করোনা:১ কোটি ১০ লাখ লোক ঢাকা ছেড়েছে

শিরোমণি অনলাইন ডেস্ক : করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে ১০ দিনের সরকারি ছুটি।    জনসমাগম এড়িয়ে সকলকে ঘরে থাকার জন্যই এই ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে এই ছুটির সুযোগে অনেকেই রাজধানী ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছেন গ্রামের বাড়িতে। ন্যাশনাল টেলিকম মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) তথ্য অনুযায়ী সরকারের ছুটি ঘোষণার পর ১ কোটি ১০ লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ঢাকা ছেড়ে গেছেন। এর সাথে আছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার বিদেশ ফেরত প্রবাসী।

মোবাইল ফোন অপারেটরদের তথ্যের ভিত্তিতে ন্যাশনাল টেলিকম মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) এ তথ্য জানিয়েছে। এনটিএমসি’র পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসান জানান, ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মোবাইল ফোন গ্রাহকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রামীণফোনের, এর পর রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের গ্রাহক রয়েছে। এনটিএমসির ওই কর্মকর্তা বলেন, ১ কোটি ফোন ব্যবহারকারীর সঙ্গে তাদের শিশুসন্তান বা যাদের ফোন নেই, তাদের সংখ্যা যুক্ত করলে এ সংখ্যা অনেক হবে।

সুনামগঞ্জে ফার্মেসিগুলো প্রয়োজনীয় কোনো ঔষুধ নাই

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জে ঔষুধের দোকানগুলোতে প্রয়োজনীয় কোনো ঔষুধ পাওয়া যাচ্ছে না।
একদিকে, করোনাভাইরাস ভীতি ও অন্যদিকে আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত সর্দি, জ্বর, কাশি দেখা দেয়ায় ফার্মেসিগুলো হিমশিম খাচ্ছে গ্রাহককে ঔষুধ দিতে। এমনকী, ফার্মেসিগুলোতে নেই নাপা, টোফেন, এইচ সিরাপসহ প্যারাসিটামল জাতীয় কোনো ওষুধ।

সরজমিনে সুনামগঞ্জ শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকা ও সদর হাসপাতাল এলাকার ফার্মেসিগুলো ঘুরে দেখা যায়, বাজারে অন্যান্য রকমের ঔষুধ কম বেশি থাকলেও বাজারে নেই জ্বর, সর্দি ও কাশির ওষুধ। নাপা ট্যাবলেটও নেই বাজারে। তাছাড়া শিশুদের জ্বরে ব্যবহার করা নাপা সিরাপ ও সর্দি-কাশিতে ব্যবহার হওয়া টোফেন সিরাপসহ বড়দের নাপা এইস, নাপা এক্সটেন্ড ও নাপা এক্সট্রাসহ এরকম ওষুধ ফার্মেসিগুলোতে নেই বললেই চলে।

তাছাড়া প্রাইভেট চেম্বারে ডাক্তার আপাতত রোগী না দেখায় পরিচিত ঔষুধব্যবহার করে রোগমুক্তির জন্য এসব ঔষুধের প্রয়োজন পড়লেও এখন ফার্মেসিতে এগুলো না থাকায় বিপাকে পড়েছেন অনেকে। তাছাড়া হাতেগোনা কয়েকটি ফার্মেসিতে কিছু ওষুধ থাকলেও সেগুলো বেশি জরুরি ছাড়া কাউকে দিচ্ছেন না তারা।

বাচ্চার জ্বরের ঔষুধ নিতে আসা উসমান আহমেদ বলেন, বাচ্চাটার জ্বর হয়েছে, কিন্তু নাপা সিরাপ পাচ্ছি না। প্রায় ৪টা ফার্মেসি ঘুরে এলাম নেই। নাপা ট্যাবলেট খুঁজলাম সেটিও নেই। করোনাভাইরাসের কারণে নাকি ওষুধের উপাদান বাইরে থেকে আনতে পারছে না।

শহরের জেসি ফার্মেসির ম্যানেজার কবির আহমদ বলেন, আমরা মানুষদের নিত্য প্রয়োজনীয় ঔষুধগুলো দিতে পারছি না। যার মধ্যে বাচ্চাদের নাপা সিরাপ, টোফেন সিরাপ বাজারে নেই। ওষুধ কোম্পানির গাড়ি এলেও এগুলো তাদের কাছে না থাকায় আমাদেরও দিতে পারছে না।

নিলু ফার্মেসির ম্যানেজার হেলাল খান বলেন, আমাদের কাছে বাচ্চাদের জ্বর সর্দি কাশির ওষুধ নেই। তার মধ্যে নেই নরমাল নাপা, নাপা এক্সেটেন্ড, নাপা এইস ইত্যাদি। মানুষজন এগুলোই এখন বেশি খুঁজতে আসে। কিন্তু এগুলো আমরা দিতে পারি না। আশা করি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই সব আগের মতো হয়ে যাবে।

প্রীতম ড্রাগ হাউজের মালিক রূপম দাশ বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে ওষুধের কিছুটা সংকট সৃষ্টি হয়েছে। যার মধ্যে প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষুধটাই বেশি। ওষুধ কোম্পানির সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম বিদেশ থেকে পণ্য আসা বন্ধ থাকায় বিভিন্ন ওষুধের উপাদান আসা বন্ধ রয়েছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই আবার আগের মতো হয়ে যাবেও বলে জানান তিনি।

এদিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঔষুধ রয়েছে বলে সিভিল সার্জন ডা. শামস উদ্দিন বলেন, হাসপাতালে আমাদের ওষুধ রয়েছে। কোনো রোগী যদি জ্বর সর্দি কাশি হয় তাহলে তাকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা প্রদান করা হবে। তাছাড়া সকল উপজেলায়ও সরকারি ওষুধগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে।

করোনা ভাইরাস হটলাইনে কল করুন বিনামূল্যে

শিরোমনি অনলাইন ডেস্ক: করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে করোনাভাইরাস হটলাইন নম্বরে বিনামূল্যে কলের সুবিধা প্রদান করেছে বাংলালিংক।

করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে বা এ সম্পর্কিত যেকোনো তথ্যের জন্য সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর হটলাইন নম্বরে ০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫ সকল বাংলালিংক গ্রাহক পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বিনামূল্যে কল করতে পারবেন।

এছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের আইভিআর ভিত্তিক সার্ভে ব্যবস্থার উন্নয়নে আইইডিসিআর-কে সহায়তা করছে বাংলালিংক।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১০০টিরও বেশি দেশ। করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করে ইতোমধ্যেই সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। সম্প্রতি বাংলাদেশে কয়েকজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হওয়ার পর সরকার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে।

বাংলালিংক-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এরিক অস বলেন, একটি সামাজিক দায়বদ্ধ কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছি। এছাড়া আমাদের অবস্থান থেকে এর প্রাদুর্ভাব রোধে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করছি আমরা। আমাদের গ্রাহকরা যাতে আরও সহজে হটলাইন সেবা গ্রহণ করে স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেতে পারে সেজন্য আমরা তাদেরকে এই সেবা বিনামূল্যে প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

ফল দিয়ে চার্জ হবে মোবাইল!

শিরোমনি ডেস্ক: আপনার প্রিয় ফলটি দিয়ে চার্জ হবে মোবাইল! অবাক হচ্ছেন। অবাক হওয়ার মতই খবর।

গবেষকরা বলছেন, ফলের মধ্যে যে এনার্জি থাকে তা দিয়েই চার্জ করা যাবে মোবাইল। শুধু তাই নয়, ফলের বর্জ্য দিয়েও করা যাবে মোবাইল চার্জ।

তারা বলেছেন, কার্বন এরোজেলেস। এর দ্বারা এনার্জি পাওয়া যায়। আর তাতেই করা যায় মোবাইল, ফোন, ল্যাপটপ বিভিন্ন গ্যাজেট চার্জ। প্রথমে ফলের বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ করে সেটাকে পানিতে ফুটিয়ে তারপর জমিয়ে কার্বন এরোজেলস তৈরি করা যায়। এটা অনেকটাই হালকা ও সছিদ্র।

গবেষকরা বলেছেন, গ্রাফিন থেকে যে উৎপাদক তৈরি করা হয় তাকে খুব সহজেই এই ফলের বর্জ্য পদার্থ পেছনে ফেলে দেবে। এখন পৃথিবীর জীবাশ্ম জ্বালানি যে পরিমাণে শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেই দিক থেকে দেখলে এই সুপার ক্যাপাসিটার এনার্জি স্টোর করাটা খুবই দরকার। এজন্য এই সব গবেষণার খুবই প্রয়োজন।

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপক ভিনসেন্ট গোমস বলেছেন, এই মুহূর্তে প্রাকৃতিক ভাবে স্বাভাবিক সুপার-ক্যাপাসিটার থেকে উচ্চশক্তির এনার্জি স্টোরেজ ডিভাইস তৈরি করা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, বিশেষ করে যেখানে ফসিলজাত জ্বালানির পরিমাণ ক্রমশ কমছে। সেই জায়গায় এই পদ্ধতিতে এনার্জি বাড়ালে বর্তমান চালু ব্যবস্থার একটা বিকল্প পথ তৈরি করা যাবে।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপন করা হয়েছে ২০ কিলোওয়াটের সোলার এসি সিস্টেম ইউনিট দিয়ে

বিধানচন্দ্র রায় ( টাংগাইল ) জেলা প্রতিনিধিঃ  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপন করা হয়েছে ২০ কিলোওয়াটের সোলার এসি সিস্টেম ইউনিট। আজ ৮ মার্চ রবিবার সোলার ইউনিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান।

 

এক সময় বিদ্যুত না থাকলে এবং লাইনে কারিগরি ত্রুটি থাকলে বিদ্যুত বিহীন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকত হাসপাতালটি। কিন্ত সৌরবিদ্যুত সেই কষ্ট দুর করে দিয়েছে। বিদ্যুত না থাকলেও সোলারের আলোয় আলোকিত থাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ফলে হাসপাতালের রোগিদের আর বিদ্যুতের কষ্ট পোহাতে হবে না।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান, উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার, পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা সুলতানা শিল্পী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড্ঃ সাইফুর রহমান খান, প্রমূখ।

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক জানান, ত্রিশ লক্ষ টাকা ব্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ কিলোওয়াটের সোলার সিস্টেম ইউনিটটি স্থাপন করা হয়েছে। ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের অধীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় সোলার এসি সিস্টেম ইউনিটটি স্থাপিত হয়েছে।

 

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ইটকলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রিমসো ফাউন্ডেশন। যেখানে সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে ৬৪টি এবং ব্যাটারি স্থাপন করা হয়েছে। এই ইউনিট থেকে ৫৯টি ফ্যান, ৭১টি লাইট ওটি রুম, ল্যাব রুম ও কম্পিউটার রুম সহ হাসপাতালের সকল কার্যক্রম সোলার ইউনিটের বিদ্যুত থেকে পরিচালনা করতে পারবে।

 

তিনি আরও জানান, এটি একটি নতুন ধারনা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল মহোদয়ের প্রশিক্ষন প্রোগ্রামে তার উপস্থাপনা থেকে পেয়ে উৎসাহিত হয়ে আমি প্রকল্পটি হাতে নেই। বিষয়টি ইতিমধ্যে এলাকায় সাড়া ফেলেছে।

 

হাসপাতালে সেবা নিতে আসা শহিদুল ইসলাম বলেন, আগে বিদুৎ না থাকলে রোগের বিভিন্ন পরীক্ষা নিরিক্ষার জন্য অপেক্ষা করতে হত, এখন সে কষ্ট দুর হয়েছে।

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশক : সাহিদুর রহমান, অফিস : ৪৫, তোপখানা রোড (নীচতলা)পল্টন মোড়, ট্রপিকানা টাওয়ার, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোন : ০১৯১১-৭৩৫৫৩৩। ই-মেইল : shiromonimedia@gmail.com,ওয়েব : www.shiromoni.com