স্বামীকে বেঁধে যৌনাঙ্গ কেটে নিলেন স্ত্রী

আমেরিকার নর্থ ক্যারোলিনার এক নারীকে আটক করা হয়েছে। স্বামীকে বেঁধে যৌনাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

কার্টিরেট কাউন্টি শেরিফের ডেপুটিরা ভিক্টোরিয়া থমাস ফ্রাবুট এবং তার ৬১ বছর বয়সী স্বামী জেমস ফ্রাবুটের নিউপোর্টের বাড়িতে অভিযান চালান। ভোর ৪টার দিকে ডেপুটিরা বাড়িতে প্রবেশ করেন। সেখানে জেমস অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী তাকে বেঁধে যৌনাঙ্গ কেটে দিয়েছে। এক বিবৃতির মাধ্যমে এসব তথ্য জানায় শেরিফের অফিস।

ডেপুটিরা ওই বাড়ি থেকে জেমসের যৌনাঙ্গটি উদ্ধার করেছে। এটাকে বরফে রেখে চিকিৎসা কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জেমসকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তার পরবর্তি অবস্থা জানা যায়নি।

এমন ভয়ংকর ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। স্ত্রী ৫৬ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়ার বিরুদ্ধে স্বামীকে অবপহরণ ও খোজাকরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। এক লাখ ডলার বন্ডের মাধ্যমে তাকে কার্টিরেট কাউন্টি জেলে রাখা হয়েছে। আজই আদালতে নেওয়া হবে তাকে।

সূত্র: ফক্স নিউজ

প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একজন মানুষ আত্মহত্যা করে

বিশ্বে প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একজন মানুষ আত্মহত্যা করে মারা যাচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় ৯০ জন। এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

মঙ্গলবার বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

নতুন এই রিপোর্ট প্রতি ছয় মিনিটে নয়জন মানুষ আত্মহত্যা করে মারা যাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আগের চেয়ে আত্মহত্যার হার হ্রাস পেয়েছে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক ড. তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস বলেন, আত্মহত্যা করে যারা মারা যাচ্ছে তারা পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং সহকর্মীদের জন্য ট্র্যাজেডি। তাই আমরা প্রতিটি দেশকে টেকসই উপায়ে আত্মহত্যা প্রতিরোধে কৌশল অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছি।

ডব্লিউএইচও এর তথ্য মতে, প্রতিবছর ৮ লাখ মানুষ মারা যান শুধু আত্মহত্যায়। সংস্থাটি বলছে, যা ম্যালেরিয়া, স্তন ক্যান্সার বা যুদ্ধ এমনকি হত্যাযজ্ঞের কারণে মারা যাওয়ার চেয়েও বেশি।

বদলে গেল বিকাশ অ্যাপ, থাকছে নানা অফার

আর্থিক লেনদেনে গ্রাহককে আরো সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ তৈরি করে দিতে এলো বিকাশের নতুন অ্যাপ। এ অ্যাপ ব্যবহারকারীদের লেনদেনের ধরন, লাইফস্টাইল এবং লোকেশন অনুযায়ী থাকবে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার পরামর্শ এবং নানা রকমের অফার।

অ্যাপের হোম স্ক্রিনে থাকছে বিকাশের মূল সেবাগুলোর আইকন, গ্রাহকের নিয়মিত লেনদেনের তথ্য, বিকাশের সেরা অফার, কিউ আর কোড স্ক্যান করার সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় সেবা।

বিকাশের নতুন অ্যাপ থেকে নিজের একাউন্ট খুলে লগ-ইন করলেই পাওয়া যাচ্ছে ১০০ টাকা বোনাস। যাদের বিকাশ একাউন্ট আছে কিন্তু কখনও অ্যাপ ব্যবহার করেননি, তাদের জন্যও থাকছে অফার। এমন গ্রাহকরা অ্যাপ ডাউনলোড করে লগইন করলেই পেয়ে যাবেন তাৎক্ষণিক ৫০ টাকা বোনাস।

নতুন গ্রাহক অথবা প্রথমবার অ্যাপ ব্যবহারকারী নিজের অ্যাপ থেকে নিজের মোবাইলে প্রথমবার ২৫ টাকা রিচার্জ করলে পাবেন ৫০ টাকা বোনাস।

যারা আগে থেকেই অ্যাপ ব্যবহার করছেন এমন গ্রাহকদের জন্য অ্যাপেই রয়েছে অসংখ্য আকর্ষণীয় অফার। নির্দিষ্ট সুপারশপ থেকে ১ টাকায় একটি পণ্য কেনাসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যাশব্যাক অফারের তথ্য গ্রাহক তার অ্যাপেই পেয়ে যাবেন।

মায়ের গর্ভেই নির্ধারিত হয় সন্তানের ব্যক্তিত্ব

গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক চাপ সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। এমনকি পরবর্তী জীবনে সন্তানের ব্যক্তিত্বও নির্ধারিত হয়ে যায় গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক অবস্থার ওপর। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কোনো নারী যদি গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকেন তাহলে ঐ সন্তান ৩০ বছর বয়সে পৌঁছানোর আগেই ‘পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার’ বা ব্যক্তিত্ব বৈকল্যে আক্রান্ত হতে পারে। চাপমুক্ত মায়ের তুলনায় মানসিক চাপে থাকা মায়েদের সন্তানের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি ১০ গুণ পর্যন্ত বেশি হতে পারে।

এমনকি গর্ভাবস্থায় মাঝারি মাত্রার মানসিক চাপ যদি দীর্ঘমেয়াদি হয়, তাহলেও সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে মনোবিজ্ঞান বিষয়ক বিখ্যাত সাময়িকী ‘ব্রিটিশ জার্নাল অব সাইকিয়াট্রিতে’।

ফিনল্যান্ডের ৩ হাজার ৬০০ গর্ভবতী নারী ও তাদের সন্তানদের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়। গবেষণায় গর্ভাবস্থায় ঐ নারীদের মানসিক চাপ নিরূপণ করা হয়। পরে তাদের সন্তান জন্ম নেওয়ার পর, ঐ সন্তানদের মানসিক বিকাশের ওপর নজর রাখা হয়। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, গর্ভবতী নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যকে বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়া উচিত। কী ভাবে সন্তানকে বড়ো করা হয়—পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা, শিশু বয়সে সে কোনো সহিংসতা বা অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার হয়েছিল কী না—এগুলোও ব্যক্তিত্বের ওপর প্রভাব ফেলে। ঐ গবেষণায় যুক্ত মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন,গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রভাবও সন্তানের ব্যক্তিত্বে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।

‘পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার’ এমন একটি মানসিক অবস্থা যাতে আক্রান্ত ব্যক্তি নিজের জীবন তো বটেই, অন্যের জীবনেও বড়ো ধরনের সংকট তৈরি করে। এরা অনর্থক এবং অতিমাত্রায় উদ্বিগ্ন হতে পারে, আবেগের ওঠানামার পেছনে কোনো যুক্তি থাকে না, অতিমাত্রায় সন্দেহপ্রবণ হয়ে পড়ে। এমনকি অনেক সময় সমাজ-বিরোধী কাজেও জড়িয়ে পড়ে। এ ধরনের মানুষ প্রায়ই মানসিক চাপে থাকে। অনেক সময় এরা মাদকাসক্তও হয়ে পড়ে।

গবেষণায় অংশ নেওয়া নারীদের গর্ভাবস্থার প্রত্যেক মাসে কিছু প্রশ্ন করে তাদের মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করা হয়। বিশেষ করে মানসিক চাপের মাত্রা নিরূপণের চেষ্টা করা হয়। এই নারীরা ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কি এবং আশপাশে থাকতেন। তারা ১৯৭৫ এবং ১৯৭৬ সালে সন্তানের জন্ম দেন। ঐ সন্তানদের বয়স তিরিশে পৌঁছানোর পর দেখা যায় তাদের ৪০ জনের মধ্যে মারাত্মক ব্যক্তিত্বের সংকট তৈরি হয়েছে। তাদের মানসিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।

যেসব মা গর্ভাবস্থায় দীর্ঘদিন বড়ো রকম মানসিক অস্থিরতার মধ্যে ছিলেন, প্রধানত তাদের সন্তানরাই মানসিক সংকটে পড়েছে। অন্যদিকে যেসব মা গর্ভাবস্থায় কম মানসিক চাপে ছিলেন, তাদের সন্তানদের ব্যক্তিত্ব বৈকল্য অনেক কম হয়েছে। মায়েদের চাপের কারণগুলোর মধ্যে ছিল:সম্পর্কের সংকট, সামাজিক বা মনস্তাত্ত্বিক সংকট ইত্যাদি।

ব্রিটেনের রয়্যাল কলেজ অব সাইকিয়াট্রিস্টের অধ্যাপক ড. ট্রুড সিনিভারত্নে বলেছেন, গর্ভধারণ করলে অনেক নারীর মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। এই সময়ে তাদের জন্য অনেক সাহায্য জরুরি। যদি এই মানসিক চাপ ঠিকমতো নিরসন না করা হয়, তার পরিণতি দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে, তাদের জন্য এবং সন্তানদের জন্য। ড. সিনিভারত্নে বলেছেন, গর্ভবতী নারীদের অবশ্যই বাড়িতে এবং কাজের জায়গায় সাহায্য করতে হবে। চাপ তৈরি হলে, কী ভাবে সে তা সামলাতে পারে—সে ব্যাপারে তাকে পরামর্শ দিতে হবে। -বিবিসি

পাশ্চাত্য ধাঁচের পোশাকে শপিং মলে সৌদি নারী

সৌদি আরবের রাস্তায় খোলামেলা পাশ্চাত্য ধাঁচের পোশাক পরে চলাচল করা কঠিন। তারপরেও ক’জন সৌদি নারীর চলাচল ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

তাদের মধ্যে একজন হলেন- মাশায়েল আল-জালোদ। সম্প্রতি তিনি সাদা টপসের উপরে কমলা রঙের জ্যাকেট পরেন। সঙ্গে পরেন সাদা ট্রাউজার ও হাই হিল। খোলো চুলে এভাবেই রিয়াদের শপিং মল ঘুরে বেড়িয়েছেন।

৩৩ বছর বয়সী মাশায়েল রিয়াদে একটি সংস্থার মানব সম্পদ বিভাগে কাজ করেন। সেই সঙ্গে নিজের মতো করে চালিয়ে যাচ্ছেন মানবাধিকার রক্ষার লড়াই। রাস্তায় এভাবে তাকে হাঁটতে দেখে পথচারীরা ভেবেছিলেন, তিনি কোনো তারকা হবেন।

টপস পরা মাশায়েল। ছবি: সংগৃহীত

মাশায়েল ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রোকে বলেছেন, তিনি স্বাধীনভাবে বাঁচতে চান। তাই এখন বোরকা পরা ছেড়ে দিয়েছেন। এ জন্য তাকে অনেকে বাঁকা চোখে দেখছেন। ফলে ধর্মীয় উগ্রবাদীদের হাতে আক্রমণের শিকার হতে পারেন বলেও জানান মাশায়েল।

তিনি আরো জানান, জুলাইয়ে একবার বোরকা ছাড়া রিয়াদের বকেটি শপিং মলে প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে সময় তাকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

এর আগে মানাহেল আল-ওতাইবি নামে আরেক সৌদি নারী বোরকা ছাড়াই প্রকাশ্যে রাস্তায় চলাচল করেন। গত চার মাস ধরে তিনি রিয়াদে বোরকা ছাড়া চলাফেরা করছেন বলে জানান।

মানাহেল বলেন, স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে চাই। আমি যা পরতে চাই না, সেটা আমাকে কেউ পরাতে পারবে না।

রক্ষণশীল সৌদি আরবের রাস্তায় বের হতে হলে মেয়েদের আবায়া বা বোরখা পরা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এই নিয়ম ওই নারীরা না মানায় তাদের ‘বিদ্রোহী’ সৌদি নারী হিসেবে উল্লেখ করছে পাশ্চাত্যের গণমাধ্যম।

এদিকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি নারীদের পোশাকের বিধি-বিধান শিথিল করার কথা বলেছিলেন।

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সাহিদুর রহমান,অফিসঃ ২২/১, তোপখানা রোড (৫ম তলা) বাংলাদেশ সচিবালয়ের উত্তর পার্শ্বে, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোনঃ ০১৬১১-৯২০ ৮৫০, ই-মেইলঃ shiromoni67@gmail.com ,ওয়েবঃ www. Shiromoni.com

Social Widgets powered by AB-WebLog.com.