ফেসবুক স্টাটাসের কারণে মানুষ খুন

বুয়েট দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় সর্বত্রই চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সেই আবরার ফাহাদকে হত্যার বিষয়টি নিয়ে বিস্মিত হয়েছেন ভারতের জয়দেবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তনুশ্রী রায়।

আবরার হত্যার প্রতিবাদ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তনুশ্রী রায় একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার সেই স্ট্যাটাসটি মুর্হূতেই ভাইরাল হয়ে যায়।

তনুশ্রী রায়ের সেই স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

যদিও আমি ভারতীয় তারপরও বাংলাদেশের প্রতি আমার আলাদা একটা টান রয়েছে।

কারণ আমার পূর্বপুরুষ বাংলাদেশেরই মানুষ ছিলেন ৪৭’র দেশভাগের পর ভারতে চলে আসেন। বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকুক এটা আমি সবসময় চাই।

শুনলাম ভারত-বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়ায় একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে হত্যা করা হয়েছে। স্ট্যাটাসটা আমি পড়লাম, নিজের দেশের স্বার্থ নিয়ে লিখার জন্য কিভাবে নিজের দেশেরই লোক একটা ছেলেকে এভাবে পিটিয়ে হত্যা করে ফেলে এটা আমার কাছে আশ্চর্য লাগছে।

সামান্য ফেসবুক স্টাটাসের কারণে মানুষ খুন করে ফেলা হচ্ছে বাংলাদেশে। কিভাবে এমন একটা দেশে মানুষ বাস করে!

চীনের প্রভাব কাটিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ৭ চুক্তি

চীনের প্রভাব বিস্তারকে কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশের সঙ্গে ৭টি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত। ৫ই অক্টোবরে এই চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে ভারত তার ঘরের পেছনে চীনের প্রভাব কাটিয়ে ওঠার প্রচেষ্টা জোরালো করেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের  চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে ভারতের অধিকতর ব্যবহারের উপযোগী করে চুক্তি। এই দুটি বন্দরে ভারতকে প্রবেশাধিকার দেয়ার অর্থই হলো ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরা সরাসরি বঙ্গোপসাগর দিয়ে ভারত মহাসাগরে কৌশলগত যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবে। এই ত্রিপুরা রাজ্য তিন দিক দিয়ে বাংলাদেশের সীমানা ঘিরে রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ইপোক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে  এ কথা বলা হয়েছে। এর শিরোনাম ‘ইন্ডিয়া সাইনস সেভেন ডিলস উইথ বাংলাদেশ টু ফেন্ড অফ চাইনিজ ইনফ্লুয়েন্স’।

এতে সাংবাদিক ফ্রাঙ্ক ফ্যাং লিখেছেন, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের মতে গত ৫ই অক্টোবর ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অফিসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, উত্তরপূর্ব ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের সরাসরি সুবিধা পাবে ত্রিপুরা। এতে এই রাজ্যের ব্যবসা ও বাণিজ্যের অপরিসীম উন্নতি হবে। ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ওই সাতটি চুক্তির মধ্যে রয়েছে একটি সমঝোতা স্মারকও। তার অধীনে বাংলাদেশের উপকূলে নজরদারি ব্যবস্থা জোরালো করবে ভারত। তারা বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে ২০টি রাডার সিস্টেম বসাবে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের উপকূলে এবং ভারতের উপকূলে নজরদারি বৃদ্ধি করবে। একই রকম নজরদারি ব্যবস্থা ভারত মালদ্বীপ, মৌরিতিয়াস, সিসিলি, শ্রীলঙ্কাসহ আরো দেশে স্থাপন করেছে। ভারতের ইকোনমিক টাইমসের মতে, সমুদ্রপথে সন্ত্রাসী হুমকি বৃদ্ধির বিরুদ্ধে এবং বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতিতে যথেষ্ট ব্যবহার উপযোগী হবে এই রাডার সিস্টেম। ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, অন্য চুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে যুব সম্পর্ক বিষয়ক ইউনিভার্সিটি অব হায়দরাবাদ ও ইউনিভার্সিটি অব ঢাকার মধ্যে সহযোগিতা, ভারতে পানীয় হিসেবে ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশের পানি দেয়ার চুক্তি।

এই অঞ্চলে চীনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। ২০১৭ সালে দোকালামে চীন ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধাবস্থা সৃষ্টির পর কয়েক ডজন যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন ভারত মহাসাগরে মোতায়েন করে চীন। তবে বাংলাদেশে বেইজিংয়ের পা রাখা নিয়ে বিশেষ করে উদ্বিগ্ন ভারত। বাংলাদেশের কাছে চীনের সামরিক হার্ডওয়্যার বিক্রি নিয়ে তাদের উদ্বেগ বেশি। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে ২০ কোটি ৩০ লাখ ডলারে দুটি সাবমেরিন কেনে। তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভারত। এ নিয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এডমিরাল অরুণ প্রকাশ বলেন, ওই সাবমেরিন হলো এক ধরনের প্ররোচনামূলক কর্মকাণ্ড। তিনি আরো বলেন, এই সাবমেরিন বিক্রি হলো ভারতের ‘ক্লায়েন্ট’ দেশকে কৌশলগতভাবে বেঁধে ফেলা। গত মাসে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে কক্সবাজারে প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি নির্মাণে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে বেইজিং। এখানে অবস্থান করবে চীনের ওই দুটি সাবমেরিন। চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পিটিআই এটি নির্মাণ করবে বলে বলা হয়। বাংলাদেশের একটি পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, এতে খরচ পড়বে ১২০ কোটি ডলার।
এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র কর্মকর্তা ও পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ফারুক খান একটি মিডিয়াকে বলেছেন, ওই ঘাঁটি নির্মাণ করবে চীন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেবে। তবে তিনি নিশ্চয়তা দেন যে, চীনের সামরিক সাবমেরিন ওই ঘাঁটিতে আসবে না।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে চীন। বিশেষ করে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চীনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উদ্যোগ ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড প্রকল্প। এর মধ্য দিয়ে বেইজিং বিভিন্ন অবকাঠামো খাতে বিশ্বজুড়ে অর্থায়ন করছে। এর উদ্দেশ্য ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করা। চীনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার মতে, বাংলাদেশ ও চীন বেশ কয়েকটি ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড চুক্তি সম্পন্ন করেছে, যার অর্থমূল্য ২১৫০ কোটি ডলার। এর মধ্যে রয়েছে, একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ বিষয়ক প্রকল্প। ২০১৮ সালে বাংলাদেশে শীর্ষ বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে যায় চীন। এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১০৩ কোটি ডলার।
সম্প্রতি মিয়ানমারের সঙ্গেও সহযোগিতা বৃদ্ধি করেছে ভারত। এই মিয়ানমারের সঙ্গেও রয়েছে বঙ্গোপসাগর। এই সহযোগিতা বৃদ্ধির কারণ হলো সেখানেও চীনের আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের পাল্টা জবাব দেয়া। প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য কিলো-ক্লাস ডিজেল-ইলেকট্রিক একটি সাবমেরিন হস্তান্তরের জন্য মিয়ানমারের নৌবাহিনীর সঙ্গে চুক্তি করেছে ভারত।

পারলে আন্দোলন করে খালেদাকে মুক্ত করুক

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য বিএনপির আন্দোলনের হুমকির সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতরে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি ভেতরে ভেতরে খালেদার মুক্তির জন্য সরকারের সহযোগিতা চাইছে। তবে বাইরে দলের নেতারা আন্দোলন করে তাকে মুক্ত করার কথা বলছেন। আমি মনে করি, তারা আন্দোলন করুক। তারা আন্দোলন করে বিস্ফোরণ সৃষ্টি করে যদি তাকে মুক্ত করতে পারে, করুক। আন্দোলনের কথা বলেও তাদের কোনো ছোট ঢেউও দেখলাম না। তারা এত বড় দল, আন্দোলন করে তারা সরকার হটাক। তা হলে তো খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন, তাদের সরকারে আসার খায়েশ পূরণ হবে।’এ সময় আলোচিত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাটের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমি বলছি ধৈর্য ধরুন, অপেক্ষা করুন। আমি কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে কিছু বলব না। সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করব।’‘তৃণমূলের সম্মেলনে অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের দলের নেতৃত্বে বসাব না। এটাও আমাদের এটি উদ্দেশ্য। যারা অপকর্মে জড়িত, তাদের বাদ দিয়েই করব,’ যোগ করেন সেতুমন্ত্রী।

ক্যাসিোতে কেন অভিযান নয়, আইনী প্রচেষ্টা গাজীপুর স্বরাষ্ট্রম্ত্রী

­ 

গাজীপুর প্রতিনিধি :রাকিব হাসান আকন্দ

স্বরাষ্ট্রম্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ক্যাসিনােতে কেন অভিযান নয়, যারা অবাধ্য ব্যেবসা এবং অপরাধমুলক কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনী প্রচেষ্টা। গড ফাদার বলে কিছুই নেই, অপরাধ করলেই বিচারের মুখামুখি হত হব। আমরা এই কাজটিই করছি।

রােববার দুপুর গাজীপুরর কা‌লিয়া‌কৈর উপ‌জেলার সফিপুর আনসার ও ভিডিপি একাডেমীতে ৩৫ ও ৩৬তম বিসিএস আনসার কর্মকর্তাদের মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে যে পর্যায়ে নিয়ে গেছেন, তা ধরে রাখতে হলে অবশ্যই দেশে সু-শাসন প্রতিষ্ঠা করব।,

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র ম্ত্রণালয়র সিনিয়র সচিব মােস্তফা কামাল , আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মজর জনারল কাজী শরীফ কায়কাবাদ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগডিয়ার জেনারেল একেএম আসিফ ইকবাল, উপমহাপরিচালক নিমাই কুমার দাস, গাজীপুরর জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলামসহ আনসার ও ভিডিপি’র উর্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্তি ছিলন।

১৫ মাস মেয়াদী মালিক প্রশিক্ষণ ৩২ জন বিসিএস আনসার কর্মকর্তা অংশ নেন। এর আগে স্বরাষ্ট্রম্ত্রী আনসার বাহিনীর প্রধানক সঙ্গে নিয় প্যারেড পরিদর্শন করন এবং প্রশিক্ষনার্থীদর অভিবাদন গ্রহণ করন। পর ম্ত্রী তিনজন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্য ক্রেষ্ট প্রদান করনে।

২৯.০৯.২০১৯

তারেকের আয়ের প্রধান উৎস ক্যাসিনো

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি নেতারা কোন মুখে বলেন ক্যাসিনো আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতি। তাদের নেতা তারেক রহমানের আয়ের উৎস ক্যাসিনো। লন্ডনে নানান ধরনের অপকর্মের টাকা ঢাকার একটা সুবিধা আছে। সেই সুবিধা নিয়েছে তারেক রহমান। ইমকাম ট্যাক্স এর ফাইলে নানান ধরনের অপকর্মের টাকা ক্যাসিনো বলে চালিয়ে দিয়েছে।

আজ শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সেমিনার কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭৩তম জন্মদিন উপলক্ষে দুঃস্থ অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, হজের জাহাজ হিজবুল বাহারকে প্রমোদ তরীতে পরিণত করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি যুব সমাজকে বিধ্বংসী করেছিলেন। একটি দেশের রাষ্ট্রপতি ছাত্রদের নিয়ে প্রমোদ বিহারে যায় কিভাবে? আমরা ছাত্র থাকাকালীন শিক্ষা সফরে যেতাম।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যে কলম দিয়ে সংবিধানে বিসমিল্লাহ লেখেন, সেই কলম দিয়েই আবার দেশে মদ-জুয়া, হাউজির লাইসেন্স দেন। বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে মদ-জুয়া নিষিদ্ধ করেন। দেশে মদের বারও ছিলো না। এগুলো তো বিএনপির সাংস্কৃতি।

প্রধানমন্ত্রীকে ৭৩তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন,  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার মানুষের জন্য জীবন দিয়ে গেছেন। শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের ভবিষ্যত উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ  সম্পাদক সুজিত নন্দি রায় প্রমুখ।

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সাহিদুর রহমান,অফিসঃ ২২/১, তোপখানা রোড (৫ম তলা) বাংলাদেশ সচিবালয়ের উত্তর পার্শ্বে, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোনঃ ০১৬১১-৯২০ ৮৫০, ই-মেইলঃ shiromoni67@gmail.com ,ওয়েবঃ www. Shiromoni.com

Social Widgets powered by AB-WebLog.com.