সৌদিতে চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ‘জয়যাত্রা’

রং তুলির রং নয় !

জে আই সমাপ্ত : রং তুলির ছোঁয়ায় সাজিয়ে তোলা হয়নি; এতো রংতুলির রং নয়! রাস্তায় পরে থাকা ইটের টুকরো, কয়লা আর সাদা চক দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। কারও সাথে কোন প্রকার কথা না বলেই মনের মত নকশা করে নানা রকম উপদেশ মূলক কথা লিখেই চলছে তৃতীয় লিঙ্গের এ মানুষটি তার ব্যতিক্রম প্রতিভার মধ্যদিয়ে।

এই মানুষটির সাথে অনেকেই কথা বলার চেষ্টা করলেও তার মুখ থেকে একটিও কথা শুনতে পারেন নি কেউই। তবে তার কাছে যদি কারো কোন প্রশ্ন থাকে আর তা যদি কাগজে লিখে দেয়া হয় তবেই উত্তর মেলে। তার ঠিকানা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ইটের টুকরো, কয়লা আর সাদা চক দিয়ে তৈরী নকশার মাঝে লিখে দেন- “বাড়ী ছিল মোড়ল গঞ্জ, বিশাল এক নদীর কুলে, জেলা বাগেরহাট। বসত বাড়ী সয়, সম্পত্তি সব খেয়ে নিয়েছে, নিষ্ঠুর নদীতে।”

একাধিকবার প্রশ্ন করার মধ্যদিয়ে জানা যায়, তিনি ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিক পাশ করেন। তৃতীয় লিঙ্গের একজন মানুষ। বর্তমান তার এ পৃথিবীতে আপন বলতে কেউ নেই তিনি একা আর বর্তমান জীবন ঠিকানা বিহীন। আজ এ জেলায় কাল অন্য আর এক জেলায়। এভাবে যেখানে মন চায় সেখানেই তিনি অবস্থান নেন এবং তার ব্যতিক্রম প্রতিভার মধ্যদিয়ে মানুষকে নানা রকম কথা জানান- ‘জগতের সব মানুষ সমান না, সব মানুষও মানুষ না’।

তাহসানের সঙ্গে বিয়ের গুজব যা বললেন শাওন

সম্প্রতি নববধূর সাজে দেখা গেছে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে।

যদিও গুজব যেন না রটে সেই উদ্দেশে শাওন জানিয়েছিলেন, বাস্তবে নয়; একটি ব্রাইডাল ফটোশুটে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। আর নববধূর সেই সজ্জার ছবিগুলোই পোস্ট করা হয় জাহিদ খান ম্যাকওভারের ফেসবুক পেজে।

এর পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে কথাটি ছড়ানো হচ্ছে, তা হলো– জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতা রহমান খানের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন শাওন।

এ নিয়ে কিছু্ ইউটিউব ভিডিও তৈরি করে ছড়ানো হয়েছে নেটদুনিয়ায়। আর অনেকেই না বুঝে গোগ্রাসে গিলছেন তা।

কেননা সম্প্রতি তাহসানের সাবেক স্ত্রী মিথিলা কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিকে বিয়ে করেছেন। যে খবরে এখনও মেতে আছেন শোবিজপ্রেমীরা।

আর সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে এসব তাহসানকে ঘিরে শাওনের এমন মুখরোচক গল্প ছড়ানো হচ্ছে।

ইতিমধ্যে সেসব ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় তুলেছে। আর এতে মহাবিরক্ত হয়ে এসব ভিডিও মেকারকে ‘ছাগল’ সম্বোধন করে একহাত নিয়েছেন শাওন।

শনিবার রাতে এমনই একটি ভিডিও নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে অনুভূতিতে শাওন লিখলেন– ‘ছাগলদের হাতে ইউটিউব’।

এ ছাড়া তিনি ওসব গুজব রটানোকারীর উদ্দেশে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

মেহের আফরোজ শাওন ফেসবুকে লিখেছেন– ‘গতকাল থেকে মনটা খুব খারাপ ছিল। একটু আগে ইনবক্সে পাঠানো এই ইউটিউব কন্টেন্টের হেডলাইন দেখে এত্ত বড় সাইজের একটা ভিমড়ি খেয়েছি যে আগামী দুদিন কিছু না খেলেও চলবে।’

তিনি আরও লিখেছেন– ‘ভিডিওটা দেখার ইচ্ছাও হয়নি। ভেতরে যে ফালতু কিছু থাকবে তা বুঝতে পারছি বটে। তবে দুপাশে দুজনের ছবি, মধ্যখানে লাল হৃৎপিণ্ড আর পেছনে হাতের ওপরে হাত, কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের কল্পনাশক্তির উচ্চতা দেখে একা একা হেসেই যাচ্ছি।’

প্রসঙ্গত ২০০৫ সালে বাংলাসাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। নিশাদ হুমায়ূন ও নিনিত হুমায়ূন নামে শাওন-হুমায়ূন দম্পতির দুই ছেলে রয়েছে। হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর আর কোনো সম্পর্কে জড়াননি শাওন। দুই ছেলেকে নিয়েই তার বর্তমান জীবন কেটে যাচ্ছে।

এদিকে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট মিথিলার সঙ্গে বন্ধনে আবদ্ধ হন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তাহসান খান। টানা ১১ বছর সংসারের হঠাৎই সেখানে ভাঙন ধরে। ২০১৭ সালের ২০ জুলাই তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এ জুটির ঘরে আইরা তাহরিম খান নামে এক সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিকে বিয়ে করে ফের সংসারি হয়েছেন মিথিলা। এদিকে গান ও কাজ নিয়েই বেঁচে থাকতে চান বলে জানিয়েছেন তাহসান।

আবরার হত্যা নিয়ে যা বললেন তারকারা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। এর প্রভাব পড়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতেও। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এই হত্যাকাণ্ড শোবিজ অঙ্গনের তারকাদেরও আবেগঘন করে তুলেছেন।

এমন ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন আবার কোনও কোনও তারকা অন্যের স্ট্যাটাস নিজের ওয়ালে শেয়ার করেছেন। এদের মধ্যে আছেন সংগীত শিল্পী আসিফ আকবর, অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওন, জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ আরও অনেক তারকা।

আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ফেসবুকে মঙ্গলবার দুপুরে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওন। তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ‘৬৯ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন আমার বাবা। সারাজীবন তার মুখে গর্বের সাথে উচ্চারিত হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হবার স্বপ্ন ছিল আমারও। ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম তোলার সময় ঢাকার বাইরে থাকায় পরীক্ষা-ই দিতে পারিনি আমি! সেই দুঃখ ভোলার জন্য প্রায়ই ভেবেছি পুত্রদ্বয়ের যেকোনো একজন যেন এই মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হতে পারে।

এই প্রতিষ্ঠানের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ছাত্র ছিল আবরার। আবরার এর কথা ভাবি আর আমার পুত্রদ্বয়ের মুখের দিকে তাকাই। আমার বুক কাঁপে। বাচ্চা দু’টোর পিঠ হাত-পা’র উপর হাত বুলিয়ে দেই। ছোটবেলায় এরকম ছোট ছোট হাত পা-ই তো ছিল আবরারের! তার মা কতরাত পিঠে হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে তাকে! একেকটা আঘাতে ছেলেটা কি ‘মা গো’ বলে চিৎকার দিয়েছিল? ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনী ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মা’এর কথা মনে পড়েনি! ঠিক কতবার.., কতক্ষণ ধরে.., কতটুকু আঘাত করলে ২০/২১ বছরের একটা তরুণ ছেলে মরেই যায়! আমি আর ভাবতে পারি না।

ফেসবুকে আবরারের পিঠটার ছবি দেখলাম। কি ভয়ংকর! কি নৃশংস! কি কষ্ট! এই ছবিটা যেন তার বাবা-মা’র চোখে না পড়ে। ভুল বলেছি। আবরারের বাবা, আবরারের মা তাদের বাবুটার ক্ষতবিক্ষত পিঠে হাত বুলিয়ে যেন অভিশাপ দেন মানুষের মতো দেখতে খুনী অমানুষগুলোকে। তাদের অভিশাপে যেন ধ্বংস হয়ে যায় এই অসুস্থ সমাজ।

সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘নুসরাতকে ভুলে গিয়েছি, আবরারকেও ভুলে যাব, বিচার চাই বলে লাভ আছে কিনা জানি না তবুও, বিচার চাই।’

নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী লিখেন, বুয়েটের নিউজটা মাত্র দেখলাম। দেখে গলাটা শুকাইয়া গেলো। এই সমাজইতো আমরা সবাই মিলে বানাচ্ছি, নাকি? যেখানে আমার মতের বিরোধী হলে তাকে নির্মূল করা আমার পবিত্র দায়িত্ব। আমাদের সামাজিক-রাজনৈতিক-ধর্মীয় নেতারা সবাই মিলে তো এতো বছর এই কামই করছি, এই ভাবেই একটা প্রজন্ম বানাইছি! আর আমাদের এই নির্মূলবাদী মন বানানো হইছে বাংলার বুদ্ধিজীবীদের ওয়ার্কশপে! তাই আমি তোমাদের অভিশাপ দেই! আমি অভিশাপ দেই কারণ তুমি এই ঘৃণা আর নির্মূল তত্ত্বকে মহৎ বানিয়ে প্রচার করেছো দেশের নামে, জাতীয়তার নামে, ধর্মের নামে, লিঙ্গের নামে, আমার নামে, তোমার নামে! আমি অভিশাপ দেই তাদের যারা আমাদের সমাজটাকে এই জায়গায় এনে দাঁড় করালো যেখানে অপ্রিয় কথা বলার জন্য সহপাঠীকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়! আমি অভিশাপ দেই! অভিশাপ দেই! অভিশাপ দেই! কারণ আমার কিচ্ছু করার ক্ষমতা নাই, কেবল অভিশাপ দেয়া ছাড়া!

জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবর জাহারা মিতুর স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন, যে পিতার কাঁধ, বইছে অগাধ, পুত্রের লাশ, যে মায়ের চোখ, সমুদ্র শোক, কন্যার শ্বাস। সে বাবার বুক, মৃত্যু অসুখ, বেদনার বিষে, সে মায়ের কোল, শূন্য আঁচল, ভরে যাবে কীসে! জানেনা কী খুনী, ঘৃণা কতখানি, রক্তের স্বাদে, কতখানি শ্বাস, বইছে বাতাস, অভিশাপ বাদে! কতটুকু আর, এ ব্যথার ভার, সইবে আকাশ, কতটুকু ঘৃণা, সইতে পারেনা, জানবে বাতাস! তারপরও যদি, রক্তের নদী, লাশে ভাসে, ভাসুক, মানুষের মন, মরেছে যখন, দিকে দিকে মৃত্যু আসুক!

উপস্থাপিকা মারিয়া নুর আবরার ফাহাদের বাবার একটি ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, এখন বাংলাদেশ এটাই।

প্রখ্যাত গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ লেখেন, ‘আবরার ফাহাদ দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের ছাত্র। সে ঢাকা মেডিকেলেও চান্স পেয়েছিল। ঘুমানোর আগে অন্ত্যত একটা প্রতিবাদ করে ঘুমান। আমাদের বাচ্চারাও বড় হচ্ছে…।’

নাট্যকার মাসুম রেজা লেখেন, ‘কান্দিগো মা, কান্দি পিতা, কাঁদিয়া জুড়াই প্রাণ/কবরে শুইয়েছো যারে সেতো আমাদেরও সন্তান’।

নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী লেখেন, ‘শুভ বিজয়ার এই দিনে মন ভালো নেই। বনানী ছাড়া কোথাও যাইনি, কোথাও না। শুধুই মনে হচ্ছে, এই ছেলেটি (আবরার) আমার সন্তান হতে পারতো। প্লিজ মতের মিল না হলে আমাকে মেরে ফেলেন না,আমাদের সন্তানের উপরেও এই কাজ করেন না। প্লিজ। মা বাবারা সহ্য করতে পারেন না। আমি লজ্জ্বিত, ভীত। সকল সন্তান নিরাপদ থাকুক।’

নির্মাতা রেদওয়ান রনি লেখেন, ‘এ কোন বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছি আমরা? ভিন্নমত হলেই পিটিয়ে মেরে ফেলবেন? অতি উৎসাহী জানোয়ারগুলো দেশের কত বড় ক্ষতি করছে জানে? দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই, অবিলম্বে …।’

অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ লেখেন, ‘আবরার … ছেলে টা মিম (আমার ভাই) এর বয়সি। যতোবার ওর নিউজ পড়ছি, আবরার এর জায়গায় আমার ভাইটার চেহারা দেখেছি। অসুস্থ লাগছে এখন।’

সঙ্গীতশিল্পী কোনাল লেখেন, ‘দুবাই ট্রানজিটে বসে চোখে পড়লো নিউজফিড জুড়ে আবরারকে নিয়ে হাহাকার। বিভিন্ন পোর্টালে চোখ বুলাতেই আমি স্তব্দ! দেশে ফেরার আকুতিটা কেমন যেন ম্লান হয়ে গেল…! আমরা মানুষ হয়ে আর কত অমানুষ হবো?’

চিত্রনায়ক জায়েদ খান লেখেন, ‘যার সন্তান আছে শুধু তারাই কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারবেন। দুঃখিত বাবা। আফসোস মানবতা কোথায়…!’

কার জন্য রান্না করছেন সালমান?

রান্না করতে দেখা যাচ্ছে বলিউড ভাইজান সালমান খানকে। রাঁধুনির পোশাক শরীরে জড়িয়ে গ্যাস ওভেন জ্বালাতে দেখা যাচ্ছে তাকে। সেই ছবিই রীতিমতো ভাইরাল নেট দুনিয়ায়। কার জন্য রান্না করছেন সালমান? কোনো সিনেমার শুটিং? নাকি কোন অতিথির জন্য রান্না?

আসলে এটি জনপ্রিয় শো বিগবসের শুটিংয়ের একটি স্থির চিত্র। বিগবসের শুটিং শুরু হয়েছে সম্প্রতি। সেখানেই খিচুরি রান্না করেছেন সালমান। বিগবসের সিজন ১৩ চলবে এবার। বরাবরের মতো এবারও এর সঞ্চালক হয়েছেন ‘বলিউডের ভাইজান’ সালমান। বিগবসের শুটিং শুরু

যদিও বিগবসের এবারের মৌসুমে সঞ্চালনায় আসতে চাইছিলেন না সালমান। দীর্ঘদিন হ্যা আর না এর মধ্যে দিয়েই যেতে হয়েছে। কিন্তু ভাইজান ছাড়া কি বিগবস জমেবে? তাই থাকছেন সালমানই। অবশ্য এর জন্য বেশি খরচ দিতে হয়েছে তাকে। তার পরিমাণ ৪০০ কোটি রুপি!

বিগবসের এবারের সিজনে  প্রতিযোগী হিসাবে ঠিক কাদের দেখা যাবে তা স্পষ্ট না জানা গেলেও শোনা যাচ্ছে রাজপাল যাদব, দেবলীনা ভট্টাচার্য, সিদ্ধার্থ শুক্লা, মাহিকা শর্মা, মেঘনা মালিক, পবিত্র পুনিয়া, আরতি সিনহার নাম।

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশক : সাহিদুর রহমান, অফিস : ৪৫, তোপখানা রোড (নীচতলা)পল্টন মোড়, ট্রপিকানা টাওয়ার, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোন : ০১৯১১-৭৩৫৫৩৩। ই-মেইল : shiromonimedia@gmail.com,ওয়েব : www.shiromoni.com

Social Widgets powered by AB-WebLog.com.