ভাণ্ডার হিসেবেও আমাদের সেবা দেবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, বেসিস এর পরিচালক দিদারুল আলম সানী, উইমেন এন্ড ই – কমার্সের সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে শুধু ঢাকা শহরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনা করছে গোমেড কিট। পরবর্তীতে এটিকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানান উদ্যোক্তারা।

সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনাম, সাধারণ সম্পাদক নঈম নিজাম

ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামকে সভাপতি এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজামকে সাধারণ সম্পাদক করে সম্পাদক পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রবিবার কারওরান বাজারে ডেইলি স্টার সেন্টারে অনুষ্ঠিত সম্পাদক পরিষদের বৈঠকে নতুন এই নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। দুই বছরের জন্য গঠিত এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করবে আগামী ১ অক্টোবর।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি তাসমিমা হোসেন (সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক), সহ-সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ (সম্পাদক ও প্রকাশক, বণিক বার্তা), কোষাধ্যক্ষ মুস্তাফিজ শফি (ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সমকাল)।
পাশাপাশি ৪ জন নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন শ্যামল দত্ত (সম্পাদক, ভোরের কাগজ), মতিউর রহমান চৌধুরী (সম্পাদক, মানবজমিন), সাইফুল আলম (ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, যুগান্তর), এম এ মালেক (সম্পাদক, দৈনিক আজাদী)

সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তাদের মিলন মেলা

অনলাইন প্লাটফর্ম ফেসবুকভিত্তিক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ‘ইভেন্ট আপডেট’-এর আয়োজনে ইতিহাস সৃষ্টিকারী বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে শুক্রবার।

রাজধানীর খামারবাড়ীতে কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে ‘ইভেন্ট আপডেট’ গ্রুপের অ্যাডমিন সালেহ মোহাম্মদ রশিদ অলকের আয়োজনে ৬ ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মিলন মেলায় ১৭২ জন সাংবাদিক, জনসংযোগ কর্মকর্তা ও মিডিয়া প্রফেশনাল অংশগ্রহণ করেন।

প্রথম সেশনে বিকাল ৪.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন, নেটওয়ার্কিং, কফি পান ও নিজেদের মাঝে পরিচয়পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

দ্বিতীয় সেশনে সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭.৪৫ পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাতিয়ে রাখেন সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তারা নিজেরাই। একুশে টিভির মিনালা দিবা, যুগান্তরের আর কে জান, ডেইলি বাংলাদেশের সোহেল রহমান এবং মাই টিভির নাহিদ কামালের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছিল গান, কবিতা, অভিনয়, কৌতুকসহ হাসির অঢেল খোরাক।

সংগঠনটির প্রধান উদ্যোক্তা ও পলিটিক্সনিউজ২৪.কমের প্রকাশক সালেহ মোহাম্মদ রশিদ অলোক নিজ বক্তব্যে বলেন, ইভেন্ট আপডেট গ্রুপের সবাই আমরা একটি পরিবার, দেশ গঠনে এক সঙ্গে সবাই লড়বো। তবে নিশ্চয়ই অপসাংবাদিকতা আমাদের কাজ নয়। আমরা একটি স্বপ্ন নিয়ে একত্রিত হয়েছি, এই ভাবনা থেকেই এ দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে সুন্দর কিছু করতে চাই। আমরা কেউ রাজনীতি করতে আসিনি, আমরা কেউ নেতা হতে আসিনি।

তিনি আরও বলেন, এই প্রথম সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তাদের নিয়ে এতবড় একটি মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে এতবড় সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মিলনমেলা আগে কখনোই হয়নি। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের ভাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। আগামীতেও আমরা নিয়মিত এমন আয়োজন করবো। আগামীতে এই সংগঠনটির পরিধি আরও ব্যাপকতা লাভ করবে।

বক্তব্য সেশন শেষে রাত ৯.৪৫ মিনিটে কুপন ড্রয়ের মাধ্যমে তিনজন ভাগ্যবান বিজয়ীর হাতে কিংস্টন হাসপাতালের সৌজন্যে পুরষ্কার দেয়া হয়। এসময় আগামীতেও এমন আয়োজন হবে এই দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সবাই। সবার মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী মিলনমেলার সম্ভাব্য তারিখ ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি ঠিক করা হয়। অতঃপর ডিনারে অংশগ্রহণ করে রাত ১০.৩০ এ সবাই নিজেদের মাঝে শুভেচ্ছা বিনিময় করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।

সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মিলনমেলায় স্পন্সর হিসেবে ছিল বিজ্ঞাপনী সংস্থা ব্র্যান্ড বুষ্ট, পিআর এজেন্সি টাইমস পিআর এবং অনলাইন গণমাধ্যম পলিটিক্সনিউজ২৪, ভেন্যু পার্টনার কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন, প্রিন্ট পার্টনার প্রিন্ট ভ্যালি, ফটোগ্রাফি পার্টনার বিডি ইভেন্ট এবং কফি পার্টনার নেস্ক্যাফে।

মিলনমেলা আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সাদ্দিফ অভি, আজাদ কালাম, রাহাত হোসেন, সাহাবউদ্দিন ইসলাম জনি, জাফর আহমেদ, নাসির উদ্দিন, আর কে জান, শাহ মোঃ সাইফুল ইসলাম, মাহবুব মোর্শেদ, নূরে আলম জীবন, আব্দুল হামিদ, খলিলুর রহমান স্টালিন এবং শাফি বিল্লাহ।

মিলন মেলায় উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি হুমায়ন চিশতী, চ্যানেল ২৪ এর প্রতিবেদক ফয়জুল সিদ্দিকী, দৈনিক দেশ রূপান্তর প্রতিবেদক কবির হোসেন, রেডিওটুডে প্রতিবেদক হাসিব বিল্লাহ, বাংলানিউজ২৪ এর প্রতিনিধি মাহিবল আলম সবুজ, দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদক এমদাদুল হক, গাজী টিভির প্রতিবেদক আল্লামা ইকবাল অনিক, নিজলক্রিয়েটিভ ফটোগ্রাফির আবু সুফিয়ান, নাগরিক বার্তার প্রতিবেদক আলামিন রাজু, দৈনিক ঢাকার ডাকের প্রতিবেদক আব্দুল্লাহ আল সাফি, ইটিভি অনলাইনের সিনিয়র রিপোর্টার আউয়াল চৌধুরী, বাংলা টিভির প্রতিবেদক বুলবুল আহমেদ, ভূমি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, আসাদুর রহমান, নিউজ-বাংলাদেশের প্রতিবেদক সাখাওয়াত প্রিন্স, আনন্দ টিভির প্রতিবেদক নুরে-আলম জীবন, আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র রিপোর্টার সমীরন রায়, রেডিও টুডের প্রতিবেদক রাজিবুল মিজান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট লিয়াজোঁ অফিসার আব্দুল মমিন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল্লাহ, মানবজমিনের সিনিয়র রিপোর্টার কাজী সোহাগ, এবিসি নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার সাইফুর রহমান, মানবজমিনের প্রতিবেদক শাহনেওয়াজ বাবলু, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা খায়রুজ্জামান কামাল, দৈনিক জনকন্ঠের প্রতিবেদক ওয়াজেদ হীরা, আমাদের নতুন সময় এবং আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার সিটি এডিটর আসাদুজ্জামান সম্রাট, এশিয়ান টেলিভিশনের প্রতিবেদক কাউসার আহমেদ, বৈশাখী টেলিভিশনের প্রতিবেদক আশিক মাহমুদ, এশিয়ান এজ পত্রিকার প্রতিবেদক শাহপরান হক, একুশে টেলিভিশনের প্রতিবেদক তবিবুর রহমান, বিবার্তা প্রতিবেদক খলিলুর রহমান স্টালিন, পূর্বপশ্চিমবিডি প্রতিবেদক, দৈনিক আমার সংবাদেরর প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ জার্নালের প্রতিবেদক মাহফুজ আহমেদ, প্রতিবেদক সোহেল রহমান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রতিবেদক কুমার বিশ্বজিৎ রায়, মাই টিভির প্রতিবেদক নাহিদ কামাল, সময় টিভির প্রতিবেদক শাকিল, শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষর, মোহনা টিভির প্রতিবেদক শাহজাহান চৌধুরী, দৈনিক মানবকণ্ঠের প্রতিবেদক সেলিম আহমেদ, চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদন সৌমিক আহমেদ, আধুনিক কৃষি খামার অনলাইনের নির্বাহী সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের জনসংযোগ কর্মকর্তা সুব্রত মন্ডল, মাসিক বাঙালি পত্রিকার সম্পাদক আশিকুর রহমান, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার জনসংযোগ সোহেল হাসান নিপু, নিউজ২৪ এর প্রতিবেদক মোস্তফা, মোহনা টিভির প্রতিবেদক মনিরুল ইসলাম মনি, পিআর এজেন্সি এশিয়াটিকের রাজু, যুগান্তরের প্রতিবেদক আরকে জান, এফবিসিসিআই জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জনি, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকরামুল হক, রিহ্যাবের জনসংযোগ কর্মকর্তা রশিদ বাবু, সোনারগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা নাহিদ হাসান, সৌরভ ভূঁইয়া, এনটিভির বিশেষ প্রতিনিধি মাকসুদুল হাসান, প্রতিবেদক জামান, প্রেস বাংলা এজেন্সি সম্পাদক জাহিদ ইকবাল, বিডিনিউজের প্রতিবেদক জয়ন্ত সাহা জয়, ঢাকা শিশু হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম, ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ার হাবিব কাজল, দৈনিক সকালের সময় প্রতিবেদক সাইফুল হক পাটোয়ারী, সময় টিভির প্রতিবেদক অবায়দুল্লাহ আল মামুন, দৈনিক সকালের সময়েরর সিনিয়র রিপোর্টার শহিদুল হক পলাশ, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান খান, বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খান, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিবেদক ইয়াসিন রানা, বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদক অভি, ঢাকা টাইমস প্রতিবেদক সালেকিন তারিন, জাগো নিউজের শেকৃবি প্রতিনিধি রাকীব হাসান, বেঞ্চমার্ক পিআর পরিচালক এ এস এম আসাদুজ্জামান, একুশে টিভি অনলাইনের প্রতিবেদক রেজাউল করিম, দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিবেদক আব্দুর রহিম, দৈনিক প্রথম কথার প্রতিবেদক শাহ আলম, এসএটিভি’র প্রতিবেদক সীমান্ত, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন কাজী রফিক, বাংলা নিউজ ২৪ প্রতিবেদক সোলায়মান হোসেন শাওন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরান হোসেন, ফটো জার্নালিস্ট বাবুল তালুকদার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার ওয়াহিদ আহমেদ, ব্রেকিং নিউজের প্রতিবেদক তন্ময়, সময় টিভির প্রতিবেদক রোজিনা রোজী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এহতেরামুল হক, ডিবিসি নিউজের প্রতিবেদক মাহমুদ, দৈনিক নওরোজের প্রতিবেদক মাসুম বিল্লাল, জনসংযোগ কর্মকর্তা সাঈদ সাব্বির আহমেদ, বিবার্তা প্রতিবেদক আকরাম হোসেন, বি এন নিউজের প্রতিবেদক আব্দুল হামিদ, নিউ নেশনের শেকৃবি প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল যুবায়ের, বাংলা এজেন্সির নির্বাহী সম্পাদক ইকবাল, ব্র্যান্ড প্র্যাকটিশনার ইলিয়াস, অর্থসূচকের আতাউর রহমান, বার্তা বাজারের সম্পাদক নাসির উদ্দিন, ব্যাংক এশিয়ার জনসংযোগ ইনচার্জ এম এ ওয়াদুদ, যমুনা টেলিভিশনের প্রতিবেদক রাজিব আহমেদ, সময় টিভির প্রতিবেদক ফারুক হোসেন ভূঁইয়া, এনটিভি অনলাইনের প্রতিবেদক ফখরুল ইসলাম শাহীন, ভোরের কাগজের প্রতিবেদক রাশেদ আলী, দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিবেদক মনিরুল ইসলাম রোহান, প্রথম আলোর প্রতিবেদক নাজমুস সাকিব, দৈনিক মানবজমিনের ফটো জার্নালিস্ট জীবন আহমেদ, দৈনিক জাগরণের প্রতিবেদক আল-হেলাল শুভ, বাংলাদেশ জার্নালের প্রতিবেদক মাহফুজুর রহমান, চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদক মাহবুব মোর্শেদ, ডেইলি বাংলাদেশের প্রতিবেদক জাফর আহমেদ, শফিউল আজম, ব্রেকিং নিউজের প্রতিবেদক আহমেদ ফেরদৌস খান, পূর্ব-পশ্চিমের প্রতিবেদক শাহ মো. সাইফুল ইসলাম, বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদক শফিকুল ইসলাম, দৈনিক যুগান্তরের প্রতিবেদক বিল্লাল হোসেন, ঢাকা মেইলের প্রতিবেদক একে আজাদ, বাংলাদেশ বেতারের প্রতিবেদক আসিফ ইকবাল, বাংলাভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার তৈমুর রশীদ, ব্রেকিং নিউজের প্রতিবেদক, নয়াদিগন্তের প্রতিবেদক মোরশেদ মুকুল, দীপ্ত টিভির প্রতিবেদক মাহমুদুল আরিফিন মাসুম, জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের সাবেক প্রেসসচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী, চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদক শহীদুল্লাহ্ রাজু, বাংলাদেশ জালালের প্রতিবেদক শাহনেওয়াজ সুমন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, একুশে টেলিভিশনের প্রতিবেদক মিনাল দিবা, শেয়ারবিজ প্রকাশক শেখ সাজিদ, রেডিও ধ্বনি প্রতিবেদক নেওয়াজ শরীফ, দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন বিভাগের প্রধান মিজানুর রহমান সোহেল, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা সিনিয়র রিপোর্টার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনসহ আরও শতাধিক সাংবাদিক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা।

মন্ত্রিত্ব হারালে সাংবাদিকতায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছে

মন্ত্রিত্ব হারালে সাংবাদিকতায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা (সাংবাদিক) আজকের এমন একটি সুন্দর অনুষ্ঠানকে পত্রিকার শিরোনাম রাজনৈতিক করার জন্য ভিন্ন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনারা প্রাসঙ্গিক না কেন?

এসময় সেতুমন্ত্রী বলেন, আপনারা সাংবাদিকতা করেন, আমিও আপনাদের অগ্রজ। মন্ত্রিত্ব গেলে আমি আবার সাংবাদিকতায় ফিরে আসব।

ছাত্রদলের সম্মেলন বন্ধ নিয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ছাত্রদলের সম্মেলন বন্ধ হয়েছে। নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তাদের বিরুদ্ধে তারা মামলা করে সম্মেলন বন্ধ করেছে। এখানেও শেখ হাসিনার দোষ। যত দোষ নন্দ ঘোষ। এখানে আওয়ামী লীগের দোষ কি?

উল্লেখ্য, পঁচাত্তর পরবর্তীতে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ওবায়দুল কাদের। এরপর আশির দশকে শেখ ফজলুল হক মনি প্রতিষ্ঠিত দৈনিক বাংলার বাণীতে কাজ করতেন তিনি।

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সাহিদুর রহমান,অফিসঃ ২২/১, তোপখানা রোড (৫ম তলা) বাংলাদেশ সচিবালয়ের উত্তর পার্শ্বে, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোনঃ ০১৬১১-৯২০ ৮৫০, ই-মেইলঃ shiromoni67@gmail.com ,ওয়েবঃ www. Shiromoni.com

Social Widgets powered by AB-WebLog.com.