চলনবিলের মৎস্য ও কৃষিতে সরকারের সহযোগিতা|

 

 

রাজিবুল করিম রোমিও, ভাংগুড়া (পাবনা), প্রতিনিধি: শত বছরের বিবর্তনে উত্তর জনপদেরমৎস্যভাণ্ডার খ্যাত চলনবিল মরা খালেপরিণত হতে যাচ্ছে। হারিয়ে ফেলেছে তারচিরচেনা রূপ, যৌবন আর ঐতিহ্য। শুষ্কমৌসুমের আগেই বিল নদী খাড়ি শুকিয়েজেগে উঠেছে দিগন্ত বিস্তীর্ণ মাঠ। সেই মাঠেএখন রসুন, পেঁয়াজ, সরিষা, মিষ্টি কুমড়া,গাজর, লাউ, সিমসহ নানা প্রকার শাকসবজিআবাদ হচ্ছে। এ অঞ্চলে উৎপাদিতশাকসবজি, মধু, কাঁকড়া, শুঁটকি ও কুচিয়ামাছ চাষ হচ্ছে যা থাইংল্যান্ড, আমেরিকা,মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের অনেক দেশে রফতানিহচ্ছে। চলনবিলে উৎপাদিত কৃষি পণ্য ওমৎস্যসম্পদ এই অঞ্চলের গ্রমীণ অর্থনীতিতেগতি সঞ্চার করেছে।

বর্ষা মৌসুমে চলনবিলে থই থই পানি চোখেপড়ে। আর শুষ্ক মৌসুমে সমগ্র বিলাঞ্চলথাকে শুষ্ক। খাল খনন করে পানি নিষ্কাশনেরফলে শুষ্ক মৌসুমে বিলে পানি চোখে পড়েনা। প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত মাছেরপরিবর্তে বিলে এখন অসংখ্য পুকুর কেটেবিদেশী হাইব্রিড মাছের সাথে কুচিয়া মাছচাষ করা হচ্ছে। নদী বিল শুকিয়ে যাওয়াদিগন্ত বিস্তৃত জমিতে ধান, পাট, সরিষা,রসুন, পেঁয়াজ, তরমুজ, বাঙ্গি, মরিচ, গাজর,সিম, কপি, আলু, পটল, লাউসহ নানাপ্রকারের ফসল আবাদ হচ্ছে। সবজিরব্যাপারীরা প্রতিদিন এ অঞ্চলের অমৃতকুণ্ডাহাট, মির্জাপুর হাট, ছাইকোলা হাট,মহিশলুটি হাটসহ ১২টি হাটবাজার থেকেলাউ, আলু, সিম, বেগুন, গাজর, কপি,টমেটোসহ বিভিন্ন প্রকার শাকসবজি কিনেট্রাকে করে পাবনা, রাজশাহী, ঢাকাসহদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যাচ্ছেন।রফতানিকারকরা ঢাকা থেকে বিমানে সবজিআমেরিকা, ইংল্যান্ড, সৌদি আরব, সংযুক্তআরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ইরাকসহঅনেক দেশে রফতানি করছেন।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ৩৬৮ কিলোমিটারআয়তনের বিস্তীর্ণ চলনবিল অঞ্চলঅর্থনৈতিকভাবে হয়ে উঠতে পারে বিপুলসম্ভাবনাময়। এ অঞ্চলের উৎপাদিত মাছ,মধু এবং সরিষা ভোজ্যতেলের ঘাটতি পূরণেঅনেকাংশে সক্ষম হয়েছে। পরিকল্পিতপদ্ধতিতে ইরি-বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসলআবাদ করে দেশের খাদ্যঘাটতি নিরসনেগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। চলনবিলেএখন বাণিজ্যিকভাবে কুচিয়া মাছ চাষ করাহচ্ছে। এই কুচিয়া মাছ এবং কাঁকড়া চিনেরফতানি করা হচ্ছে। গবাদিপশু, হাঁস, মুরগি,মৌমাছি পালন, শামুক, কাঁকড়া, চিংড়িচাষের মাধ্যমে এ অঞ্চলের চাষিরা তাদেরঅর্থনৈতিক অবস্থা আরো চাঙ্গা করে তুলতেপারেন। এভাবেই চলনবিল খুলে দিতে পারেসমৃদ্ধির অপার সম্ভাবনার দ্বার।

জানা যায়, নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম,গুরুদাসপুর, সিংড়া, নওগাঁ জেলাররানীনগর, আত্রাই, সিরাজগঞ্জ জেলারতাড়াশ, রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া, পাবনা জেলারচাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, বেড়া এবংবগুড়া জেলার দক্ষিণাঞ্চল মিলে চলনবিলেরঅবস্থান ছিল। কিন্তু ১৯১৪ সালে ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ রেলপথ স্থাপনের পর থেকেরেলপথের উত্তর ও পশ্চিম অংশকেইচলনবিল বলা হয়। এম এ হামিদ টি কে১৯৬৭ সালে ‘চলনবিলের ইতিকথা’ বইতেলিখেছেন, তখন থেকে প্রায় ১৪০ বছরআগে অর্থাৎ ১৮২৭ সালে জনবসতি এলাকাবাদ দিয়ে চলনবিলের জলময় অংশেরআয়তন ছিল ৫০০ বর্গমাইলের ওপরে।১৯০৯ সালে চলনবিল জরিপ কমিটিররিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, তৎকালে বিলেরআয়তন ছিল ১৪২ বর্গমাইল। এর মধ্যে ৩৩বর্গমাইল এলাকায় সারা বছর পানি জমেথাকত। ওই রিপোর্টে বলা হয়, চলনবিল তারপানির স্রোতধারা ও নাব্যতা হারিয়ে ক্রমেসঙ্কুচিত হয়ে পড়ছে।

কার্তিক- অগ্রহায়ণ মাসে চলনবিল অঞ্চলেরপানি নেমে গেলে সমতল ভূমি জেগে ওঠে।তখন ওই সমতল ভূমি বা জমিতে চাষ হয়সরিষা, রসুন, কালাই, ধান, লাউ, কপি,আনাজ, গাজর, বেগুন, শসা, ক্ষিরাসহ নানাপ্রকার রবি ফসল। এরপর এলাকারকৃষকেরা প্রস্তুতি নেয় বোরো ধান চাষে।পৌষ-মাঘ মাসেই ধানের চারা লাগানোরকাজ শেষ হয়ে যায়। কৃষি উৎপাদনে সেচেরজন্য কৃষকরা ব্যবহার করছেন ভূগর্ভেরপানি। বৈশাখ মাসেই ধান কাটা শুরু হয়।শুধু ধানই নয়, অপেক্ষাকৃত উঁচু জমিতেআবাদ হয় নানা প্রকার শাকসবজি। এঅঞ্চলের মাছ, সরিষা, মধু উৎপাদনসহ নানাপ্রকার মৌসুমি ফসল ফলছে। তবেউৎপাদিত পণ্যের যথাযথ সংরক্ষণ ওবিপণন ব্যবস্থার অভাবে প্রতি বছর চাষিরাউৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিতহচ্ছেন।

মৎস্য চাষিরা জানিয়েছেন, দেশের সর্ববৃহৎজলাভূমি চলনবিল এলাকার প্রায় ২০ লাখমানুষ বছরে প্রায় পাঁচ মাস বেকারজীবনযাপন করেন। বর্ষাকালে এই এলাকারকৃষি জমি পানিতে ডুবে যায়। তাদের হাতেকোনো কাজ থাকে না। এ সময় অনেকেমাছ ধরার পেশায় আত্মনিয়োগ করেন। কিন্তুএকসময়ের মৎস্যভাণ্ডর খ্যাত চলনবিলেএখন পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যায় না। এ অঞ্চলেক্ষুদ্র কুটির শিল্প স্থাপন করে বেকারদেরকর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা হলে গ্রামীণঅর্থনীতি নতুন জীবন পাবে। সেই সাথেউৎপাদিত কুঠির শিল্পজাত দ্রব্য জাতীয়অর্থনীতির বিকাশ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানরাখতে পারবে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রেজানা যায়, বোরো মৌসুমে চলনবিল অঞ্চলেবিপুল পরিমাণ ধান উৎপাদন করে দেশেখাদ্য ঘাটতি বহুলাংশে পূরণ করা সম্ভব। সুষ্ঠুপানি নিষ্কাশন ও সেচের ব্যবস্থা, বাঘাবাড়ী-নিমাইচড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুনর্নির্মাণ করাহলে চলনবিল অঞ্চলের কৃষকদের ধানউৎপাদনের পরিমাণ বাড়বে। এতে কৃষকরাব্যাপকভাবে লাভবান হবেন। চলনবিলেরকৃষকদের কৃষির পরেই জীবিকার অন্যতমউৎস হিসেবে ধরা হয় মাছ শিকারকে। কিন্তুএকশ্রেণীর মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপটেজলমহালের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিল পাড়েরপ্রায় দেড় লাখ মৎস্যজীবীর জীবনে নেমেএসেছে চরম অনিশ্চয়তা। মৎস্যভাণ্ডার নামেপরিচিত চলনবিলে গড়ে ওঠেনি কোনোহিমাগার।

 

রাবি আগের মত আলাদা পরীক্ষা নিবে

আশিক ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে তাতে অংশ নিচ্ছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। তারা আলাদা করে আগের মতই পরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন।
সোমবার বিকেলে বিশ^বিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে উপাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান গণমাধ্যমকর্মীদের এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় তা নাকচ করে দিয়েছে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়। ইউজিসির সাথে সভায় যে আলোচনা হয়েছিল একাডেমিক মিটিং শুরু হওয়ার আগেই সভাসদ সবার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছিল। সভায় অধিকাংশ মত দিয়েছেন সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় না যাওয়ার। জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়, বুয়েট যেখানে সমন্বিত পরীক্ষায় যাবে না সুতরাং আমরাও যাচ্ছি না। অর্থাৎ আমাদের পূর্বে যেভাবে ভর্তি পরীক্ষা হতো তা কার্যকর থাকছে।
উপাচার্য সোবহান আরও বলেন, সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ফলে বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ে গিয়ে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবে। আমরা রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে যেভাবে স্বচ্ছতার সাথে পরীক্ষা নিবো প্রত্যন্ত বিশ^বিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষাতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থাকবে। তাহলে আমাদের মূল উদ্দেশ্য হাসিল হবে না। এমন তো নয় যে আমরা যাদের পরীক্ষা নিবো তারাই আমাদের বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি হবে। আমরা চাই কোয়ালিটি সম্পন্ন পরীক্ষা।
একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য ও বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আশরাফুল আলম খান বলেন, আমরা যেভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেই তা শতভাগ স্বচ্ছ ও নিরাপদ। কিন্তু অন্য বিশ^বিদ্যালয়গুলো যে এভাবে পরীক্ষা নিতে পারবে তা নিয়ে শঙ্কা থেকে যায়। সবগুলো বিশ^বিদ্যালয়ের অবকাঠামো তো এক নয়। তাই আমরা চাই আগে নিরাপদ ভর্তি পরীক্ষা কিংবা আমাদের চেয়ে ভালোভাবে পরীক্ষা নেয়ার নিশ্চয়তা দেয়া হোক, তবেই আমরা সমন্বিত পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় যেতে পারি। তার আগে নয়।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রæয়ারি ১২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে ইউজিসি’র সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা শিক্ষা পরিষদ ও সিন্ডিকেটে আলোচনা করে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানান। তবে ইতোমধ্যে বুয়েট, চবি ও ঢাবি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা অংশ নেবে না বলে জানিয়েছে।

জবিতে উদযাপিত হলো উদীচি শিল্পীগোষ্ঠীর ‘আমার মাতৃভাষা’

কামরুল হাসান,জবিপ্রতিনিধি: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উদীচি শিল্পীগোষ্ঠী আয়োজনে করে ‘আমার মাতৃভাষা’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভাস্কর্য চত্ত্বরে সোমবার বেলা ১১ টায় ‘আমার মাতৃভাষা’
অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ।

শমশেরনগর স্থায়ী গোল্ডকাপ ফুটবল সিলেট ইউনাইটেড ক্লাব দল চ্যাম্পিয়ন

সালাহ্উদ্দিন শুভ, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শমশেরনগর স্থায়ী গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো সিলেট ইউনাইটেড ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শমশেরনগর খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির আয়োজনে সোমবার (২৪ ফেব্রæয়ারি) বিকাল ৪টায় শমশেরনগর চা বাগান মাঠে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। তুমুল প্রতিযোগিতা মূলক খেলায় প্রথমার্ধ গোল শূণ্যভাবে শেষ হয়। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মুহূর্তে আঙ্গুরের দেওয়া গোলে সিলেট ইউনাইটেড ক্লাব ১-০ গোলে স্বাগতিক শমশেরনগর খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি সবুজ দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। খেলায় ম্যান অবদি ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছে সিলেট ইউনাইটেড ক্লাবের আঙ্গুর। ম্যান অব দি ট‚র্ণামেন্ট নির্বাচিত হয়েছে শমশেরনগর খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি সবুজ দলের সৌরভ চাষা।
ফাইনাল খেলায় এবারই প্রথম এ অঞ্চলের প্রয়াত সাবেক ৭ ফুটবলারকে মরনোত্তর সম্মাননা ক্রেস্ট ও প্রাক্তণ ১২ জন ফুটবলার ও সংগঠককে শমশেরনগর খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ ট্রফি, ম্যাডেল, প্রাইজ মানি নগদ ১ লাখ টাকা ও ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. এম এ শহীদ। শমশেরনগর খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল মছব্বিরের সভাপতিত্বে এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক পুলিশ সুপার কায়ছার আহমদ হায়দরী, সাবেক বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কবির আহমদ হায়দরী, কমলগঞ্জ থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান, পরিদর্শক (তদন্ত) সুদীন চন্দ্র দাশ, মৌলভীবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি মোসাদ্দেক আহমদ (মানিক), শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ অরূপ কুমার চৌধুরী প্রমুখ।

ত্রিশালে আলিম মাদ্রাসায় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগি

এস.এম.জামাল উদ্দিন শামীম,ময়মনসিংহঃ-ত্রিশালের বইলর কানহর এ.ডি.এস আলিম মাদ্রাসায় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

সোমবার ২৪ ফেব্রুয়ারী মাদ্রাসা মাঠে উৎসব মূখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। মাদ্রাসা সভাপতি ত্রিশাল কারিগরি ও বানিজ্যিক কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ তমিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জিল্লুর রহমান আনম, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম কিবরিয়া।

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতানুষ্ঠানে মাদ্রাসার সকল শিক্ষক মন্ডলী ও ছাত্রছাত্রীদের সতস্ফুর্ত অংশ গ্রহনের পাশাপাশি অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয় ।এ ছাড়াও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতা যেন উৎসবে পরিনত হয়।

Photo Gallery

সম্পাদক ও প্রকাশক : সাহিদুর রহমান, অফিস : ৪৫, তোপখানা রোড (নীচতলা)পল্টন মোড়, ট্রপিকানা টাওয়ার, ঢাকা-১০০০।
অফিস সেল ফোন : ০১৯১১-৭৩৫৫৩৩। ই-মেইল : shiromonimedia@gmail.com,ওয়েব : www.shiromoni.com

Social Widgets powered by AB-WebLog.com.