আ’লীগের মনোনয়ন ফরম কিনতে তারকা ভিড়

অনলাইন ডেস্ক : একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিনোদন জগতের বিভিন্ন পর্যায়ের একঝাঁক তারকা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কিনেছেন।

তারকাদের মধ্যে গত দুদিনে যারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তারা হলেন- সাবেক সংসদ সদস্য সারাহ বেগম কবরী, চিত্রনায়িকা মৌসুমী, সুজাতা, ফালগুনী হামিদ, সুবর্ণা মুস্তাফা, অঞ্জনা, দিলারা, অরুণা বিশ্বাস, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, শাহনূর, অপু বিশ্বাস, তারিন জাহান ও জ্যোতিকা জ্যোতি।

এই তারকাদের প্রায় সবাই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের মনোনীত বিভিন্ন প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাদের অনেকেই আওয়ামী লীগ ও সরকারের ধারাবাহিকতার পক্ষে ভিডিও পোস্ট করেছিলেন।

মনোনয়নপ্রত্যাশী তারকাদের বিষয়ে বুধবার ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম এবং ত্যাগ-তিতিক্ষা ছাড়াও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরাও নির্বাচন সামনে রেখে কাজ করেছেন। তারা সারা দেশে ভালো ভূমিকা রেখেছেন। তাদেরও মূল্যায়ন করতে হবে।

শ্বশুর জিএম কাদেরের ভোট চাইলেন অভিনেতা মাহফুজ

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের জন্য ভোট চেয়েছেন তাঁর জামাতা অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ। বৃহস্পতিবার লালমনিরহাট-৩ (সদর) সংসদীয় আসনে বেশ কয়েকজন অভিনেতাসহ তিনি শ্বশুরের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালান।

মাহফুজ আহমেদের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন অভিনেতা আজিজুল হাকিম, বিজরী বরকত উল্লাহ, তানভিন সুইটি, শাহরিয়ার নাজিম জয়, মীর সাব্বির, সাজু খাদেম প্রমুখ। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পীরাও এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

ট্রাকের ওপর ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ বানিয়ে এই নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে লালমনিরহাট শহরের পুরান বাজার থেকে তাদের প্রচারণা শুরু হয়। পরে তাদের ট্রাক জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়, গোশালা বাজার রোড, পৌর মার্কেট, ফায়ার ব্রিগেড রোড, শেখ শফিউদ্দিন কমার্স কলেজ রোড, দোয়েল গেস্টহাউস রোড, মিশন মোড় হয়ে লালমনিরহাট শহর অতিক্রম করে মোগলহাট ইউনিয়নের মোগলহাট বাজার, মেঘারাম বাজার হয়ে ভাটিবাড়ী বাজারে এসে থামে। এর আগে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে মাহফুজ আহমেদসহ তাঁর সঙ্গীদের স্বাগত জানান সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ জেলা মহিলা লীগের সভানেত্রী সফুরা বেগম রুমি। এ সময় তাঁর সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সফুরা বেগম এ সময় মাহফুজের হাতে একটি প্রতীকী কাঠের লাঙল তুলে দেন।

মাহফুজ আহমেদ প্রচারণায় বলেন, ‘আমি আপনাদের এলাকার রাজনীতিবিদ এবং সফল সাবেক মন্ত্রী জিএম কাদেরের জামাতা। সে হিসাবে আমি আপনাদের এলাকার জামাই। জামাই হিসাবে আমি ভোটারদের কাছে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও শান্তির জন্য আগামী ৩০ ডিসেম্বর লাঙল প্রতীকে ভোট দিয়ে তাঁকে আবারও এমপি নির্বাচিত করে কাজ করার সুযোগ দিতে আহ্বান জানাই।’

প্রচারণার সময় অভিনেতাদের দেখার জন্য লালমনিরহাট শহরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোতে ভিড় করেন, অনেকে সেলফি তোলে, ভিডিও করে।

আ.লীগ দেউলিয়া হয়ে নায়িকাদের ওপর ভরসা করছে

অনলাইন ডেস্ক :   আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, একটি দল কতটা দেউলিয়া হলে সিনেমার নায়ক-নায়িকাদের ওপর ভরসা করতে হয়। তিনি বলেন, আমরা সিনেমার হিরোইনদের দেখি টাকা দিয়ে, তাদের দেখে ভোট দেবো না।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘যেখানে জিয়াউর রহমান ও কাদের সিদ্দিকী, সেখানে স্বাধীনতা আছে। কামাল, রব, মান্না যেখানে আছেন, এর চেয়ে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি আর কোথায় আছে?’

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি এসব কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পেশাজীবীদের করণীয়’ শীর্ষক এ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণফোরামের সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান, ড্যাব সভাপতি ডা. আজিজুল হক। সভাপতিত্ব করেন ড্যাবের সদস্য সচিব ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

ড. কামাল হোসেন বলেছেন, যারা আমাদের ভয়-ভীতি দেখাতে চায়, তারা আহাম্মক। আমাদের বন্দুকের ভয় দেখাও? আসো সামনাসামনি। হুমকিদাতারা কাপুরুষ, তারা শহীদদের অপমান করছে। তারা (পাকিস্তানের শাসক) ইয়াহিয়ার উত্তরসূরী।

তিনি বলেন, আমরা প্রজা নই। আমরা নাগরিক। স্বাধীন দেশের মানুষ কেউ প্রজা নয়। তারা নাগরিক। নাগরিকের দায়িত্ব আছে, কর্তব্যও আছে। আমাদের যেন কেউ আর প্রজা বলতে না পারে, তার জন্য ৩০ তারিখ ভোটের মাধ্যমে ওদের দেখিয়ে দিতে হবে।

সরকারি দলের উদ্দেশে ড. কামাল হোসেন বলেন, সাহস থাকেতো সামনে আসেন। চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, আসো সামনাসামনি। কয় লাখ লোক মারবে? সব মানুষ মারতে পারবা না।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি তৈরি হোন, আপনার আমলনামা তৈরি হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর জনগণের সামনে খোদা সেই আমলনামা উন্মুক্ত করে দেবেন। আমলনামার দিনই হবে চূড়ান্ত খেলা, যে খেলায় চোরদের পরাজয় হবে।

শামীম থেকে মোশাররফ করিম

অনলাইন ডেস্ক ঃ ডাক নাম ছিল শামীম। এই নামেই চিনতেন পরিবার, বন্ধু এবং কাছের মানুষেরা। এখনো চেনে। তবে সেটা ছাপিয়ে সারা দেশের মানুষের কাছে তিনি মোশাররফ করিম। শামীম থেকে কীভাবে হয়ে গেলেন মোশাররফ করিম?

বললেন, ‘আমার ডাক নাম শামীম। আর সার্টিফিকেট নাম মোশাররফ হোসেন। আমার বাবার নাম আব্দুল করিম। বাবা মঞ্চে অভিনয় করতেন। কিন্তু তাঁর অভিনয় দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তাঁর আবৃত্তি শুনেছি। দারুণ দরাজ গলা ছিল বাবার। আমি যখন পুরোপুরি অভিনয় শুরু করি, তখন মনে হয় বাবার কিছু একটা আমার সঙ্গে থাকুক। এই ভাবনা থেকেই তাঁর নামের একটা অংশ নিজের নামের সঙ্গে লাগিয়ে নিই। পুরো নাম হয়ে যায় মোশাররফ করিম। তারপর থেকে এই নামেই পরিচিত হয়ে যাই।’

জানালেন, ২০০৩–০৪ সালের দিকে পুরোদমে টেলিভিশন নাটকে অভিনয় শুরু করেন তিনি। ক্যারাম নাটকটি জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। ওই সময়টাতেই বদলে ফেলেন নাম। তার আগে থিয়েটারের মানুষও তাঁকে চিনত মোশাররফ হোসেন নামে। কেউ কেউ ডাকতেন শামীমও। এখনো পরিবারের সবাই তাঁকে শামীম নামেই ডাকেন।

অভিনয় থেকে অভিনয়

মোশাররফ করিমের ভাষায়, আক্ষরিক অর্থেই ছোটবেলা থেকে অভিনয়ই তাঁর জীবন। তখন যাত্রায় অভিনয় করতেন। একদম পেশাদার যাত্রাপালা। লোকে টিকিট কেটে সেই যাত্রাপালা দেখত। তারপর এলেন থিয়েটারে। এখন টেলিভিশনে। বলেন, ‘আমার কাছে থিয়েটার হচ্ছে এমন জায়গা, যেখানে অভিনয় করতে, এমনকি যেকোনো কাজ করতেই ভালো লাগত। আমার মনে হতো, আমি একটা দারুণ কাজ করছি। একজন কবি বা লেখক একটা লাইন বা কবিতা লেখার পর যে আনন্দটা পান, মঞ্চ তো আমাকে প্রতিদিন সে আনন্দ দিত। ১৯৯০ সালে থেকে সেই অনুভূতি নিয়ে আমি বড় হয়েছি।’

নাট্যকেন্দ্রের নাম তখনো ঠিক করা হয়নি। শুরু হয়েছে ফরম বিতরণ। প্রায় চৌদ্দ–পনেরো শ ছেলেমেয়ে ফরম সংগ্রহ করেছিলেন সেবার। সবাইকে ধাপে ধাপে ডাকা হলো। তাঁদের মধ্যে এখনকার জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান ও মোশাররফ করিমও ছিলেন। সাক্ষাৎকারের স্মৃতি মনে করে মোশাররফ বললেন, ‘আমাদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন হুমায়ুন ফরীদি ও তারিক আনাম খান ভাই। ফরীদি ভাই জানতে চাইলেন, ঢাকায় আমি কী কী নাটক দেখেছি। প্রিয় লেখক কে? যত দূর মনে পড়ে প্রিয় লেখকের নামের জায়গায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলেছিলাম।’ তারপর মঞ্চে প্রথম অভিনয় করেছেন বিচ্ছু নাটকে। একে একে নাট্যকেন্দ্রের অনেক নাটক নিয়েই মঞ্চে উঠেছেন আজকের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম।

উড়ে বেড়ানো জীবন

পুরোদস্তুর অভিনেতা হওয়ার আগে শিক্ষকতা করেছেন মোশাররফ করিম। তবে সেটা টিউশনি ও কোচিং সেন্টারের শিক্ষক। এর আগে খণ্ডকালীন জরিপের কাজ করেছেন। হয়েছিলেন এইডসবিষয়ক ক্যাম্পেইনের একজন সমন্বয়কারী। করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী পোস্টার ডিজাইন।

মজা করে জুতা দেখে ভাগ৵ বলে দিতে পারতেন মোশাররফ করিম। একটা মজার জীবন পার করে এসেছেন উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি মাঝেমধ্যে ভাবি, তখন কি আমি খুব কষ্টে ছিলাম, খারাপ সময় যেত আমার? আমি সেটা খুঁজে পাই না। আমার কাছে তো মনে হয় ওটা একটা দুর্দান্ত জীবন ছিল আমার। অনেক বেশি মুক্ত ও স্বাধীন জীবনযাপন ছিল। অর্থ মানুষের জীবনে জরুরি, কিন্তু খুব যে জরুরি, এটা বলব না। বেঁচে থাকার জন্য যতটা জরুরি, সেটা হলেই তো যথেষ্ট। টাকা এলে খরচ করবে, এটাই স্বাভাবিক, টাকার জন্য জোরজবরদস্তির কিছু নেই।’

টাকার প্রশ্ন আসতেই জানতে চাই, কিন্তু আপনাকে নিয়ে একটা অভিযোগ আছে, নাটকে সবচেয়ে বেশি সম্মানী আপনি পান। নাটকের অর্ধেক বাজেট আপনাকে সম্মানী হিসেবে দিতে হয়। ‘আমার সম্মানী কিন্তু আমি বাড়াইনি। আমি কোনো দিনই বলিনি আমাকে এত টাকা দাও। আমার সম্মানী বাড়িয়েছেন প্রযোজক ও পরিচালকেরা। এটাও তো সত্য, আমার অভিনীত নাটক বেশি দামে বিক্রিও হয়। সবকিছুরই একটা ব্যালেন্স করতে হবে।’ বলেন মোশাররফ করিম।

কেন এত জনপ্রিয় মোশাররফ?

টেলিভিশন নাটকের এ সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। এটা নতুন তথ্য নয়। কয়েক বছর ধরেই এই জায়গাটা পাকাপোক্ত করে ধরে রেখেছেন তিনি। কোথাও হাঁটলে, দাঁড়ালে বোঝা যায় তাঁর জনপ্রিয়তা কতটা। জানতে চাই, মোশাররফ করিম এত জনপ্রিয় কেন? সেই উত্তর তিনিও দিতে পারলেন না। ‘আমি ঠিক জানি না কেন মানুষ আমাকে পছন্দ করেন। সৃষ্টিকর্তা ভালো বলতে পারবেন। অনেক সময় কাজ করে নিজের তৃপ্তি আসে না। মনে হয়, আরও ভালো করা যেত হয়তো। সেই জায়গা থেকে এত জনপ্রিয়তার জন্য সৃষ্টিকর্তা ও ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

শেষ প্রশ্ন হিসেবে জানতে চাই, অনেকেই মোশাররফ করিমের মতো হতে চায়। তাদের জন্য আপনার বক্তব্য কী?

‘আমার প্রথম কথা হলো, মোশাররফ করিম হওয়ার চেষ্টা না করা। কারণ এই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ আলাদা। সবার মধ্যেই সূক্ষ্ম কোনো গুণ নিশ্চয়ই রয়েছে। সেটা বের করে প্রকাশ করা জরুরি। মাথায় রাখতে হবে, কাঁঠাল কিন্তু চৈত্র মাসে বলে না, আমি কেন পাকি না। প্রকৃতির নিয়মে সে জ্যৈষ্ঠ মাসেই পাকবে। একমাত্র মানুষই চৈত্র মাস অর্থাৎ অসময়ে চিৎকার করে। আমি পাকি না কেন? তাই সময়মতো ভালোবাসা দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। নিশ্চয়ই তুমি জ্বলে উঠবে।’

স্বামীর নাম পরিবর্তন করলেন মমতাজ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হওয়ার আগের দিন জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন হলো আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়া সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমের।

তিনি স্বামীর নাম, নিজের ইংরেজি নাম ও শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন করেছেন। তবে স্বামীর নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তালাকনামাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেননি।

মঙ্গলবার এই সংশোধনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সংশোধনীর আগে জাতীয় পরিচয়পত্রে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে মনোনয়ন পাওয়া মমতাজ বেগমের স্বামীর নাম ছিল মো. রমজান আলী। পরে তার স্বামীর নাম দেন  এ. এস. এম মঈন হাসান।

আর মমতাজের শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণির পরিবর্তে দশম শ্রেণি এবং ইংরেজি নাম MOMTAZ BEGUM-এর পরিবর্তে MOMTAZ BEGOM অনুমোদন দিয়েছে ইসি।

ইসির একটি নোটে বলা আছে, স্বামীর নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর আগের স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত কোনো কাগজাদি (যেমন তালাকনামা, স্বামীর এনআইডি কার্ডের কপি ইত্যাদি) সংযুক্ত করা হয়নি।

জাতীয় পরিচয়পত্র ও সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত (সংশোধন, যাচাই ও সরবরাহ) প্রবিধানমালা-২০১৪ অনুযায়ী, বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এক বা একাধিক বৈধ প্রমাণ বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বিয়ের নিবন্ধনের সনদ, হিন্দু ও অন্য ধর্মাবলম্বীদের ক্ষেত্রে বিয়ের নিবন্ধন না হয়ে থাকলে (উভয় পক্ষের) প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এফিডেভিট, সন্তানের শিক্ষা সনদ ও আইডি কার্ড, বিবাহ বিচ্ছেদ নিবন্ধন সনদ, স্বামী/স্ত্রীর মৃত্যু সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং অন্য বৈধ প্রমাণাদি।

ইসির ওই নোটে বলা হয়, মমতাজের চাহিত ইংরেজি নামের বানান দাখিল করা পাসপোর্টে লিপিবদ্ধ নামের বানানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হলেও পাসপোর্টের কপিতে স্বামীর নাম (spouse name)-NA (প্রযোজ্য নয়) উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষাগত যোগ্যতার স্বপক্ষে জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরিত প্রশংসাপত্র দাখিল করেছেন। পাশাপাশি তিনি বিয়ের সনদ দাখিল করেছেন এবং উক্ত সার্টিফিকেটে চাওয়া স্বামীর নামের মিল রয়েছে।

বর্ণিতাবস্থায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসারে আবেদনকারী ও সংসদ সদস্য বেগম মমতাজ বেগমের নিজ নাম (ইংরেজি), স্বামীর নাম ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের জন্য নথি উপস্থাপন করা হলে, তা অনুমোদন দেয় ইসি।

২৬ নভেম্বর মমতাজের আবেদনে স্বাক্ষর করেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, পরিচালক (অপারেশন্স), উপপরিচালক, বৈধ ও সঠিকতা যাচাইকরণের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সরওয়ার হোসেন। ২৭ নভেম্বর স্বাক্ষর করেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, কবিতা খানম, মো. রফিকুর ইসলাম ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।

তালাকনামা, স্বামীর এনআইনডি কার্ডসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে পারেননি সাংসদ মমতাজ বেগম। এগুলো ছাড়া তিনি আইডি কার্ড পেতে পারেন কি না জানতে চাইলে কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, যে স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছে, সেই স্বামীর আইডি কার্ড দেওয়ার ক্ষমতা আছে কোনো বউয়ের?

তবে এর আগে ২৩ অক্টোবর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক (মানবসম্পদ ও প্রশিক্ষণ) মোছাম্মৎ সিরাজুম মনিরা চৌধুরী সই করা চিঠিতে বলা হয়, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত জাতীয় পরিচয়পত্র সেবাসংক্রান্ত সব কার্যক্রম (অন্তর্ভুক্তি, সংশোধন ও স্থানান্তর) বন্ধ থাকবে।

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সাহিদুর রহমান,অফিসঃ ২২/১, তোপখানা রোড (৫ম তলা) বাংলাদেশ সচিবালয়ের উত্তর পার্শ্বে, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোনঃ ০১৬১১-৯২০ ৮৫০, ই-মেইলঃ shiromoni67@gmail.com ,ওয়েবঃ www. Shiromoni.com

Social Widgets powered by AB-WebLog.com.