সৈয়দপুরে রেইনবো ওয়েডিং ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান এর উদ্দোগে একশত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ”

মোঃ আমির হোসেন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি,
সারাদেশে করোনা ভাইরাস এর কারণে যখন সব কিছু লক ডাউন মানুষ ঘরের বাহিরে বের হতে পারছে না ঠিক তখন অসহায় দিনমজুর খেটে-খাওয়া মানুষের কথা চিন্তা করে দিনব্যাপী সচেতনতা মূলক ক্যাম্পিং ও অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রেইনবো ওয়েডিং পরিবার গরীব দুঃখী মানুষের সেবায় আজ কিছু খাবার সমগ্রী পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।রেইনবো ওয়েডিং এর সিইও মোঃ সুমন বলেন দেশের এভাবে প্রতিটি ফটোগ্রাফি প্রতিষ্টান এগিয়ে আসলে এই গরীব দুঃখী মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব হবে।
এভাবে সকলে এগিয়ে আসলে কিছু অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটবে বলে আশা করা যায়।

হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা লালমোহন লর্ডহার্ডিঞ্জে সরকারি ত্রাণ বিতরণ করছেন উপজেলা চেয়ারম্যান


ইব্রাহিম আকাশ ভোলা প্রতিনিধি:

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রভাব বিস্তার রোধে হোম কোয়ারান্টাইনে থাকা লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের দিন এনে দিন খাওয়া মানুষদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী
শেখ হাসিনার দেয়া ত্রাণ বিতরণ করছেন, লালমোহন উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (ত্রাণ) অপুর্ব দাস, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুুতি কর্মসূচির পরিচালক মুন্সী নূর মোহাম্মদ প্রমূখ।

সোমবার সকাল থেকে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা লোক জনের মাঝে এসব ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

লালমোহন উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করেছেন। খেটে খাওয়া দিন মজুরদের ত্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করছেন। পাশাপাশি ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনের সংসদ সদস্য দ্বীপবন্ধু আলহাজ্ব নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রনিধিদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের সকল নিয়ম-কানুন মেনে চলতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন। অপর দিকে সকাল থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হাসান রুমি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম হাওলাদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লালমোহন সার্কেল) মোঃ রাসেলুর রহমান, ওসি মীর খায়রুল কবীরের নেতৃত্বে পৌর সভার বিভিন্ন ওয়ার্ড, উপজেলার চরভূতা ইউনিয়ন, ধলীগৌরনগর ইউনিয়ন, রমাগঞ্জ ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা লোক জনের মাঝে সরকারের দেয়া ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

কুষ্টিয়ায় জ্বর-শ্বাসকষ্টে ইজিবাইক চালকের মৃত্যু, ১০ বাড়ি লকডাউন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ায় চৌড়হাসে আশরাফ আলী নামের ৪০ বছর বয়সী এক ইজিবাইক চালকের মৃত্যু হয়েছে। গত তিনদিন ধরে ওই ইজিবাইক চালক শ্বাসকষ্ট, সর্দি ও গলা ব্যথা অনুভব করছিলেন।

সোমবার সকালে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এদিকে এ ঘটনায় মৃত ব্যক্তির বাড়িসহ আশেপাশের কয়েকটি বাড়ি লক ডাউন করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন জানান, ওই ব্যক্তির শরীরে করোনা সংক্রমণ ছিল কিনা তা নিশ্চিত নই। তবে পরিবারের কাছ থেকে জানা গেছে, তিনি শ্বাসকষ্ট, জ্বর-সর্দি-গলাব্যথায় ভুগছিলেন।

লাশ হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে রাখা হয়েছে। মৃত ওই ব্যক্তির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। তবে মরদেহ কীভাবে দাফন হবে, তা আইইডিসিআর সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরেই আমরা মৃত ব্যক্তির বাড়িসহ আশেপাশের ১০ বাড়ি লকডাউন করেছি। সেই সাথে ঐ এলাকায় জনগণের চলাচলও সীমিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন চেয়ারম্যান মেম্বার নয় বরাদ্দকৃত ত্রাণ সেনা-নৌ-বাহিনী দিয়ে বণ্টন চায় জনগণ।

 

বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ আকারে আঘাত করেছে ভয়ংকর করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসের আঘাতে অনেক উন্নত দেশ ইতোমধ্যে কাবু হয়ে গেছে।
বাংলাদেশে করোনার প্রভাবে কার্যতঃ পুরো দেশ লকডাউন রয়েছে। এতে শ্রমজীবি মানুষগুলো চরম অর্থকষ্টের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত কয়েকদিন অনেক ধরে শ্রমজীবি মানুষ অর্থাভাবে খেয়ে-না খেয়ে থাকার খবর আসছে।
সরকারি ঘোষণা মতে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত এই অবস্থা বলবৎ থাকবে। এই পরিস্থিতিতে নিম্ন ও শ্রমজীবি মানুষের সাহায্য (প্রণোদনা) ঘোষণা করেছে প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সচেতন মহল বলছেন, বাংলাদেশের একটি বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী দিনমজুর শ্রমজীবি। তাই প্রধানমন্ত্রী যে প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন তা যথেষ্ট হবে না। তারপরও যে পরিমাণ বরাদ্দ দিয়েছে তার সঠিক বন্টন হওয়া দরকারি। সঠিক বন্টনের জন্য সঠিক কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব দেয়ার তাগিদ দিয়েছেন সচেতন মহল।
এদিকে, জনগণের জন্য দেয়া সব সরকারি বরাদ্দ পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষকে দিয়ে বিতরণ করা হয়। স্বাভাবিকভাবে অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষ সরকারি কোনো বরাদ্দ সঠিক ও ন্যায়ভাবে বিতরণ করে না। কাউন্সিলর ও চেয়ারম্যান-মেম্বাররা এসব বরাদ্দ বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয় নেয়। বিষয়টি বর্তমানে স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে গেছে। এই অনিয়মকে উপকারভোগীরা বাধ্য হয়ে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নিয়েছে।
বর্তমান ভয়াবহ করোনার এই কঠিন পরিস্থিতিতে এমন অনিয়ম চায় না ভুক্তভোগীরা। তারা চায় প্রধানমন্ত্রী নিন্ম আয় ও গরীব মানুষের জন্য যে প্রণোদনা বরাদ্দ দিয়েছেন তা যেন যথাযথভাবে উপকারভোগীরা পায়। সে জন্য তারা কাউন্সিলর বা চেয়ারম্যান-মেম্বার নয়; সেনাবাহিনী ও নৌ-বাহিনীর মাধ্যমে বিতরণ চায়।
কেননা সেনা ও নৌবাহিনী বিতর্কমুক্ত মানবদরদী সরকারি বাহিনী। দেশের যেকোনে জরুরী মুহুর্তে তারা জনগণের পাশে দাঁড়ায়। বর্তমানেও করোনা রোধে সারা দেশে মানুষকে ঘরে নিরলসভাবে কাজ যাচ্ছে এই দুই বাহিনী। সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করছেন। এই প্রেক্ষাপটে তাদের মাধ্যমেই প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বরাদ্দ তাদের মাধ্যমে বিতরণ করা যাবে। এই দুই বাহিনী বিতরণ করলে বরাদ্দ সঠিকভাবে উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছাবে। কিন্তু কাউন্সিলর বা চেয়ারম্যান-মেম্বার দিলে তার ‘নয়ছয়’ হয়ে যাবে।
তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আবেদন  কাউন্সিলর বা চেয়ারম্যান-মেম্বারদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দগুলো বিতরণের জন্য দিলে তার অর্ধেক প্রকৃত উপকার ভোগীরা পাবেন না কাউন্সিলর বা চেয়ারম্যান-মেম্বাররা নিজেরা অর্ধেক লোপাট করে ফেলবে। আবার যা বিতরণ করবে তাতেও দেখা যাবে তাদের স্বচ্ছল আত্মীয় ও অনুসারীদের ঘরে যাবে অসহায়দের দেয়া জরুরী বরাদ্দ।
 সাধারণ জনগণের যে আশান্বিত বা সাধারণ জনগণের চাওয়া পাওয়া সরকারের কাছে তা একান্ত কাম্য এবং প্রাপ্তি এবং প্রাপ্য।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী   দেশনেত্রী শেখ হাসিনা যে বরাদ্দ দিবেন তা যেন, সেনাবাহিনী বা নৌ বাহিনীর মাধ্যমে তা বিতরণ করা হয়। কেননা এই বর্তমান পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যান, মেম্বার, কাউন্সিলদের প্রতি অনিহা প্রকাশ আছে দিনমজুর থেকে সাধারণ জনগণের।
তাই সর্বসাকুল্যে মাননীয় প্রধানমনত্রীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি এই বিতরণ যেন সুষম বন্টন হয়।
লেখক
মোঃআমজাদ হোসেন
সাংবাদিক ও সমাজকর্মী।

হবিগঞ্জের মাধবপুর পুলিশ সদস্যের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি।

মঈনুল হাসান রতন হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

হবিগঞ্জের মাধবপুর পুলিশ সদস্যের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে।রোববার (২৯ মার্চ) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের ঘিলাতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ঘিলাতলী গ্রামের আকবর আলী খানের ছেলে সিলেটের সুনামগঞ্জে কর্মরত পুলিশের এটিএসআই আনোয়ারুল আলম খানের গ্রামের বাড়ির দরজা ভেঙে ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে নগদ টাকা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়।ডাকাতদের হাতে জিম্মি হওয়া এটিএসআই আনোয়ারুল আলমের ছোট ভাই হবিগঞ্জ কোর্টের আইনজীবী শাহীনুর আলম খান।

জানান, রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে তাদের বসতবাড়ির রান্না ঘরের দরজা ভেঙ্গে ৮-১০ জনের ডাকাতদল ঘরে ঢুকে তার বৃদ্ধ মা শাহেদা খানম ও শাহীনুর আলম ফয়সলের হাত পা বেঁধে ফেলে। এ সময় দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ দেড় লক্ষ টাকা ও শাহীনুর আলমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়।খবর পেয়ে রাতেই মনতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল এবং নগদ টাকা ও ঘরের ভিতর প্রবেশের বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে বলে ইন্সপেক্টর আব্দুল কাইয়ুম জানিয়েছেন।

 

 

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশক : সাহিদুর রহমান, অফিস : ৪৫, তোপখানা রোড (নীচতলা)পল্টন মোড়, ট্রপিকানা টাওয়ার, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোন : ০১৯১১-৭৩৫৫৩৩। ই-মেইল : shiromonimedia@gmail.com,ওয়েব : www.shiromoni.com